ঢাকা ০৪:৪৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

৯ দিনে কোটির ঘরে ‘কলিজার আধখান’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩
  • ১৮৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মুক্তির প্রথমদিন (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই নাটকটি দেখে আবেগে ভাসছিল দর্শকরা। তৃতীয় দিন থেকে সেটি অবস্থান নেয় ইউটিউব ট্রেন্ডিং তালিকায়। আর ৯ দিনে (১০ সেপ্টেম্বর) এসে নাটকটি ছুঁয়েছে কোটি ভিউ ক্লাবের ঘর।

নাটকের নাম ‘কলিজার আধখান’। সিএমভি প্রযোজিত এই নাটকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুশফিক আর ফারহান ও তানজিন তিশা। সন্তান না হওয়া এক দম্পতির করুণ গল্প আবর্তিত হয়েছে এতে। যেখানে রয়েছে সামাজিক বার্তাও। এর চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মিফতাহ আনান।

গত ১ সেপ্টেম্বর সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। এরপরই দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এটি দেখার জন্য। ‘নাটকটা দেখে সত্যি চোখে পানি চলে এল। যার সন্তান নেই, সে বোঝে সন্তান না থাকার যন্ত্রণা কতটা বেদনাদায়ক’, ‘নাটকটা দেখে অনেক কেঁদেছি’, ‘সত্যি নাটকটা দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না’- এমন হাজারও মন্তব্যে ভরে গেছে নাটকের ইউটিউব কমেন্ট বক্স।

মুশফিক আর ফারহান বলেন, ‘এই নাটকের গল্প আমাকে ভাবিয়েছিল, কাজ করার পর সেটাই দেখতে পাচ্ছি। এমন একটা ইস্যু নিয়ে করেছি, যারা এই ধরনের সমস্যায় আছেন, তারা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন। ফেসবুক-ইউটিউবে অসংখ্য মন্তব্য দেখে আপ্লুত হচ্ছি।’

প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী বলেন, ‘এটা পরম স্বস্তির বিষয় যে, সিরিয়াস নাটকও মানুষ দেখে। যদি সেটার গল্প ও নির্মাণ ঠিকঠাক থাকে। আমরা বরাবরই চেষ্টা করি সস্তা জনপ্রিয়তা এড়িয়ে গল্প সমৃদ্ধ মান সম্পন্ন নাটক উপহার দিতে। তারই পুরস্কার এই নাটক থেকে পাচ্ছি। এমন কাজ সামনে আরও নির্মাণের চেষ্টা করব।’

নাটকটিতে একটি গানও রয়েছে। সেটি গেয়েছেন ইমরান ও কনা। মেহেদী হাসান লিমনের কথায় এর সুর-সংগীত করেছেন মার্সেল। এই গানটিও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে অন্তর্জালে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

৯ দিনে কোটির ঘরে ‘কলিজার আধখান’

আপডেট টাইম : ০৭:১৪:৪৪ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ মুক্তির প্রথমদিন (১ সেপ্টেম্বর) থেকেই নাটকটি দেখে আবেগে ভাসছিল দর্শকরা। তৃতীয় দিন থেকে সেটি অবস্থান নেয় ইউটিউব ট্রেন্ডিং তালিকায়। আর ৯ দিনে (১০ সেপ্টেম্বর) এসে নাটকটি ছুঁয়েছে কোটি ভিউ ক্লাবের ঘর।

নাটকের নাম ‘কলিজার আধখান’। সিএমভি প্রযোজিত এই নাটকের মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন মুশফিক আর ফারহান ও তানজিন তিশা। সন্তান না হওয়া এক দম্পতির করুণ গল্প আবর্তিত হয়েছে এতে। যেখানে রয়েছে সামাজিক বার্তাও। এর চিত্রনাট্য ও পরিচালনা করেছেন মুহাম্মদ মিফতাহ আনান।

গত ১ সেপ্টেম্বর সিএমভি’র ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি উন্মুক্ত করা হয়েছে। এরপরই দর্শক হুমড়ি খেয়ে পড়ছে এটি দেখার জন্য। ‘নাটকটা দেখে সত্যি চোখে পানি চলে এল। যার সন্তান নেই, সে বোঝে সন্তান না থাকার যন্ত্রণা কতটা বেদনাদায়ক’, ‘নাটকটা দেখে অনেক কেঁদেছি’, ‘সত্যি নাটকটা দেখে চোখের পানি ধরে রাখতে পারলাম না’- এমন হাজারও মন্তব্যে ভরে গেছে নাটকের ইউটিউব কমেন্ট বক্স।

মুশফিক আর ফারহান বলেন, ‘এই নাটকের গল্প আমাকে ভাবিয়েছিল, কাজ করার পর সেটাই দেখতে পাচ্ছি। এমন একটা ইস্যু নিয়ে করেছি, যারা এই ধরনের সমস্যায় আছেন, তারা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে পারছেন। ফেসবুক-ইউটিউবে অসংখ্য মন্তব্য দেখে আপ্লুত হচ্ছি।’

প্রযোজক এস কে সাহেদ আলী বলেন, ‘এটা পরম স্বস্তির বিষয় যে, সিরিয়াস নাটকও মানুষ দেখে। যদি সেটার গল্প ও নির্মাণ ঠিকঠাক থাকে। আমরা বরাবরই চেষ্টা করি সস্তা জনপ্রিয়তা এড়িয়ে গল্প সমৃদ্ধ মান সম্পন্ন নাটক উপহার দিতে। তারই পুরস্কার এই নাটক থেকে পাচ্ছি। এমন কাজ সামনে আরও নির্মাণের চেষ্টা করব।’

নাটকটিতে একটি গানও রয়েছে। সেটি গেয়েছেন ইমরান ও কনা। মেহেদী হাসান লিমনের কথায় এর সুর-সংগীত করেছেন মার্সেল। এই গানটিও বেশ জনপ্রিয়তা পেয়েছে অন্তর্জালে।