ঢাকা ০৫:৩০ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত এমন রাজনৈতিক চর্চা করা যাবে না, যাতে ফ্যাসিবাদের প্রত্যাবর্তনের পথ সহজ হয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তরুণরা নেতৃত্ব দিলে প্রযুক্তিনির্ভর উন্নয়ন টেকসই হবে: তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করতে ইউএনওদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর আলেমদের সমাজ পরিবর্তনের প্রধান রূপকার হওয়ার আহ্বান জামায়াত আমিরের চট্টগ্রাম সফরে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী, প্রস্তুত ৭ ভেন্যু সরাসরি বিশ্বকাপে আফগানিস্তান, বাংলাদেশের ভাগ্য সেই ভারতের হাতেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশ নেবে জামায়াত চিকিৎসক সমাজের পেশাগত উৎকর্ষতার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ড্যাব : জুবাইদা রহমান জেআইসিতে এক-এগারোর সময় তারেক রহমানকে নির্যাতনের তথ্য পাওয়া গেছে: চিফ প্রসিকিউটর

জিডিপির পার্থক্য ৩ শতাংশ হলেও সমস্যা নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৩১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩
  • ২০১ বার

বিশ্বব্যাংক বলেছে বিভিন্ন কারণে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে। যেখানে সরকার বাজেটে সাড়ে ৭ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। পার্থক্য ২ শতাংশের বেশি-এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এটা হতে পারে। তারা তাদের মত দিয়েছে। আমরা তথ্য উপাত্ত নিয়ে চূড়ান্ত হিসাব করি। তাই পার্থক্য ৩ শতাংশও হতে পারে। এটা মরণফাঁদ নয়।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) একনেক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শের-ই বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমসহ অন্যরা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এর আগে বলেছিলাম মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। সেই ধারাবাহিকতায় মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তবে আল্লাহ বাঁচিয়েছে যে তা ১০ শতাংশ হয়নি।

এদিকে এডিবি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

সরকারের সঙ্গে ভিন্নতা কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড . শামসুল আলম বলেন, সরকার নেতিবাচক তথ্যে আক্রান্ত। বিশ্বব্যাংক সব সময় এক দুই শতাংশ কম করে প্রবৃদ্ধির কথা বলে। শেষে আমাদেরটাই ঠিক হয়। কারণ, তারা অনুমান করে প্রাক্কলন করে। আর আমরা তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে তার প্রতিফলন ঘটাই।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মার্চ ও এপ্রিলে একটু মুল্যস্ফীতি বাড়ে। এরপর কমতে পারে। তবে এটা দ্বিতীয় অঙ্কে যাবে কি না এখনই বলা যাবে না। কারণ, সৌদি আরব ও রাশিয়া আবার তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর তেলের দাম বাড়লেতো সব কিছুর দামও বাড়ে। তখন মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিলের পানিতে ডুবে ভাই-বোন নিহত

জিডিপির পার্থক্য ৩ শতাংশ হলেও সমস্যা নেই: পরিকল্পনামন্ত্রী

আপডেট টাইম : ০৯:৩১:৫১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৪ এপ্রিল ২০২৩

বিশ্বব্যাংক বলেছে বিভিন্ন কারণে চলতি অর্থবছরে বাংলাদেশে জিডিপির প্রবৃদ্ধি কমে ৫ দশমিক ২ শতাংশ হতে পারে। যেখানে সরকার বাজেটে সাড়ে ৭ শতাংশ নির্ধারণ করেছে। পার্থক্য ২ শতাংশের বেশি-এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান বলেন, এটা হতে পারে। তারা তাদের মত দিয়েছে। আমরা তথ্য উপাত্ত নিয়ে চূড়ান্ত হিসাব করি। তাই পার্থক্য ৩ শতাংশও হতে পারে। এটা মরণফাঁদ নয়।

মঙ্গলবার (৪ এপ্রিল) একনেক সভা শেষে সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা শের-ই বাংলা নগরে পরিকল্পনা কমিশনে এনইসি সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় সভাপতিত্ব করেন একনেক চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এ সময় উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলমসহ অন্যরা।

বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) সর্বশেষ তথ্য তুলে ধরে পরিকল্পনামন্ত্রী বলেন, এর আগে বলেছিলাম মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি বাড়বে। সেই ধারাবাহিকতায় মার্চ মাসে মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ৩৩ শতাংশ হয়েছে। ফেব্রুয়ারিতে সার্বিক মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৮ শতাংশ। তবে আল্লাহ বাঁচিয়েছে যে তা ১০ শতাংশ হয়নি।

এদিকে এডিবি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছে, চলতি অর্থবছরে জিডিপির প্রবৃদ্ধি হবে ৫ দশমিক ৩ শতাংশ এবং মূল্যস্ফীতি ৮ দশমিক ৩ শতাংশ।

সরকারের সঙ্গে ভিন্নতা কেন-এমন প্রশ্নের জবাবে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড . শামসুল আলম বলেন, সরকার নেতিবাচক তথ্যে আক্রান্ত। বিশ্বব্যাংক সব সময় এক দুই শতাংশ কম করে প্রবৃদ্ধির কথা বলে। শেষে আমাদেরটাই ঠিক হয়। কারণ, তারা অনুমান করে প্রাক্কলন করে। আর আমরা তথ্য উপাত্ত উপস্থাপন করে তার প্রতিফলন ঘটাই।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী বলেন, মার্চ ও এপ্রিলে একটু মুল্যস্ফীতি বাড়ে। এরপর কমতে পারে। তবে এটা দ্বিতীয় অঙ্কে যাবে কি না এখনই বলা যাবে না। কারণ, সৌদি আরব ও রাশিয়া আবার তেলের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। আর তেলের দাম বাড়লেতো সব কিছুর দামও বাড়ে। তখন মূল্যস্ফীতি বাড়তে পারে।