ঢাকা ০৩:৩৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬, ৩১ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন ফের লঘুচাপ সৃষ্টির আভাস, আবহাওয়া নিয়ে নতুন বার্তা অধিদপ্তরের চলতি অর্থবছরেই ৪১ লাখ নতুন ফ্যামিলি কার্ড দেবে সরকার দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা সরকারের প্রধান নীতিগত অগ্রাধিকার : প্রধানমন্ত্রী সংসদে ‘ব্যক্তিগত মন্তব্য’ নিয়ে দুঃখ প্রকাশ করলেন শিক্ষামন্ত্রী আদমদীঘিতে কাঁচা মরিচের দামে ‘সেঞ্চুরি’, স্বস্তিতে কৃষক ব্রয়লার মুরগি খাওয়া কতটা নিরাপদ ‘ব্রয়লার মুরগি’ মন্তব্য নিয়ে যে ব্যাখ্যা দিলেন ছাত্রদলের নাছির দেশের যেসব অঞ্চলে রাত ১টার মধ্যে ঝড়ের আভাস দিল্লিতে বসে হুঙ্কার দিয়ে লাভ নেই, সীমানায় ঢুকলেই গ্রেপ্তার: আইনমন্ত্রী

ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ, কমেছে দামও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১
  • ২৭৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইলিশ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। রাত ১২টার পর থেকে নির্বিঘ্নে আবার ইলিশ শিকার শুরু করেন জেলেরা।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ মাছের আড়ত বরিশালের পোর্ট রোডের মোকামে বিকিকিনির ধুম পড়ে। ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর ছিল পুরো মোকাম এলাকা।

দক্ষিণাঞ্চলের উপকূল এলাকা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও মেঘনাসহ কয়েকটি নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। শীত মৌসুমের শুরুতে হঠাৎ জালে এত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরাও অবাক। এতে এ অঞ্চলের বৃহৎ ইলিশ মোকাম পোর্ট রোডে বিকিকিনির ধুম পড়েছে। প্রচুর ইলিশের সরবরাহ থাকায় দামও কমেছে কিছুটা। ক্রেতারাও খুশি। ইলিশ কিনছেন যে যার সাধ্যমতো।

তবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রয় করা ইলিশ ককশিটে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। প্রতিটি আড়ত ঘরের সামনে ককশিট প্যাকেটের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। আড়তদার, মৎস্য শ্রমিক ও ক্রেতাদের ভিড় পোর্ট রোডে।

কীর্তনখোলা নদী থেকে খাল দিয়ে একের পর এক ইলিশবোঝাই নৌকা, ট্রলার, স্পিডবোট এসে ভিড়ছে ঘাটে। সঙ্গে সঙ্গে এসব নৌকা ঘিরে ধরছেন পোর্ট রোড ইলিশ মোকামের আড়তদাররা। সেই ইলিশ কিনে স্তূপ করে রেখেছেন আড়তের সামনেই।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর উপকূল এলাকা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ইলিশের ওজন প্রায় এক কেজি। এ শীত মৌসুমে মেঘনায় এত ইলিশ ধরা পড়ার নজির নেই।

পাইকারি আড়তদাররা জানান, ১ কেজি ২০০ গ্রাম থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের মাছ কেজি প্রতি ১ হাজার টাকা, ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ ১ হাজার ১০০ টাকা, ১ কেজির বেশি ওজনের মাছে ৯০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছে ৭০০ টাকা কেজি, দুটিতে ১ কেজি ওজনের মাছ কেজি প্রতি ৬০০ টাকা, তিনটিতে ১ কেজি ওজনের মাছ ৫০০ টাকা, এবং  ৮ থেকে ৯টিতে কেজি মাছের দাম ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। আমার মতো অনেকেই ইলিশ কিনতে এসেছেন। প্রচুর ইলিশ এসেছে, দেখে ভালোও লাগছে। অনেক দিন পর ইলিশের স্বাদ নিতে পারব।

বরিশাল পোর্ট রোড মৎস্যন আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, কত মণ ইলিশ এসেছে তা বলতে পারব না এখনই। তবে প্রচুর ইলিশ এসেছে। দামও সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শিক্ষার্থীদের স্বার্থই সরকারের অগ্রাধিকার: মাহদী আমিন

ধরা পড়ছে প্রচুর ইলিশ, কমেছে দামও

আপডেট টাইম : ০৮:৪৪:১৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ইলিশ শিকারে ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা সোমবার মধ্যরাতে শেষ হয়েছে। রাত ১২টার পর থেকে নির্বিঘ্নে আবার ইলিশ শিকার শুরু করেন জেলেরা।

মঙ্গলবার ভোর থেকেই দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ মাছের আড়ত বরিশালের পোর্ট রোডের মোকামে বিকিকিনির ধুম পড়ে। ক্রেতাদের ভিড়ে মুখর ছিল পুরো মোকাম এলাকা।

দক্ষিণাঞ্চলের উপকূল এলাকা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও মেঘনাসহ কয়েকটি নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। শীত মৌসুমের শুরুতে হঠাৎ জালে এত ইলিশ ধরা পড়ায় জেলেরাও অবাক। এতে এ অঞ্চলের বৃহৎ ইলিশ মোকাম পোর্ট রোডে বিকিকিনির ধুম পড়েছে। প্রচুর ইলিশের সরবরাহ থাকায় দামও কমেছে কিছুটা। ক্রেতারাও খুশি। ইলিশ কিনছেন যে যার সাধ্যমতো।

তবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা পাইকারদের সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মতো। ক্রয় করা ইলিশ ককশিটে বরফ দিয়ে প্যাকেটজাত করছেন শ্রমিকরা। প্রতিটি আড়ত ঘরের সামনে ককশিট প্যাকেটের স্তূপ করে রাখা হয়েছে। আড়তদার, মৎস্য শ্রমিক ও ক্রেতাদের ভিড় পোর্ট রোডে।

কীর্তনখোলা নদী থেকে খাল দিয়ে একের পর এক ইলিশবোঝাই নৌকা, ট্রলার, স্পিডবোট এসে ভিড়ছে ঘাটে। সঙ্গে সঙ্গে এসব নৌকা ঘিরে ধরছেন পোর্ট রোড ইলিশ মোকামের আড়তদাররা। সেই ইলিশ কিনে স্তূপ করে রেখেছেন আড়তের সামনেই।

জেলেদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত ২২ দিন মাছ ধরা বন্ধ থাকার পর উপকূল এলাকা সংলগ্ন বঙ্গোপসাগর ও মেঘনা নদীতে প্রচুর ইলিশ ধরা পড়ছে। বেশিরভাগ ইলিশের ওজন প্রায় এক কেজি। এ শীত মৌসুমে মেঘনায় এত ইলিশ ধরা পড়ার নজির নেই।

পাইকারি আড়তদাররা জানান, ১ কেজি ২০০ গ্রাম থেকে ৪০০ গ্রাম ওজনের মাছ কেজি প্রতি ১ হাজার টাকা, ১ কেজি ৪০০ গ্রাম থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছ ১ হাজার ১০০ টাকা, ১ কেজির বেশি ওজনের মাছে ৯০০ টাকা, ৭০০ থেকে ৮০০ গ্রাম ওজনের মাছে ৭০০ টাকা কেজি, দুটিতে ১ কেজি ওজনের মাছ কেজি প্রতি ৬০০ টাকা, তিনটিতে ১ কেজি ওজনের মাছ ৫০০ টাকা, এবং  ৮ থেকে ৯টিতে কেজি মাছের দাম ২৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

ক্রেতা রবিউল ইসলাম বলেন, দাম মোটামুটি সাধ্যের মধ্যে রয়েছে। আমার মতো অনেকেই ইলিশ কিনতে এসেছেন। প্রচুর ইলিশ এসেছে, দেখে ভালোও লাগছে। অনেক দিন পর ইলিশের স্বাদ নিতে পারব।

বরিশাল পোর্ট রোড মৎস্যন আড়তদার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক নিরব হোসেন টুটুল বলেন, কত মণ ইলিশ এসেছে তা বলতে পারব না এখনই। তবে প্রচুর ইলিশ এসেছে। দামও সাধ্যের মধ্যেই রয়েছে।