ঢাকা ০৫:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ অক্টোবর ২০২৬, ১৩ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন আওয়ামী আমলের আমলনামা উন্নয়নের আড়ালে ২৮ হাজার কোটি টাকার দুর্নীতি ২৯ অক্টোবর মধ্য রাত থেকে উঠে যাচ্ছে ইলিশ রক্ষার নিষেধাজ্ঞা স্বাস্থ্যসেবা খাতে সহযোগিতা বাড়াতে সাসাকাওয়া পিস ফাউন্ডেশনকে জুবাইদা রহমানের আহ্বান কৃষিতেও বাড়ছে খেলাপির চাপ ৩১ অক্টোবর লংমার্চ সফল করতে ১১ দলীয় ঐক্যের আহ্বান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচির বৈঠক ফলপ্রসূ হয়েছ: হুমায়ূন কবির আইজিপি সহজ-সরল মানুষ, ক্রসফায়ার নিয়ে বক্তব্য ঠিক হয়নি: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আইজিপির বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন প্রধানমন্ত্রী: তথ্য উপদেষ্টা চাকরির প্রলোভনে রাশিয়ায় সামরিক চুক্তিতে বাধ্য করার প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ

সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে:রাষ্ট্রপতি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৬
  • ৪৩৯ বার

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ উন্নত দেশের সাথে শান্তিরক্ষায় এগিয়ে যেতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের কৌশলে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আইটি বৈপ্লবিক প্রসারের কারণে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নত দেশের সাথে সেনাবাহিনীকে শাান্তিরক্ষায় এগিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে।

রাষ্ট্রপতি রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের শীতকালীন মহড়ায় ভাষণে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রশিক্ষণে একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং একজন সৈনিক কেবলমাত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতার শিখরে পৌঁছতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সময়োপযোগী, সুশৃংখল এবং আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকলের সহযোগিতায় একটি সবচেয়ে ভালো পেশাদার, গতিশীল এবং দক্ষ বাহিনী হবে।

রাষ্ট্রপতি হামিদ মহড়া অনুষ্ঠানে তাঁর আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই শীতকালীন মহড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, আমি এই ধরনের মহড়া দেখে সত্যি অভিভূত। তিনি বলেন, আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর উত্তরাধিকারী।

রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনা সদস্যদের অবদান উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশ সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে স্বাধীনতাপ্রেমী জনগণের সঙ্গে যোগ দেন। তাদের অনেকেই শহীদ হন। আমার বিশ্বাস, তাদের আত্মত্যাগ দেশ রক্ষায় আপনাদের উদ্বুদ্ধ করবে।

রাষ্ট্রপতি সেনাবাহিনীর উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়নে এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি মহড়ায় আনসার, ভিডিপি ও এনসিসি’র সদস্যদের সম্পৃক্ত করায় সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, এই পদক্ষেপ মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ কৌশলে একটি নতুন ডাইমেনশন যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, তিন বাহিনী প্রধান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার এ নিকোলভ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি স্থানীয় দরিদ্র লোকদের মধ্যে শীতকালীন পোশাক বিতরণ করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সাইকেলে চড়তেন, ৫ আগস্টের তিন দিন পর প্রাডো গাড়িতে চড়েছেন

সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণ কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে:রাষ্ট্রপতি

আপডেট টাইম : ০৯:৪৫:৪৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ জানুয়ারী ২০১৬

রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ উন্নত দেশের সাথে শান্তিরক্ষায় এগিয়ে যেতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রশিক্ষণের কৌশলে পরিবর্তন আনার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, আইটি বৈপ্লবিক প্রসারের কারণে নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় উন্নত দেশের সাথে সেনাবাহিনীকে শাান্তিরক্ষায় এগিয়ে যেতে প্রশিক্ষণের কৌশলে পরিবর্তন আনতে হবে।

রাষ্ট্রপতি রাজবাড়ী জেলার কালুখালি উপজেলায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ৫৫ পদাতিক ডিভিশনের শীতকালীন মহড়ায় ভাষণে এ কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রশিক্ষণে একটি চলমান প্রক্রিয়া এবং একজন সৈনিক কেবলমাত্র প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষতার শিখরে পৌঁছতে পারে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী পর্যায়ক্রমে উন্নয়নের মাধ্যমে একটি সময়োপযোগী, সুশৃংখল এবং আধুনিক বাহিনীতে পরিণত হয়েছে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সকলের সহযোগিতায় একটি সবচেয়ে ভালো পেশাদার, গতিশীল এবং দক্ষ বাহিনী হবে।

রাষ্ট্রপতি হামিদ মহড়া অনুষ্ঠানে তাঁর আন্তরিক অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, এই শীতকালীন মহড়া বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পেশাদারিত্বকে আরো শক্তিশালী করবে। তিনি বলেন, আমি এই ধরনের মহড়া দেখে সত্যি অভিভূত। তিনি বলেন, আপনারা মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় উদ্বুদ্ধ দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনীর উত্তরাধিকারী।

রাষ্ট্রপতি মুক্তিযুদ্ধে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং সেনা সদস্যদের অবদান উল্লেখ করে বলেন, জাতির পিতা শেখ মুজিবুর রহমানের আহবানে সাড়া দিয়ে দেশ সেনা কর্মকর্তা ও সদস্যরা পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে স্বাধীনতাপ্রেমী জনগণের সঙ্গে যোগ দেন। তাদের অনেকেই শহীদ হন। আমার বিশ্বাস, তাদের আত্মত্যাগ দেশ রক্ষায় আপনাদের উদ্বুদ্ধ করবে।

রাষ্ট্রপতি সেনাবাহিনীর উন্নয়নের জন্য বর্তমান সরকার গৃহীত বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মসূচির উল্লেখ করে বলেন, সেনাবাহিনীর সদস্যদের কল্যাণে সরকার বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকার সেনাবাহিনীর উন্নয়নে এই ধরনের পদক্ষেপ অব্যাহত রাখবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
রাষ্ট্রপতি মহড়ায় আনসার, ভিডিপি ও এনসিসি’র সদস্যদের সম্পৃক্ত করায় সেনাবাহিনীর প্রশংসা করে বলেন, এই পদক্ষেপ মাতৃভূমির অখন্ডতা রক্ষায় সেনাবাহিনীর যুদ্ধ কৌশলে একটি নতুন ডাইমেনশন যোগ করেছে।

অনুষ্ঠানে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী এ কে এম মোজাম্মেল হক, তিন বাহিনী প্রধান এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত রাশিয়ার রাষ্ট্রদূত আলেকজান্ডার এ নিকোলভ উপস্থিত ছিলেন।
রাষ্ট্রপতি স্থানীয় দরিদ্র লোকদের মধ্যে শীতকালীন পোশাক বিতরণ করেন।