ঢাকা ১২:২৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়ছে ছুটি জেএসসি-জেডিসির সিদ্ধান্ত হবে আজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০
  • ২৬২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।  প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছে না সরকার। তাই গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও বাড়তে যাচ্ছে। পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ও পরীক্ষা স্থগিত রাখার চিন্তা করছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিবেশ স্বাভাবিক হলেই পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এবং পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে নতুন ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ১৮ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। এই ছুটি কয়েকদফা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়ায় এই ছুটি আরও বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী নতুন ছুটির বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে করোনার কারণে স্থগিত হওয়া চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষাও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। যখনই অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে তখনই ১৫ দিনের নোটিশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে বিকল্প ৫টি প্রস্তাবনা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালেও অষ্টম শ্রেণির জেএসসি ও জেডিসির বিষয়ে এখনো প্রস্তাব পাঠায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাব চূড়ান্ত করে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলে একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই প্রতিষ্ঠান খোলা যাচ্ছে না। বরং আরো ১৫ দিনের মতো ছুটি বাড়তে পারে। সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে এমনটাই চিন্তাভাবনা চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না আরো ছুটি বাড়ছে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার এখনও কোনো পরিবেশ তৈরি হয়নি। তাই এবার কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা না নিয়ে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এখন যে অবস্থা, এখনও কিন্তু ২০-২২ শতাংশ (নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্ত রোগীর হার)। স্কুল খুললে অভিভাবকেরা চলে আসবে। তাদেরকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলব কেন? সেটা আমাদের চিন্তা করতে হবে। আমরা মনে করছি যে আসলে তো এখনও পরিবেশ তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, আমরা সরকারের সাথে আলোচনা করে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেব স্কুল কখন খোলা যায়। সেপ্টেম্বরে খোলার মত পরিবেশ হয়নি এখনও।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ না কমায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় এখনও হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। স্থগিত থাকা এইচএসসি এবং এবারের জেএসসি-জেডিসি এবং প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার নিয়ে সোমবার মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এইচএসসি ও অন্যান্য পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনা করেছে; তারা দেখবে, দেখে দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত নেবে। তবে স্কুল, কলেজ এখনও খোলার মতো সময় এসেছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না। পরীক্ষার বিষয়ে উনারা (মন্ত্রণালয়) চিন্তা-ভাবনা করছেন, কীভাবে কী করা যায়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো অনুকূল পরিবেশ নেই। অনেক দেশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে পরে আবার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। তাই আমরা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে কোন ঝুঁকি নিতে পারি না।

পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এইচএসসি’র মতো এতো বড় একটি পাবলিক পরীক্ষা এখনো নেয়ার মতো অবস্থা নেই। এই পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই শুধু ১৪ লাখ, এর সাথে শিক্ষক, আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। পরীক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন সাধারণত পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে আসেন, নিয়ে যান। তাদের বেশিরভাগই গণপরিবহন ব্যবহার করেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের এবং তাদের পরিবারের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটা পরীক্ষা আমরা চাইলেই নিয়ে ফেলতে পারি না। অনেক বিষয় ভাবতে হয়। সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া আছে। অনুকূল পরিবেশ হওয়া মাত্রই আমরা পরীক্ষার ঘোষণা দেবো। ১৫দিন নোটিশ দিয়ে পরীক্ষা নেবো। এছাড়া স্বাস্থ্যঝুঁকি না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার নারীর স্বাস্থ্যকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে বাড়ছে ছুটি জেএসসি-জেডিসির সিদ্ধান্ত হবে আজ

আপডেট টাইম : ০৯:২৭:৩০ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণে আসেনি।  প্রতিদিনই বাড়ছে আক্রান্ত ও মৃত্যুর সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে এখনই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়ার ঝুঁকি নিতে চাইছে না সরকার। তাই গত ১৮ মার্চ থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের চলমান ছুটি আরও বাড়তে যাচ্ছে। পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ও পরীক্ষা স্থগিত রাখার চিন্তা করছে শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। পরিবেশ স্বাভাবিক হলেই পরবর্তী ১৫ দিনের মধ্যেই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেয়া এবং পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত জানাবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি। আজ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের বৈঠক শেষে নতুন ছুটির ঘোষণা আসতে পারে। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নিবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হওয়ার পর ১৮ মার্চ থেকে দেশের সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয় সরকার। এই ছুটি কয়েকদফা বাড়িয়ে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত করা হয়েছে। কিন্তু এখনো পরিবেশ স্বাভাবিক না হওয়ায় এই ছুটি আরও বাড়াতে যাচ্ছে সরকার। পূর্বঘোষণা অনুযায়ী নতুন ছুটির বিষয়ে আজ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এদিকে করোনার কারণে স্থগিত হওয়া চলতি বছরের এইচএসসি, আলিম ও সমমানের পরীক্ষাও পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত গ্রহণ করা হবে না বলে জানিয়ে দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী। যখনই অনুকূল পরিবেশ তৈরি হবে তখনই ১৫ দিনের নোটিশে পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে। এছাড়া পঞ্চম শ্রেণির প্রাথমিক ও ইবতেদায়ী শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষার বিষয়ে বিকল্প ৫টি প্রস্তাবনা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠালেও অষ্টম শ্রেণির জেএসসি ও জেডিসির বিষয়ে এখনো প্রস্তাব পাঠায়নি শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আজ মন্ত্রণালয়ের বৈঠকে আলোচনার মাধ্যমে প্রস্তাব চূড়ান্ত করে তা প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হবে বলে একাধিক কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, শিগগিরই প্রতিষ্ঠান খোলা যাচ্ছে না। বরং আরো ১৫ দিনের মতো ছুটি বাড়তে পারে। সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ে এমনটাই চিন্তাভাবনা চলছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছু শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা জানান, মঙ্গলবার পরীক্ষা সংক্রান্ত বিষয়ে সিদ্ধান্ত আসতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে না আরো ছুটি বাড়ছে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব আকরাম-আল-হোসেন বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার এখনও কোনো পরিবেশ তৈরি হয়নি। তাই এবার কেন্দ্রীয়ভাবে প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষা না নিয়ে নিজ নিজ বিদ্যালয়ে এই পরীক্ষা নিতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে যে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে, সে বিষয়েও এখনো কোনো সিদ্ধান্ত আসেনি। এখন যে অবস্থা, এখনও কিন্তু ২০-২২ শতাংশ (নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্ত রোগীর হার)। স্কুল খুললে অভিভাবকেরা চলে আসবে। তাদেরকে আমরা ঝুঁকির মধ্যে ফেলব কেন? সেটা আমাদের চিন্তা করতে হবে। আমরা মনে করছি যে আসলে তো এখনও পরিবেশ তৈরি হয়নি। তিনি বলেন, আমরা সরকারের সাথে আলোচনা করে দুই মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেব স্কুল কখন খোলা যায়। সেপ্টেম্বরে খোলার মত পরিবেশ হয়নি এখনও।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ না কমায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার সময় এখনও হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। স্থগিত থাকা এইচএসসি এবং এবারের জেএসসি-জেডিসি এবং প্রাথমিক সমাপনী পরীক্ষার নিয়ে সোমবার মন্ত্রিসভায় কোনো আলোচনা হয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, এইচএসসি ও অন্যান্য পরীক্ষা নিয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনা করেছে; তারা দেখবে, দেখে দ্রুত একটা সিদ্ধান্ত নেবে। তবে স্কুল, কলেজ এখনও খোলার মতো সময় এসেছে বলে আমাদের কাছে মনে হচ্ছে না। পরীক্ষার বিষয়ে উনারা (মন্ত্রণালয়) চিন্তা-ভাবনা করছেন, কীভাবে কী করা যায়।

শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, এখনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলার মতো অনুকূল পরিবেশ নেই। অনেক দেশ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে পরে আবার বন্ধ করে দিতে বাধ্য হয়েছে। তাই আমরা বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জীবন নিয়ে কোন ঝুঁকি নিতে পারি না।

পরীক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, এইচএসসি’র মতো এতো বড় একটি পাবলিক পরীক্ষা এখনো নেয়ার মতো অবস্থা নেই। এই পরীক্ষায় পরীক্ষার্থীর সংখ্যাই শুধু ১৪ লাখ, এর সাথে শিক্ষক, আইন-শৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা থাকবেন। পরীক্ষার্থীদের পরিবারের সদস্যরা রয়েছেন সাধারণত পরীক্ষার কেন্দ্রে নিয়ে আসেন, নিয়ে যান। তাদের বেশিরভাগই গণপরিবহন ব্যবহার করেন। এই বিপুল সংখ্যক মানুষের এবং তাদের পরিবারের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে একটা পরীক্ষা আমরা চাইলেই নিয়ে ফেলতে পারি না। অনেক বিষয় ভাবতে হয়। সম্পূর্ণ প্রস্তুতি নেয়া আছে। অনুকূল পরিবেশ হওয়া মাত্রই আমরা পরীক্ষার ঘোষণা দেবো। ১৫দিন নোটিশ দিয়ে পরীক্ষা নেবো। এছাড়া স্বাস্থ্যঝুঁকি না কমলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা সম্ভব হবে না।