ঢাকা ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৫ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

১/১১ সরকারের সময়ে তারেক রহমানের নির্যাতনের বিচার চাইলেন শাম্মী আক্তার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৩০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬
  • ২২ বার

বিগত ১/১১-এর সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরে নির্যাতন হয়েছে তার মুখোশ উন্মোচন এবং বিচার দাবি করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার। এর বিচার না হলে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন বাজেটে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে শাম্মী আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন।

শাম্মী আক্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেছেন যে এখনো যদি এক্সরে করা হয়, তার মেরুদণ্ডের হাড়টি বাঁকা হয়ে জোড়া লেগেছে, সেটি তিনি দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যে তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।

তিনি বলেছেন, যে তিনি (তারেক রহমান) প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না, এটি থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে চান। এটি অবশ্যই একটি দেশের জন্য, রাজনীতির জন্য ইতিবাচক দিক। কিন্তু প্রতিশোধ নয়, আমরা বিচার চাই। আমরা চাই ১/১১-এর সরকারের সময়ে তার ওপরে যে নির্যাতন সংঘটিত হয়েছে, এই ঘটনার মুখোশ উন্মোচন করা হোক এবং এই ঘটনার আমি বিচার দাবি করছি। বিচার যদি না হয় তাহলে পরবর্তীকালে এই ঘটনা আবারও পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে আমি আশঙ্কা প্রকাশ করছি।

প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কার্বন শিল্প নীতির ক্ষেত্রেও এই বাজেট সময়োপযোগী। সোলার ইনভার্টার, সোলার মডিউল, লিথিয়াম ব্যাটারি, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম এবং ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদনের ক্ষেত্রে কর শুল্ক সুবিধা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এর অর্থ আমরা শুধু আজকের জ্বালানি চাহিদা নয়, আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের কথাও ভাবছি। একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের জন্য এই ধরনের কৌশল অপরিহার্য।

শাম্মী আক্তার বলেন, মুদ্রাস্ফীতি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মানুষ বাজেটের টেবিল দেখে না, মানুষ বাজারে যায়। তাই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উৎপাদন ব্যয় কমানো। কৃষি খাতে সার, বীজ, সেচ এবং যান্ত্রিকীকরণে সহায়তা দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে জিংক অ্যাশ-এর ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, পোল্ট্রি, ডেইরি ও ফিশ ফিডের তিনটি নতুন কাঁচামালে শুল্ক এবং পোল্ট্রি যন্ত্রপাতির পাঁচটি প্রয়োজনীয় উপকরণের শুল্ক শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এই সমস্ত পদক্ষেপ উৎপাদন খরচ কমাবে। উৎপাদন খরচ কমলে সরবরাহ বাড়ে।

তিনি আরও বলেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে চাপ কমে। এটাই হচ্ছে মূল্যস্ফীতি কমানোর বাস্তব পথ। বিরোধী দলের বন্ধুরা যারা বলেন যে সরকারের হাতে কি আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগ আছে কিনা; আমি বলতে চাই সরকারের আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগের চিন্তা না করে আসুন আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করুন। আসুন আপনারা আমরা সকলে মিলে এই বাজেট বাস্তবায়ন করি, যেই বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে এই দেশের জনগণের জন্য, এই দেশের কল্যাণের জন্য, এই দেশের সমৃদ্ধির জন্য। আসুন সকলে মিলে সেই বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করি। এটি আমি বলতে চাই।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

১/১১ সরকারের সময়ে তারেক রহমানের নির্যাতনের বিচার চাইলেন শাম্মী আক্তার

আপডেট টাইম : ১০:৩০:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬

বিগত ১/১১-এর সরকারের সময়ে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ওপরে নির্যাতন হয়েছে তার মুখোশ উন্মোচন এবং বিচার দাবি করেছেন সংরক্ষিত মহিলা আসনের বিএনপির সংসদ সদস্য শাম্মী আক্তার। এর বিচার না হলে এই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে তিনি আশঙ্কা করেছেন।

বুধবার (২৪ জুন) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম অধিবেশনের ১৪তম দিন বাজেটে সাধারণ আলোচনায় অংশ নিয়ে শাম্মী আক্তার এ দাবি জানান। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনের সভাপতিত্ব করেন।

শাম্মী আক্তার বলেন, প্রধানমন্ত্রী বিএনপি বিটের সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে বলেছেন যে এখনো যদি এক্সরে করা হয়, তার মেরুদণ্ডের হাড়টি বাঁকা হয়ে জোড়া লেগেছে, সেটি তিনি দাবি করেছেন। তিনি বলেছেন, যে তিনি প্রতিশোধ নিতে চান না।

তিনি বলেছেন, যে তিনি (তারেক রহমান) প্রতিহিংসা এবং প্রতিশোধের রাজনীতিতে বিশ্বাস করেন না, এটি থেকে তিনি বেরিয়ে আসতে চান। এটি অবশ্যই একটি দেশের জন্য, রাজনীতির জন্য ইতিবাচক দিক। কিন্তু প্রতিশোধ নয়, আমরা বিচার চাই। আমরা চাই ১/১১-এর সরকারের সময়ে তার ওপরে যে নির্যাতন সংঘটিত হয়েছে, এই ঘটনার মুখোশ উন্মোচন করা হোক এবং এই ঘটনার আমি বিচার দাবি করছি। বিচার যদি না হয় তাহলে পরবর্তীকালে এই ঘটনা আবারও পুনরাবৃত্তি ঘটতে পারে বলে আমি আশঙ্কা প্রকাশ করছি।

প্রস্তাবিত বাজেট সম্পর্কে তিনি বলেন, নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কার্বন শিল্প নীতির ক্ষেত্রেও এই বাজেট সময়োপযোগী। সোলার ইনভার্টার, সোলার মডিউল, লিথিয়াম ব্যাটারি, ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম এবং ইলেকট্রিক যানবাহন উৎপাদনের ক্ষেত্রে কর শুল্ক সুবিধা দেয়া হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, এর অর্থ আমরা শুধু আজকের জ্বালানি চাহিদা নয়, আগামী দিনের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং পরিবেশ সুরক্ষা ও বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয়ের কথাও ভাবছি। একটি দায়িত্বশীল রাষ্ট্রের জন্য এই ধরনের কৌশল অপরিহার্য।

শাম্মী আক্তার বলেন, মুদ্রাস্ফীতি হচ্ছে আমাদের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ। মানুষ বাজেটের টেবিল দেখে না, মানুষ বাজারে যায়। তাই বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো উৎপাদন ব্যয় কমানো। কৃষি খাতে সার, বীজ, সেচ এবং যান্ত্রিকীকরণে সহায়তা দেয়া হয়েছে। বিশেষ করে জিংক অ্যাশ-এর ওপর আমদানি শুল্ক প্রত্যাহার, পোল্ট্রি, ডেইরি ও ফিশ ফিডের তিনটি নতুন কাঁচামালে শুল্ক এবং পোল্ট্রি যন্ত্রপাতির পাঁচটি প্রয়োজনীয় উপকরণের শুল্ক শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। এই সমস্ত পদক্ষেপ উৎপাদন খরচ কমাবে। উৎপাদন খরচ কমলে সরবরাহ বাড়ে।

তিনি আরও বলেন, বাজারে সরবরাহ বাড়লে চাপ কমে। এটাই হচ্ছে মূল্যস্ফীতি কমানোর বাস্তব পথ। বিরোধী দলের বন্ধুরা যারা বলেন যে সরকারের হাতে কি আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগ আছে কিনা; আমি বলতে চাই সরকারের আলাদিনের আশ্চর্য চেরাগের চিন্তা না করে আসুন আপনারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে সহযোগিতা করুন। আসুন আপনারা আমরা সকলে মিলে এই বাজেট বাস্তবায়ন করি, যেই বাজেট প্রস্তাব করা হয়েছে এই দেশের জনগণের জন্য, এই দেশের কল্যাণের জন্য, এই দেশের সমৃদ্ধির জন্য। আসুন সকলে মিলে সেই বাজেট আমরা বাস্তবায়ন করি। এটি আমি বলতে চাই।