ঢাকা ০৬:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

উঠোন ভরা ধানের হাসি ‍| হোসনে আরা জাহান

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৫
  • ৭৬৯ বার

বিন্নি ধানের ভাতের মতো
গভীর মমতায়
মিলেমিশে বাঁচে ওরা
সুখেরই আশায়।
নতুন ধানের গন্ধ মাখে
সবাই মিলে গা’য়
মাঠে কিংবা অর্চনাতে
রাং-ঢোল বাজায়।
পাহাড়-নদী সূর্য-তারা
সবাই তালে তালে
হাসি মুখে যায় যে ফিরে
সেই না মহাকালে।
মেগং ফুলটি ঐ পাহাড়ে
সময় এলো ফোটার
সোনা রঙা ধানগুলোও
ঘরে ঘরে ওঠার।
নাচে গানে বাদ্য ঢোলে
নৈবেদ্য সাজে
আদুরী-খ্রাম-দামা সবই
সুরে সুরে বাজে।
সূর্য দিলো মুঠো ভরে
আলো-খাবার-জল
উঠোন ভরা ধানের হাসি
নেই তো কোনো ছল।
প্রাপ্তি স্বীকার করি যদি
শান্তি পাবো মনে
জুমনাচে ঐ তালে তালে
সবাই একই সনে।
আনন্দ আর নৈবেদ্য
সেই সে কলরব
ক্রুশবিদ্ধ হয়ে গেছে
প্রাণের অনুভব।
নিতাই নদীর জলধারা
পায়না খুঁজে আর
আগের মতো প্রাণোছোঁয়া
আদিম সংস্কার।
টলটলে ঐ সোমেশ্বরী
কংশ নদীর জল
পাহাড়িদের চোখেও দেখো
করছে টলমল।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

উঠোন ভরা ধানের হাসি ‍| হোসনে আরা জাহান

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০১৫

বিন্নি ধানের ভাতের মতো
গভীর মমতায়
মিলেমিশে বাঁচে ওরা
সুখেরই আশায়।
নতুন ধানের গন্ধ মাখে
সবাই মিলে গা’য়
মাঠে কিংবা অর্চনাতে
রাং-ঢোল বাজায়।
পাহাড়-নদী সূর্য-তারা
সবাই তালে তালে
হাসি মুখে যায় যে ফিরে
সেই না মহাকালে।
মেগং ফুলটি ঐ পাহাড়ে
সময় এলো ফোটার
সোনা রঙা ধানগুলোও
ঘরে ঘরে ওঠার।
নাচে গানে বাদ্য ঢোলে
নৈবেদ্য সাজে
আদুরী-খ্রাম-দামা সবই
সুরে সুরে বাজে।
সূর্য দিলো মুঠো ভরে
আলো-খাবার-জল
উঠোন ভরা ধানের হাসি
নেই তো কোনো ছল।
প্রাপ্তি স্বীকার করি যদি
শান্তি পাবো মনে
জুমনাচে ঐ তালে তালে
সবাই একই সনে।
আনন্দ আর নৈবেদ্য
সেই সে কলরব
ক্রুশবিদ্ধ হয়ে গেছে
প্রাণের অনুভব।
নিতাই নদীর জলধারা
পায়না খুঁজে আর
আগের মতো প্রাণোছোঁয়া
আদিম সংস্কার।
টলটলে ঐ সোমেশ্বরী
কংশ নদীর জল
পাহাড়িদের চোখেও দেখো
করছে টলমল।