সংবাদ শিরোনাম
পুঁজিবাজারে বড় পতন, দাম কমেছে বেশিরভাগ কোম্পানির
৩ কার্যদিবস ঊর্ধ্বমুখী থাকার পর দেশের শেয়ারবাজারে ফের দরপতন হয়েছে।আজ বুধবার দেশের প্রধান শেয়ারবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) অধিকাংশ প্রতিষ্ঠানের
চলতি বছর ১০ লাখ টন চাল আমদানি করবে সরকার
গত কয়েক বছরে নানা কারণেই বেড়েছে জীবনযাত্রার ব্যয়। ফলে বিপাকে পড়েছেন স্থির আয়ের মানুষজন। দাম বেশি হওয়ায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য কিমতে
তেল নিয়ে ব্যবসায়ীদের সিন্ডিকেট, টার্গেট রমজান
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনের মধ্য দিয়ে দেশে শুরু হওয়া রাজনৈতিক অস্থিরতা গত ছয় মাসে অনেকটাই কমে এসেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতিও ধীরে ধীরে
জ্বালানির মূল্য শোধে চাপ বাড়ছে সরকারের ওপর
জ্বালানির মূল্য পরিশোধে সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি কোম্পানিগুলোর চাপ ক্রমেই বাড়ছে। দ্রুত মূল্য পরিশোধে দফায় দফায় চিঠি দেওয়া হচ্ছে। সর্বশেষ, গতকাল
গরিবের নাগালের বাইরে কম দামি ব্রয়লার মুরগি
গরু কিংবা খাসির মাংসের দামে যেখানে হাত পুড়ছে, সেখানে ভরসা কেবল মুরগির বাজার। কিন্তু সেখানেও স্বস্তি নেই। মুরগির বাজারে সব
১৭.৫ কোটি ডলার ফেরত নিয়েছে বিশ্বব্যাংক
দেশের প্রযুক্তি সক্ষমতা অর্জন ও অর্থ সাশ্রয়ে বিশ্বব্যাংকের টাকায় নেওয়া ‘এনহ্যান্সিং ডিজিটাল গভর্নমেন্ট অ্যান্ড ইকোনমি (ইডিজিই)’ প্রকল্প মুখ থুবড়ে পড়ার
চালের দাম কেজিতে বেড়েছে ১১ টাকা, অভিযোগের তীর যাদের দিকে
ঈশ্বরদীর জয়নগর চালের মোকামে গত এক মাসের ব্যবধানে কেজি প্রতি চালের দাম বেড়েছে ১০ থেকে ১১ টাকা। এরমধ্যে বাসমতি চালের ৪০ কেজির বস্তার দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ২১০০ টাকায়। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৮ থেকে ৮০ টাকা। মিনিকেট চালের ৪০ কেজির বস্তা বিক্রয় হচ্ছে ১৯০০ টাকায়। প্রতি কেজির দাম পড়ছে ৭২ থেকে ৭৪ টাকা। এ দুই জাতের চাল কেজিতে বেড়েছে ১০ থেকে ১১ টাকা। আমনের ভরা মৌসুমেও চালের এমন চড়া দামে নাভিশ্বাস উঠেছে ভোক্তাদের। ঈশ্বরদী উপজেলা ধান-চাল মালিক গ্রুপের সাবেক সাধারণ সম্পাদক জুলমত হায়দার এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ঈশ্বরদী উপজেলায় ১৪টি অটো রাইচমিল আছে। এরমধ্যে মাত্র তিনটি মিল মালিকরা নিজে পরিচালনা করেন। বাকিগুলো ছোট চাল ব্যবসায়ীরা ৮-১০ জন যৌথভাবে ভাড়া নিয়ে চাল তৈরি করেন। তারা বাজারের চাহিদা অনুযায়ী চাল তৈরি করে রাজধানীসহ কয়েকটি জেলায় পাঠিয়ে থাকেন। আনোয়ার হোসেন, দুলাল সরদার, শুটকা বিশ্বাস নিজেরা তাদের অটোমিলে ধান ভাঙ্গানোর কাজ করেন। শনিবার সকালে পাবনা জেলা অটো রাইচমিল মালিক সমিতির সভাপতি দুলাল সরদার জানান, পাবনা জেলায় ১৭টি অটো রাইচ মিল আছে। এরমধ্যে ঈশ্বরদীতে ১৪টি। ধানের দাম এবার বেশি হওয়ায় মিলগুলো চালানো কঠিন হয়ে গেছে। ধানের দাম মন প্রতি গড়ে ২০০ টাকা বেড়েছে। ফলে চালের দামও বেড়ে গেছে। এরপর সরকার চালের ক্রয়মূল্য ৪৭ টাকা কেজি করেছে। কিন্তু বাজারে দাম বেশি। সরকারি খাদ্য মজুদ ঠিক রাখতে আমাদেরকে বাধ্য করা হচ্ছে ৪৭ টাকা কেজি দরে চাল দিতে। ফলে ব্যবসায়ীরা লোকসানের মুখে পড়ছে। অন্যদিকে সরকার পরিবর্তনে ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ায় চাল আমদানি হচ্ছে না। এতেও বাজারে বিরূপ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে। একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানান, বড় বড় কোম্পানি যেমন স্কয়ার, প্রাণ গ্রুপ ও নাসির গ্রুপ চালের ব্যবসায় নামার পর বৈশাখ মাসে প্রচুর পরিমাণ ধান কিনে মজুদ করে। ফলে সুবিধামত সময়ে চাল তৈরি করে তারা প্যাকেট করে বাজারে ছাড়ে। দামও তারা ঠিক করে। যারা চাল আমদানি করে বাজারে দেয় তারাও ঠিকমত এলসি পায় না। এলসি নিয়ন্ত্রণেও বড় কোম্পানিগুলোর দখলদারিত্ব আছে বলে সূত্রটি জানায়।
আবার সয়াবিন তেলের দাম বৃদ্ধির পাঁয়তারা
ভোজ্যতেলের দাম এক মাসের ব্যবধানে আবার বাড়ানোর পাঁয়তারা চলছে। গত ৯ ডিসেম্বর লিটারে ৮ টাকা বাড়ানোর পর ফের দাম বাড়ানোর
খেলাপি ঋণে জর্জরিত এক তৃতীয়াংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান
ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান খাতে (এনবিএফআই) খেলাপি ঋণ বেড়েই চলেছে। সর্বশেষ জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর- এই তিন মাসের ব্যবধানে বেড়েছে প্রায় দেড়
সর্বত্রই সিন্ডিকেট সক্রিয়
জুলাই অভ্যুত্থানে ফ্যাসিস্ট হাসিনা সরকারের পতন হলেও অন্য কোন কিছুরই এখনো পরিবর্তন হয়নি। পাঁচ মাস হলো শেখ হাসিনা ক্ষমতা ছেড়ে



















