ঢাকা ১০:২৯ অপরাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

তেজগাঁও মহিলা কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল নজরুল ইসলাম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮
  • ৫১২ বার

জাকির হোসাইনঃ ঢাকা ফামর্গেইট এলাকায় তেজগাঁও মহিলা কলেজ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও এবং আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের সন্তানদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করার লক্ষ্যে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ। সূচনা লগ্ন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (পাস) কোর্সের অধিভুক্তি হয়। বর্তমানে কলেজটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিবিএ (প্রফেশনাল) কোর্সসহ আরও ৪টি বিষয়ে বিবিএ (সম্মান) কোর্স চালু রয়েছে। গত কয়েক বছর যাবৎ কলেজের ফলাফল শতভাগ হওয়ায় কলেজটিতে ছাত্রীসংখ্যা প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরও কয়েকটি বিষয়ে অনার্স খোলার প্রস্তুতি চলছে। মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে তেজগাঁও মহিলা কলেজের ভাইস পিন্সিপাল তার সততা ও দক্ষতায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অধ্যক্ষ আসাদুল হক এবং বতর্মান (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও তাঁর ৬০ জন শিক্ষক সহকর্মীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

Untitled-1 copy.jpg1

তেজগাঁও মহিলা কলেজ বর্তমানে নারীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মেয়েরা উচ্চশিক্ষার জন্য এ কলেজে আসছে। হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং এবং ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিংয়ে অনার্স কোর্স ইত্যাদি চালু রয়েছে। এছাড়াও বিবিএ (প্রফেশনাল) কোর্স নারী শিক্ষার কলেজগুলোর মধ্যে একমাত্র অত্র কলেজেই চালু রয়েছে। নতুন (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কলেজের উন্নয়নে কী ভূমিকা পালন করেবেন এমন জিজ্ঞাসায় ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিক্ষানুরাগী স্যার বলেন আমরা যখন থেকে কলেজের দায়িত্ব নিলাম, তার পূর্বে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে এই কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ৮ থেকে ১০ মাসের বেতন বাকি ছিল।

আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করি এবং বাৎসরিক আয় ৩০ লক্ষ টাকা থেকে হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করি। এছাড়া বর্তমানে কলেজে হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে অনার্স ও বিবিএ (প্রফেশনাল) ইত্যাদি কোর্স চালু করি। শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে প্রায় ৩০০০ জনে উন্নীত করেছি। পূর্বে শ্রেণি কক্ষের স্বল্পতা ছিল, স্বল্পতা নিরসনে কলেজের নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ভবনের উপরে তৃতীয় ও চতুর্থ তলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আরো বার তলা ভবন নিম্মানের কাজ অতি তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। নজরুল স্যার আরো বলেন-

দ্বাদশ পরবর্তী উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ভর্তির ক্ষেত্রে যেসব বিষয় ভাবনা হওয়া উচিত তা হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ আছে কিনা; স্বচ্ছন্দে পড়ালেখার উপযোগী কিনা; শিক্ষার্থী যে বিষয়টি পছন্দ করে, সে বিষয়ের ভালো শিক্ষক আছে কিনা; বিগত কয়েক বছরের পরীক্ষার ফলাফল প্রভৃতি। ভর্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীরা তেজগাঁও মহিলা কলেজকে বেছে নেবে, কারণ কলেজটি ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত; যেকোনো দিক থেকে এখানে আসা যায়। কলেজের শিক্ষকমন্ডলী অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তাঁরা খুব যত্নশীলতার সাথে পাঠদান করেন। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই পড়িয়ে দেয়া হয়, কোনো পড়া পেন্ডিং থাকে না। শিক্ষার্থীদেরকে প্রাইভেট পড়তে হয় না, টিচাররা ক্লাস শেষে বিশেষ কোচিং দিয়ে অসমাপ্ত পাঠ পড়িয়ে দেন। এজন্য তেজগাঁও মহিলা কলেজের পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই ভালো। আরো ফলাপল ভাল করার চেষ্টা করছি। তাছাড়া শুধুমাত্র মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য এ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এবং তেজগাঁও কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইউনিভর্সিটি প্রভৃতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আশেপাশে থাকায় তেজগাঁও মহিলা কলেজের প্রতি অভিভাবকদের দৃষ্টি প্রথমেই আকৃষ্ট হয়।

সবার জন্য উচ্চশিক্ষা, এটি সম্ভব নয়, যুক্তিযুক্তও নয় বলে ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মনে করেন। সমাজে শিক্ষিত বেকার সৃষ্টি না করে কারিগরি শিক্ষার প্রতি সবাইকে আগ্রহী হবার আহ্বান জানান। ১৮ কোটি মানুষকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে জনশক্তিকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ভিশন-’২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার প্রায় ২০ হাজার স্কুল ও ১৫০০ শত কলেজে কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করেছে। এই কলেজেও একটি উন্নতমানের কম্পিউটার ল্যাব এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবস্থা আছে। সকল ছাত্রীর কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি অনুকুল পরিবেশ এই কলেজে শতভাগ বিদ্যামান।

গুণগত শিক্ষার শিক্ষকের প্রকট অভাব সম্পর্কে ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সচেতন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে নিবিড় প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। নাই বলে বসে থাকলে চলবে না, বিদেশ থেকে কেউ এসে করে দেবে না, আমাদের সমস্যার সমাধান আমাদেরকেই করতে হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

তেজগাঁও মহিলা কলেজের (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল নজরুল ইসলাম

আপডেট টাইম : ১১:০৫:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১ এপ্রিল ২০১৮

জাকির হোসাইনঃ ঢাকা ফামর্গেইট এলাকায় তেজগাঁও মহিলা কলেজ ১৯৭২ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়। তেজগাঁও এবং আশেপাশের এলাকার সাধারণ মানুষের সন্তানদের উচ্চশিক্ষার পথ সুগম করার লক্ষ্যে এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের আত্মপ্রকাশ। সূচনা লগ্ন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক শ্রেণিতে বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিষয়ে অত্যন্ত সুনামের সাথে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। পরবর্তীতে ১৯৮৭ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে স্নাতক (পাস) কোর্সের অধিভুক্তি হয়। বর্তমানে কলেজটিতে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে বিবিএ (প্রফেশনাল) কোর্সসহ আরও ৪টি বিষয়ে বিবিএ (সম্মান) কোর্স চালু রয়েছে। গত কয়েক বছর যাবৎ কলেজের ফলাফল শতভাগ হওয়ায় কলেজটিতে ছাত্রীসংখ্যা প্রতিবছর বৃদ্ধি পাচ্ছে। আরও কয়েকটি বিষয়ে অনার্স খোলার প্রস্তুতি চলছে। মোহাম্মদ নজরুল ইসলামকে তেজগাঁও মহিলা কলেজের ভাইস পিন্সিপাল তার সততা ও দক্ষতায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।
অধ্যক্ষ আসাদুল হক এবং বতর্মান (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম ও তাঁর ৬০ জন শিক্ষক সহকর্মীর আন্তরিক প্রচেষ্টায় শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

Untitled-1 copy.jpg1

তেজগাঁও মহিলা কলেজ বর্তমানে নারীদের উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে একটি অন্যতম প্রতিষ্ঠান হিসেবে সুপ্রতিষ্ঠিত। বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে মেয়েরা উচ্চশিক্ষার জন্য এ কলেজে আসছে। হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং এবং ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিংয়ে অনার্স কোর্স ইত্যাদি চালু রয়েছে। এছাড়াও বিবিএ (প্রফেশনাল) কোর্স নারী শিক্ষার কলেজগুলোর মধ্যে একমাত্র অত্র কলেজেই চালু রয়েছে। নতুন (ভারপ্রাপ্ত) ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন কলেজের উন্নয়নে কী ভূমিকা পালন করেবেন এমন জিজ্ঞাসায় ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিক্ষানুরাগী স্যার বলেন আমরা যখন থেকে কলেজের দায়িত্ব নিলাম, তার পূর্বে বিএনপি-জামাত জোট সরকারের আমলে এই কলেজের শিক্ষক-কর্মচারীদের ৮ থেকে ১০ মাসের বেতন বাকি ছিল।

আমরা দায়িত্ব নেয়ার পর শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ করি এবং বাৎসরিক আয় ৩০ লক্ষ টাকা থেকে হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করি। এছাড়া বর্তমানে কলেজে হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, মার্কেটিং, ফিন্যান্স এন্ড ব্যাংকিং বিষয়ে অনার্স ও বিবিএ (প্রফেশনাল) ইত্যাদি কোর্স চালু করি। শিক্ষার্থী সংখ্যা ২০০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে বর্তমানে প্রায় ৩০০০ জনে উন্নীত করেছি। পূর্বে শ্রেণি কক্ষের স্বল্পতা ছিল, স্বল্পতা নিরসনে কলেজের নিজস্ব অর্থায়নে নতুন ভবনের উপরে তৃতীয় ও চতুর্থ তলার নির্মাণ কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে। আরো বার তলা ভবন নিম্মানের কাজ অতি তাড়াতাড়ি কাজ শুরু হবে। নজরুল স্যার আরো বলেন-

দ্বাদশ পরবর্তী উচ্চশিক্ষাঙ্গনে ভর্তির ক্ষেত্রে যেসব বিষয় ভাবনা হওয়া উচিত তা হচ্ছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ আছে কিনা; স্বচ্ছন্দে পড়ালেখার উপযোগী কিনা; শিক্ষার্থী যে বিষয়টি পছন্দ করে, সে বিষয়ের ভালো শিক্ষক আছে কিনা; বিগত কয়েক বছরের পরীক্ষার ফলাফল প্রভৃতি। ভর্তির ক্ষেত্রে ছাত্রীরা তেজগাঁও মহিলা কলেজকে বেছে নেবে, কারণ কলেজটি ঢাকা শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত; যেকোনো দিক থেকে এখানে আসা যায়। কলেজের শিক্ষকমন্ডলী অনেক দক্ষ ও অভিজ্ঞ। তাঁরা খুব যত্নশীলতার সাথে পাঠদান করেন। ক্লাসের পড়া ক্লাসেই পড়িয়ে দেয়া হয়, কোনো পড়া পেন্ডিং থাকে না। শিক্ষার্থীদেরকে প্রাইভেট পড়তে হয় না, টিচাররা ক্লাস শেষে বিশেষ কোচিং দিয়ে অসমাপ্ত পাঠ পড়িয়ে দেন। এজন্য তেজগাঁও মহিলা কলেজের পরীক্ষার ফলাফল বরাবরই ভালো। আরো ফলাপল ভাল করার চেষ্টা করছি। তাছাড়া শুধুমাত্র মেয়েদের উচ্চশিক্ষার জন্য এ প্রতিষ্ঠান হওয়ায় এবং তেজগাঁও কলেজ, পলিটেকনিক ইনস্টিটিউট, টেক্সটাইল ইউনিভর্সিটি প্রভৃতি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এর আশেপাশে থাকায় তেজগাঁও মহিলা কলেজের প্রতি অভিভাবকদের দৃষ্টি প্রথমেই আকৃষ্ট হয়।

সবার জন্য উচ্চশিক্ষা, এটি সম্ভব নয়, যুক্তিযুক্তও নয় বলে ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম মনে করেন। সমাজে শিক্ষিত বেকার সৃষ্টি না করে কারিগরি শিক্ষার প্রতি সবাইকে আগ্রহী হবার আহ্বান জানান। ১৮ কোটি মানুষকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির মাধ্যমে জনশক্তিকে দক্ষ জনসম্পদে রূপান্তর করে বাংলাদেশকে একটি উন্নত রাষ্ট্রে পরিণত করতে হবে। নারীশিক্ষার ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েছেন। ডিজিটাল বাংলাদেশ ও ভিশন-’২১ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে সরকার প্রায় ২০ হাজার স্কুল ও ১৫০০ শত কলেজে কম্পিউটার ল্যাব ও মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালু করেছে। এই কলেজেও একটি উন্নতমানের কম্পিউটার ল্যাব এবং মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুমের ব্যবস্থা আছে। সকল ছাত্রীর কম্পিউটার শিক্ষা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। বর্তমানে উচ্চশিক্ষার জন্য একটি অনুকুল পরিবেশ এই কলেজে শতভাগ বিদ্যামান।

গুণগত শিক্ষার শিক্ষকের প্রকট অভাব সম্পর্কে ভাইস পিন্সিপাল মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম সচেতন। তিনি বলেন, এ ব্যাপারে নিবিড় প্রশিক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে। নাই বলে বসে থাকলে চলবে না, বিদেশ থেকে কেউ এসে করে দেবে না, আমাদের সমস্যার সমাধান আমাদেরকেই করতে হবে।