স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, ছোট আকারের এআই মডেল এখন ডেস্কটপ কম্পিউটারেই বড় ক্লাউডভিত্তিক সিস্টেমের মতো কাজ করতে পারছে। এতে এআই প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।
গবেষণায় ২০টির বেশি ছোট ভাষা মডেল পরীক্ষা করা হয়। এগুলোর আকার ছিল প্রায় ২০ বিলিয়ন প্যারামিটার পর্যন্ত। বাস্তব জীবনের প্রায় ১০ লাখ প্রশ্নে এসব মডেল পরীক্ষা করা হয়।
ফলাফল বলছে, এসব ছোট মডেল প্রায় ৮৮.৭ শতাংশ প্রশ্নের সঠিক উত্তর দিতে পেরেছে। সৃজনশীল কাজের ক্ষেত্রে এই হার ৯০ শতাংশের বেশি। ব্যবসা, ব্যবস্থাপনা ও বিনোদনের ক্ষেত্রেও এগুলো ভালো ফল দেখিয়েছে।
সবচেয়ে কঠিন বিশ্লেষণমূলক প্রশ্নে বড় মডেলের সঙ্গে প্রায় ৫০ শতাংশ ক্ষেত্রে সমান পারফরম্যান্স দিয়েছে। দুই বছর আগে এই হার ছিল মাত্র ৮ শতাংশ।
গবেষণায় ‘ইন্টেলিজেন্স পার ওয়াট’ নামে নতুন একটি সূচক ব্যবহার করা হয়েছে। এতে দেখা গেছে, ২০২৩ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে এই দক্ষতা ৫.৩ গুণ বেড়েছে। এর পেছনে মডেলের উন্নতি এবং হার্ডওয়্যারের অগ্রগতি বড় ভূমিকা রেখেছে।
এছাড়া গবেষকরা দেখেছেন, যদি সব প্রশ্ন ক্লাউডে না পাঠিয়ে স্থানীয় মডেলে সমাধান করা যায়, তাহলে বিদ্যুৎ ব্যবহার ৮০ শতাংশের বেশি কমানো সম্ভব। খরচও প্রায় ৭৪ শতাংশ কমে যেতে পারে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই প্রবণতা চলতে থাকলে ভবিষ্যতের এআই আরও ছোট, সস্তা এবং সহজলভ্য হতে পারে। এতে বড় কোম্পানিগুলোর বর্তমান ব্যবসায়িক মডেল চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে পারে।
Reporter Name 
























