ঢাকা ০৫:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৪৫৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তৈকর আসাম এবং বাংলাদেশের একটি আদি ফল। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। ফলটি স্কার্ভি রোগ নিরাময়ে কাজ করে। এ ফল থেকে আচার, জ্যাম, জেলি তৈরি করা যায়। আসুন জেনে নেই তৈকর চাষের নিয়ম-কানুন।

মাটি-বেলে দো-আঁশ থেকে পলি দো-আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত। সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নিকাশযুক্ত অম্লীয় মাটি তৈকর উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম।

সময়-চারা বা গুটি-কলম সাধারণত মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য-ভাদ্র মাসের মধ্যে রোপণ করতে হয়।

সার-তৈকর চাষের জন্য ১ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ১ কেজি এমপি এবং ২০ কেজি পচা গোবর প্রয়োগ করতে হবে। ফল সংগ্রহের পর ২ বারে বর্ষার আগে ও পরে সার প্রয়োগ করতে হবে।

চারা-হেক্টরপ্রতি ২৭৮টি চারা বা গুটি রোপণ করা যাবে।

দূরত্ব-রোপণের সময় অবশ্যই ৬*৬ মিটার দূরত্ব রাখতে হবে।

ফল সংগ্রহ-বছরে সাধারণত দু’বার ফল সংগ্রহ করা যায়। পরিপক্ক অবস্থায় ফলের রং হলদে হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত

আপডেট টাইম : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তৈকর আসাম এবং বাংলাদেশের একটি আদি ফল। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। ফলটি স্কার্ভি রোগ নিরাময়ে কাজ করে। এ ফল থেকে আচার, জ্যাম, জেলি তৈরি করা যায়। আসুন জেনে নেই তৈকর চাষের নিয়ম-কানুন।

মাটি-বেলে দো-আঁশ থেকে পলি দো-আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত। সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নিকাশযুক্ত অম্লীয় মাটি তৈকর উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম।

সময়-চারা বা গুটি-কলম সাধারণত মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য-ভাদ্র মাসের মধ্যে রোপণ করতে হয়।

সার-তৈকর চাষের জন্য ১ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ১ কেজি এমপি এবং ২০ কেজি পচা গোবর প্রয়োগ করতে হবে। ফল সংগ্রহের পর ২ বারে বর্ষার আগে ও পরে সার প্রয়োগ করতে হবে।

চারা-হেক্টরপ্রতি ২৭৮টি চারা বা গুটি রোপণ করা যাবে।

দূরত্ব-রোপণের সময় অবশ্যই ৬*৬ মিটার দূরত্ব রাখতে হবে।

ফল সংগ্রহ-বছরে সাধারণত দু’বার ফল সংগ্রহ করা যায়। পরিপক্ক অবস্থায় ফলের রং হলদে হয়।