ঢাকা ০৪:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮
  • ৪৬৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তৈকর আসাম এবং বাংলাদেশের একটি আদি ফল। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। ফলটি স্কার্ভি রোগ নিরাময়ে কাজ করে। এ ফল থেকে আচার, জ্যাম, জেলি তৈরি করা যায়। আসুন জেনে নেই তৈকর চাষের নিয়ম-কানুন।

মাটি-বেলে দো-আঁশ থেকে পলি দো-আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত। সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নিকাশযুক্ত অম্লীয় মাটি তৈকর উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম।

সময়-চারা বা গুটি-কলম সাধারণত মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য-ভাদ্র মাসের মধ্যে রোপণ করতে হয়।

সার-তৈকর চাষের জন্য ১ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ১ কেজি এমপি এবং ২০ কেজি পচা গোবর প্রয়োগ করতে হবে। ফল সংগ্রহের পর ২ বারে বর্ষার আগে ও পরে সার প্রয়োগ করতে হবে।

চারা-হেক্টরপ্রতি ২৭৮টি চারা বা গুটি রোপণ করা যাবে।

দূরত্ব-রোপণের সময় অবশ্যই ৬*৬ মিটার দূরত্ব রাখতে হবে।

ফল সংগ্রহ-বছরে সাধারণত দু’বার ফল সংগ্রহ করা যায়। পরিপক্ক অবস্থায় ফলের রং হলদে হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত

আপডেট টাইম : ০১:২৩:২৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২ জানুয়ারী ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তৈকর আসাম এবং বাংলাদেশের একটি আদি ফল। এটি ভিটামিন সি সমৃদ্ধ একটি ফল। ফলটি স্কার্ভি রোগ নিরাময়ে কাজ করে। এ ফল থেকে আচার, জ্যাম, জেলি তৈরি করা যায়। আসুন জেনে নেই তৈকর চাষের নিয়ম-কানুন।

মাটি-বেলে দো-আঁশ থেকে পলি দো-আঁশ মাটি তৈকর চাষের জন্য উপযুক্ত। সিলেটের পাহাড়ি অঞ্চলের নিকাশযুক্ত অম্লীয় মাটি তৈকর উৎপাদনের জন্য সর্বোত্তম।

সময়-চারা বা গুটি-কলম সাধারণত মধ্য-জ্যৈষ্ঠ থেকে মধ্য-ভাদ্র মাসের মধ্যে রোপণ করতে হয়।

সার-তৈকর চাষের জন্য ১ কেজি ইউরিয়া, ১ কেজি টিএসপি, ১ কেজি এমপি এবং ২০ কেজি পচা গোবর প্রয়োগ করতে হবে। ফল সংগ্রহের পর ২ বারে বর্ষার আগে ও পরে সার প্রয়োগ করতে হবে।

চারা-হেক্টরপ্রতি ২৭৮টি চারা বা গুটি রোপণ করা যাবে।

দূরত্ব-রোপণের সময় অবশ্যই ৬*৬ মিটার দূরত্ব রাখতে হবে।

ফল সংগ্রহ-বছরে সাধারণত দু’বার ফল সংগ্রহ করা যায়। পরিপক্ক অবস্থায় ফলের রং হলদে হয়।