ঢাকা ১০:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার হাওরে দুর্যোগ : কী হবে বিচার চাহিয়া বন্ধু আর আব্বুকে নিয়ে ব্রাজিলের খেলা দেখতেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এসেছি ৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে হেলথ কার্ড, বিশেষায়িত হাসপাতালসহ স্বাস্থ্যখাতে একগুচ্ছ পরিকল্পনা বিনিয়োগ পরিবেশের অভাবে অর্থপাচার

শিশুর পৃথিবী হোক আনন্দলোক

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৩:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭
  • ৪০২ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ধরায় উঠেছে ফুটি শুভ্র প্রাণগুলি, নন্দনের এনেছে সম্বাদ, ইহাদের করো আশীর্বাদ।

প্রতিটি শিশু পৃথিবীতে আসে নন্দন বার্তা নিয়ে। কবিগুরু বলে গিয়েছেন এই শিশুদের আশীর্বাদ করতে। কেননা, এই নন্দনবার্তা বাহকরা আশীর্বাদ না পেলে আমরা পাবো না নন্দিত পৃথিবী। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের নন্দিত পরিবেশে বেড়ে উঠা নিশ্চিত করা তাই অভিভাবকদের অন্যতম প্রধান কাজ। একজন শিশুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাকে জাগাতে তার কর্ম ও মর্মের অভিনন্দিত সমন্বয় ঘটানো গেলে শিশুটি একজন মহামানব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। শিশুর দেহের সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, আর মনের সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সুস্থ বিনোদন।

কিন্তু আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিশু সুষ্ঠু বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ থেকে বঞ্চিত। তবে আশার কথাও আছে, আর তা হলো ইদানিং অভিভাবকদের মধ্যে শিশুদের চাহিদা এবং তাদের প্রতি কর্তব্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শরীর ও মন উভয়ই শিশুর সামগ্রিক গঠনের অন্তর্ভুক্ত। জীবনের শুরু থেকেই শিশুর শরীরের হয় বৃদ্ধি আর মনের হয় বিকাশ। শরীরের বৃদ্ধি মানে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন ও আকৃতি বৃদ্ধি পাওয়া। অন্য দিকে মনের বিকাশ মানে শিশুর জ্ঞান, বুদ্ধি, মেধা, আবেগ ও অন্যের সঙ্গে মেলামেশা করার দক্ষতা অর্জন করা। একটি শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তার শারীরিক বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক বৃদ্ধি বা মনের বিকাশেরও সমান সুযোগ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হয়।

বর্তমান ব্যস্ত নাগরিক জীবনে অভিভাবকরা শিশুর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার সুযোগ পেলেও, এই ইট-পাথরের শহরে সুযোগ মিলছে না শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করার। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা উভয়ই নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে শিশু ও অভিভাবকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পুর্নাভা লিমিটেড ‘এগ ফেস্ট’ নামে দিনব্যাপী একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। শিশুদের দৈহিক সুস্থতা বিষয়ক নানান আয়োজনের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে থাকছে শিশুদের সারাদিন আনন্দে মাতিয়ে রাখার জন্য বেশকিছু চমৎকার ও আকর্ষণীয় বিনোদন আয়োজন। যেমন, মজার মজার বই পড়ার জন্য বেশকিছু বুক স্টল, শিশুদের জন্য ইয়োগা সেশন, বিভিন্ন শিশু সংগঠন কর্তৃক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা, সংগীতের আয়োজন, ম্যাজিক শো, পাপেট শো, ক্লে স্টেশন, চিত্রাংকন, লাফালাফি, রেলভ্রমণ, বল খেলা, বাচ্চাদের সঙ্গে খেলার জন্য ফান পেট অথবা বানর, শিশুদের শখ জানতে বিশেষ কর্ণার ইত্যাদি আকর্ষণীয় ও মজাদার সব আয়োজন। শনিবার রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত ইমান্যুয়েল’স নিউ হলে চমৎকার এই ‘এগ ফেস্ট’র আয়োজন করেছে পুর্নাভা। ওই দিন যে কোনো অভিভাবক বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে ‘এগ ফেস্ট’-এ অংশ নিতে পারবেন।

একই সঙ্গে মজার এবং শিক্ষামূলক এই আয়োজনটি অভিভাবকদের শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ে সচেতন করবে, আর শিশুদের দিবে আনন্দে ভরপুর একটি দিন কাটানোর সুযোগ। একসঙ্গে অনেক শিশু হৈ-চৈ করছে, আনন্দে মেতে উঠে একে অন্যের উপর গড়িয়ে পড়ছে, হাসছে, খেলছে- কী অনিন্দ্য সুন্দর একটি দৃশ্য! আগামীর নন্দিত পৃথিবীরই প্রতিচ্ছবি যেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী

শিশুর পৃথিবী হোক আনন্দলোক

আপডেট টাইম : ০৩:৩৩:২৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ অক্টোবর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ধরায় উঠেছে ফুটি শুভ্র প্রাণগুলি, নন্দনের এনেছে সম্বাদ, ইহাদের করো আশীর্বাদ।

প্রতিটি শিশু পৃথিবীতে আসে নন্দন বার্তা নিয়ে। কবিগুরু বলে গিয়েছেন এই শিশুদের আশীর্বাদ করতে। কেননা, এই নন্দনবার্তা বাহকরা আশীর্বাদ না পেলে আমরা পাবো না নন্দিত পৃথিবী। পৃথিবীর ভবিষ্যৎ নির্মাতাদের নন্দিত পরিবেশে বেড়ে উঠা নিশ্চিত করা তাই অভিভাবকদের অন্যতম প্রধান কাজ। একজন শিশুর মধ্যে লুকিয়ে থাকা সুপ্ত প্রতিভাকে জাগাতে তার কর্ম ও মর্মের অভিনন্দিত সমন্বয় ঘটানো গেলে শিশুটি একজন মহামানব হিসেবে গড়ে উঠতে পারে। শিশুর দেহের সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন পুষ্টিকর ও স্বাস্থ্যকর খাবার, আর মনের সুস্থতা নিশ্চিত করতে প্রয়োজন সুস্থ বিনোদন।

কিন্তু আমাদের দেশের বেশির ভাগ শিশু সুষ্ঠু বিকাশের উপযুক্ত পরিবেশ থেকে বঞ্চিত। তবে আশার কথাও আছে, আর তা হলো ইদানিং অভিভাবকদের মধ্যে শিশুদের চাহিদা এবং তাদের প্রতি কর্তব্য বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। শরীর ও মন উভয়ই শিশুর সামগ্রিক গঠনের অন্তর্ভুক্ত। জীবনের শুরু থেকেই শিশুর শরীরের হয় বৃদ্ধি আর মনের হয় বিকাশ। শরীরের বৃদ্ধি মানে বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের পরিবর্তন ও আকৃতি বৃদ্ধি পাওয়া। অন্য দিকে মনের বিকাশ মানে শিশুর জ্ঞান, বুদ্ধি, মেধা, আবেগ ও অন্যের সঙ্গে মেলামেশা করার দক্ষতা অর্জন করা। একটি শিশুকে পরিপূর্ণ মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে হলে তার শারীরিক বৃদ্ধির পাশাপাশি মানসিক বৃদ্ধি বা মনের বিকাশেরও সমান সুযোগ প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে হয়।

বর্তমান ব্যস্ত নাগরিক জীবনে অভিভাবকরা শিশুর শারীরিক সুস্থতা নিশ্চিত করার সুযোগ পেলেও, এই ইট-পাথরের শহরে সুযোগ মিলছে না শিশুদের জন্য প্রয়োজনীয় বিনোদনের সুযোগ নিশ্চিত করার। এই বিষয়টি বিবেচনায় রেখে শিশুদের শারীরিক ও মানসিক সুস্থতা উভয়ই নিশ্চিত করার বিষয়ে সচেতনতা তৈরিতে শিশু ও অভিভাবকদের জন্য স্বাস্থ্যসেবা পণ্য প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান পুর্নাভা লিমিটেড ‘এগ ফেস্ট’ নামে দিনব্যাপী একটি বিশেষ অনুষ্ঠান আয়োজন করেছে। শিশুদের দৈহিক সুস্থতা বিষয়ক নানান আয়োজনের পাশাপাশি এই অনুষ্ঠানে থাকছে শিশুদের সারাদিন আনন্দে মাতিয়ে রাখার জন্য বেশকিছু চমৎকার ও আকর্ষণীয় বিনোদন আয়োজন। যেমন, মজার মজার বই পড়ার জন্য বেশকিছু বুক স্টল, শিশুদের জন্য ইয়োগা সেশন, বিভিন্ন শিশু সংগঠন কর্তৃক সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশনা, সংগীতের আয়োজন, ম্যাজিক শো, পাপেট শো, ক্লে স্টেশন, চিত্রাংকন, লাফালাফি, রেলভ্রমণ, বল খেলা, বাচ্চাদের সঙ্গে খেলার জন্য ফান পেট অথবা বানর, শিশুদের শখ জানতে বিশেষ কর্ণার ইত্যাদি আকর্ষণীয় ও মজাদার সব আয়োজন। শনিবার রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত ইমান্যুয়েল’স নিউ হলে চমৎকার এই ‘এগ ফেস্ট’র আয়োজন করেছে পুর্নাভা। ওই দিন যে কোনো অভিভাবক বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে ‘এগ ফেস্ট’-এ অংশ নিতে পারবেন।

একই সঙ্গে মজার এবং শিক্ষামূলক এই আয়োজনটি অভিভাবকদের শিশুর শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য পরিচর্যা বিষয়ে সচেতন করবে, আর শিশুদের দিবে আনন্দে ভরপুর একটি দিন কাটানোর সুযোগ। একসঙ্গে অনেক শিশু হৈ-চৈ করছে, আনন্দে মেতে উঠে একে অন্যের উপর গড়িয়ে পড়ছে, হাসছে, খেলছে- কী অনিন্দ্য সুন্দর একটি দৃশ্য! আগামীর নন্দিত পৃথিবীরই প্রতিচ্ছবি যেন।