ঢাকা ০৬:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ সেপ্টেম্বর

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৩২৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির দুই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আকতারুজ্জামান এ তারিখ ঠিক করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে আত্মপক্ষ শুনানি আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে খালেদা জিয়ার পক্ষে পুনরায় জেরার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এজন্য দুই মামলায় তার পক্ষে সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেন।

তবে এদিন চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেরা করেন তার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম। কিন্তু এদিন জেরা শেষ হয়নি।

এরপর দুই মামলায় পরবর্তী শুনানির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন আদালত।

এদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আব্দুর রেজ্জাক খান, মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, হান্নান ভূঁইয়া প্রমুখ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

খালেদা জিয়ার দুই মামলার পরবর্তী শুনানি ২১ সেপ্টেম্বর

আপডেট টাইম : ০৫:৫৩:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা দুর্নীতির দুই মামলার পরবর্তী শুনানির তারিখ আগামী ২১ সেপ্টেম্বর ধার্য করেছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার পুরান ঢাকার বকশীবাজারস্থ কারা অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে স্থাপিত অস্থায়ী ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক ড. মো. আকতারুজ্জামান এ তারিখ ঠিক করেন।

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে আত্মপক্ষ শুনানি আর চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে খালেদা জিয়ার পক্ষে পুনরায় জেরার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু খালেদা জিয়া চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে থাকায় আদালতে হাজির হতে পারেননি। এজন্য দুই মামলায় তার পক্ষে সানাউল্লাহ মিয়া সময়ের আবেদন করেন।

তবে এদিন চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলার প্রথম তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপপরিচালক নুর আহমেদকে খালেদা জিয়ার পক্ষে জেরা করেন তার আইনজীবী আমিনুল ইসলাম। কিন্তু এদিন জেরা শেষ হয়নি।

এরপর দুই মামলায় পরবর্তী শুনানির তারিখ ২১ সেপ্টেম্বর ধার্য করেন আদালত।

এদিন আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে খন্দকার মাহবুব হোসেন, ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকার, আব্দুর রেজ্জাক খান, মোহাম্মদ আলী, জয়নুল আবেদীন, জাকির হোসেন ভূঁইয়া, হান্নান ভূঁইয়া প্রমুখ আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ৮ আগস্ট খালেদা জিয়াসহ চারজনের বিরুদ্ধে ৩ কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার টাকা আত্মসাতের অভিযোগে জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। এ মামলায় ২০১২ সালের ১৬ জানুয়ারি আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে দুদক।

এতিমদের জন্য বিদেশ থেকে আসা ২ কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার ৬৭১ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগে জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলাটি দায়ের করে দুদক। ২০০৮ সালের ৩ জুলাই রমনা থানায় এ মামলা দায়ের করা হয়।

২০০৯ সালের ৫ আগস্ট দুদক আসামিদের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করে।

অভিযোগপত্রে খালেদা জিয়া, তার বড় ছেলে তারেক রহমান, প্রাক্তন এমপি কাজী সালিমুল হক কামাল ওরফে ইকোনো কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের প্রাক্তন সচিব ড. কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ভাগ্নে মমিনুর রহমানকে আসামি করা হয়।

দুই মামলায় খালেদা জিয়াসহ অপর আসামিদের বিরুদ্ধে ২০১৪ সালের ১৯ মার্চ তৎকালীন বিচারক বাসুদেব রায় অভিযোগ গঠন করেন।