ঢাকা ০৫:৪১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৪৭৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া, তাদের ওপর নির্যাতন ও বাংলাদেশে পুশইন বন্ধে মিয়ানমারকে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছে জাতীয় সংসদ। এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশে এখন প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে প্রায় কয়েক লাখ লোক আশ্রয় নিয়েছে। আসতে বাধ্য হয়েছে। তাদের ওপর যে নির্যাতনের চিত্র দেখলাম তার নিন্দা করার ভাষা আমার জানা নেই। রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারের নাগরিক এটি সবারই জানা। এদের মতো আরো অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি আছে মিয়ানমারে। তাদের সমান অধিকার ছিল। ১৯৭৪ সালে বার্মার সামরিক জান্তা এই অধিকার কেড়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। ’৭৮ সালে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করা শুরু হয়। ২০১৫ সালে এসে রোহিঙ্গাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। একটি জাতির প্রতি মিয়ানমার সরকার কেন এমন আচরণ করছে তা সত্যিই আমাদের বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, আমি যতবার মিয়ানমার গিয়েছি, তাদের অনুরোধ করেছি, রোহিঙ্গারা আপনাদেরই নাগরিক। তাদের ফিরিয়ে নিন। তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। কিন্তু ফিরিয়ে নেয়াতো দূরের কথা এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক রোহিঙ্গা তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে বলেন, তাদের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখে এদেশে আসতে আমরা নিষেধ করবো কিভাবে?
আমরাও তো রিফিউজি ছিলাম। কাজেই রিফিউজি হয়ে থাকা কতটা অবমাননাকর তা আমরা ভালো বুঝি। আমরা চাই তারা যেন নিজের দেশে ফিরে যায়।
তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলতে চাই। মিয়ানমার সরকারকে বলবো, যারা তাদের নাগরিক তাদের হঠাৎ নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার ফলাফল কি দাঁড়াতে পারে তা কি তারা টের পাচ্ছে। আমরা চাই তারা যেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে হবে

আপডেট টাইম : ১১:৫৭:৫১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নেয়া, তাদের ওপর নির্যাতন ও বাংলাদেশে পুশইন বন্ধে মিয়ানমারকে চাপ দিতে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহবান জানিয়েছে জাতীয় সংসদ। এসংক্রান্ত একটি প্রস্তাব সর্বসম্মতভাবে পাস হয়েছে। এ প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, রোহিঙ্গারা মিয়ানমারের নাগরিক। তাদের ফিরিয়ে নিতে হবে।
তিনি বলেন, আমাদের বাংলাদেশে এখন প্রতিবেশী দেশ মিয়ানমার থেকে প্রায় কয়েক লাখ লোক আশ্রয় নিয়েছে। আসতে বাধ্য হয়েছে। তাদের ওপর যে নির্যাতনের চিত্র দেখলাম তার নিন্দা করার ভাষা আমার জানা নেই। রোহিঙ্গারা যে মিয়ানমারের নাগরিক এটি সবারই জানা। এদের মতো আরো অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র জাতি আছে মিয়ানমারে। তাদের সমান অধিকার ছিল। ১৯৭৪ সালে বার্মার সামরিক জান্তা এই অধিকার কেড়ে নেয়ার প্রক্রিয়া শুরু করে। ’৭৮ সালে রোহিঙ্গাদের বিতাড়ন করা শুরু হয়। ২০১৫ সালে এসে রোহিঙ্গাদের ভোটের অধিকার কেড়ে নেয়া হয়। একটি জাতির প্রতি মিয়ানমার সরকার কেন এমন আচরণ করছে তা সত্যিই আমাদের বোধগম্য নয়। তিনি বলেন, আমি যতবার মিয়ানমার গিয়েছি, তাদের অনুরোধ করেছি, রোহিঙ্গারা আপনাদেরই নাগরিক। তাদের ফিরিয়ে নিন। তারা মানবেতর জীবনযাপন করছে। কিন্তু ফিরিয়ে নেয়াতো দূরের কথা এবার সর্বোচ্চ সংখ্যক রোহিঙ্গা তাদের দেশ ছেড়ে পালিয়ে এসেছে।
প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের ওপর নির্যাতনের তথ্য তুলে ধরে বলেন, তাদের ওপর নির্যাতনের দৃশ্য দেখে এদেশে আসতে আমরা নিষেধ করবো কিভাবে?
আমরাও তো রিফিউজি ছিলাম। কাজেই রিফিউজি হয়ে থাকা কতটা অবমাননাকর তা আমরা ভালো বুঝি। আমরা চাই তারা যেন নিজের দেশে ফিরে যায়।
তিনি বলেন, আমরা প্রত্যেক দেশের সঙ্গে সম্পর্ক রেখে চলতে চাই। মিয়ানমার সরকারকে বলবো, যারা তাদের নাগরিক তাদের হঠাৎ নাগরিকত্ব কেড়ে নেয়ার ফলাফল কি দাঁড়াতে পারে তা কি তারা টের পাচ্ছে। আমরা চাই তারা যেন তাদের নাগরিকদের ফিরিয়ে নেয়।