ঢাকা ১০:৩১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬, ৩ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পরীক্ষার ফি নেওয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসলো সরকার পদোন্নতি পেয়ে সচিব হলেন ২ কর্মকর্তা ওসমান হাদি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমার তারিখ ২৮ জুন পিতা মুক্তিযুদ্ধে শহীদ, অথচ জামায়াতের এমপি জন্মেছেন ১৯৮১ সালে মায়ের ঘনিষ্ঠ সহচর ও সাবেক এমপি খালেদা রাব্বানীকে দেখতে গেলেন প্রধানমন্ত্রী ভারত সীমান্তের স্পর্শকাতর স্থানে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের পরিকল্পনা বিবেচনাধীন : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ‘মেসি এত ভালো খেলে কেন’, প্রশ্ন বুবলীর যারা ‘সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না’ বলছে তাদের বিষয়ে সতর্ক থাকুন : প্রধানমন্ত্রী

কি ছিল লাদেনের ১৫০০ অডিও ক্যাসেটে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৫
  • ৪২৪ বার

২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন অভিযানের পর কান্দাহার শহর থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন। শহরটিতে ১৯৯৭ সাল থেকে ছিল তার ঘাটি। তড়িঘড়ি করে পালাতে হয়েছিল তাকে। এর মধ্যে একটি ঘাটি ছিল তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উল্টো দিকে। সেখানে আল-কায়েদার হর্তকর্তারা বৈঠক করতেন। ওই ঘাটিতে ছিল ১৫০০ অডিও ক্যাসেটের সংগ্রহ। এক আফগান পরিবার তা খুজে পায়। পরে এগুলো নিয়ে স্থানীয় ক্যাসেটের দোকানে বিক্রি করে দেয়। সিএনএন এর এক ক্যামেরাম্যান অডিও ক্যাসেটগুলোর বিষয়ে জানতে পারেন। পরে দোকানের মালিককে বুঝিয়ে শুনিয়ে সেগুলো তাকে দিতে রাজি করান। তখনও তিনি জানতেন না এটা ছিল আল-কায়েদার নিজস্ব অডিও লাইব্রেরি। তবে এগুলোর মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু থাকতে পারে সেটা ধারণা করেছিলেন ওই ক্যামেরাম্যান। পরে ওই অডিও সংগ্রহশালা গিয়ে পৌছায় মার্কিন অঙ্গরাজ্য ম্যাসাচুসেটস এর উইলিয়াম কলেঝের আফগান মিডিয়া প্রজেক্টের হাতে। তারা আরবি সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষজ্ঞ ফ্ল্যাগ মিলারের শরণাপন্ন হন অডিও কথোপকথনের পাঠোদ্ধার করতে। ২০০৩ সালে মিলারের হাতে পৌছায় ক্যাসেটগুলো। এর এক দশকেরও বেশি সময় পর মিলার তার আবিস্কার নিয়ে একটি বই লিখেছেন। ওই সংগ্রহশালায় ছিল ৬০ এর দশকের শেষ থেকে শুরু করে ২০০১ পর্যন্ত বিভিন্ন ধারণ করা অডিও। এতে ২ শতাধিক ব্যক্তির কথাবার্তা আছে। এর মধ্যে লাদেন একজন। ১৯৮৭ সালের এক টেপে লাদেনের প্রথম কথোপকথোন পাওয়া যায়। মিলার বলেন, লাদেন সেলফ-মার্কেটিংয়ে পটু ছিলেন। আর এই অডিও সংগ্রহে সে বিষয়গুলোই উঠে এসেছে। ক্যাসেটগুলোর মধ্যে ৮০’র দশকের শেষের দিকের এবং ৯০’র দশকের প্রথমদিকে দেয়া লাদেনের নানা বক্তব্য আছে। মিলারের ভাস্য অনুযায়ী, বিন লাদেন মনে করতেন আরব উপদ্বীপ অঞ্চলগুলোর অন্যতম ঝুকি ছিল অন্য মুসলিমরা। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র তার টার্গেটে পরিণত হলেও এসব অডিও ক্যাসেটে তেমন কোন কথা নেই। প্রথম দিকে লাদেন ওইসব মুসলিমদের নিয়ে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন যারা ইসলাম নিয়ে তার কঠোর আক্ষরিক ব্যাখ্যা অনুসরন করতো না । তার ভাষায় এদের মধ্যে ‘অবিশ্বাস’ ছিল। মিলার বলেন, কে সত্যিকারের মুসলিম তা নিয়ে জিহাদ করতে চেয়েছিলেন বিন লাদেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ

কি ছিল লাদেনের ১৫০০ অডিও ক্যাসেটে

আপডেট টাইম : ১২:০৬:২৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০১৫

২০০১ সালে আফগানিস্তানে মার্কিন অভিযানের পর কান্দাহার শহর থেকে পালাতে বাধ্য হয়েছিলেন ওসামা বিন লাদেন। শহরটিতে ১৯৯৭ সাল থেকে ছিল তার ঘাটি। তড়িঘড়ি করে পালাতে হয়েছিল তাকে। এর মধ্যে একটি ঘাটি ছিল তালেবান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উল্টো দিকে। সেখানে আল-কায়েদার হর্তকর্তারা বৈঠক করতেন। ওই ঘাটিতে ছিল ১৫০০ অডিও ক্যাসেটের সংগ্রহ। এক আফগান পরিবার তা খুজে পায়। পরে এগুলো নিয়ে স্থানীয় ক্যাসেটের দোকানে বিক্রি করে দেয়। সিএনএন এর এক ক্যামেরাম্যান অডিও ক্যাসেটগুলোর বিষয়ে জানতে পারেন। পরে দোকানের মালিককে বুঝিয়ে শুনিয়ে সেগুলো তাকে দিতে রাজি করান। তখনও তিনি জানতেন না এটা ছিল আল-কায়েদার নিজস্ব অডিও লাইব্রেরি। তবে এগুলোর মধ্যে যে গুরুত্বপূর্ণ কিছু থাকতে পারে সেটা ধারণা করেছিলেন ওই ক্যামেরাম্যান। পরে ওই অডিও সংগ্রহশালা গিয়ে পৌছায় মার্কিন অঙ্গরাজ্য ম্যাসাচুসেটস এর উইলিয়াম কলেঝের আফগান মিডিয়া প্রজেক্টের হাতে। তারা আরবি সাহিত্য ও সংস্কৃতিতে বিশেষজ্ঞ ফ্ল্যাগ মিলারের শরণাপন্ন হন অডিও কথোপকথনের পাঠোদ্ধার করতে। ২০০৩ সালে মিলারের হাতে পৌছায় ক্যাসেটগুলো। এর এক দশকেরও বেশি সময় পর মিলার তার আবিস্কার নিয়ে একটি বই লিখেছেন। ওই সংগ্রহশালায় ছিল ৬০ এর দশকের শেষ থেকে শুরু করে ২০০১ পর্যন্ত বিভিন্ন ধারণ করা অডিও। এতে ২ শতাধিক ব্যক্তির কথাবার্তা আছে। এর মধ্যে লাদেন একজন। ১৯৮৭ সালের এক টেপে লাদেনের প্রথম কথোপকথোন পাওয়া যায়। মিলার বলেন, লাদেন সেলফ-মার্কেটিংয়ে পটু ছিলেন। আর এই অডিও সংগ্রহে সে বিষয়গুলোই উঠে এসেছে। ক্যাসেটগুলোর মধ্যে ৮০’র দশকের শেষের দিকের এবং ৯০’র দশকের প্রথমদিকে দেয়া লাদেনের নানা বক্তব্য আছে। মিলারের ভাস্য অনুযায়ী, বিন লাদেন মনে করতেন আরব উপদ্বীপ অঞ্চলগুলোর অন্যতম ঝুকি ছিল অন্য মুসলিমরা। পরবর্তীতে যুক্তরাষ্ট্র তার টার্গেটে পরিণত হলেও এসব অডিও ক্যাসেটে তেমন কোন কথা নেই। প্রথম দিকে লাদেন ওইসব মুসলিমদের নিয়ে অনেক বেশি উদ্বিগ্ন ছিলেন যারা ইসলাম নিয়ে তার কঠোর আক্ষরিক ব্যাখ্যা অনুসরন করতো না । তার ভাষায় এদের মধ্যে ‘অবিশ্বাস’ ছিল। মিলার বলেন, কে সত্যিকারের মুসলিম তা নিয়ে জিহাদ করতে চেয়েছিলেন বিন লাদেন।