ঢাকা ০২:৪৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ সাড়ে ৩ কেজি ওজনের দুই ইলিশ ১৫ হাজার টাকায় বিক্রি মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণে কঠোর আইন হচ্ছে: তথ্য প্রতিমন্ত্রী থমকে আছে উন্নয়ন প্রকল্প ও তদারকি, মন্ত্রণালয়ে ঘুরছেন এমপিরা কেন শিশুদের ঘ্রাণবিষয়ক শিক্ষা দিতে বললেন এই বিশেষজ্ঞ নতুন পে-স্কেলে কোন গ্রেডে কত বাড়ল বেতন বিএনপির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে জনগণই বিএনপির রাজনৈতিক ক্ষমতার উৎস: তারেক রহমান নরওয়ের রাজার মৃত্যুতে বাংলাদেশের পক্ষে শোকবইয়ে স্বাক্ষর স্থানীয় সরকার মন্ত্রীর যশোরে নিষিদ্ধ আ. লীগের প্রতিমন্ত্রী ও এমপিসহ ১১৩ জনের নামে মামলা হাদি হত্যা মামলার মূল অভিযুক্ত ফয়সাল ও তার স্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

প্রসূতির খাবার নিয়ে কুসংস্কার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৩৯৩ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের দেশে অনেকেই সন্তান জন্মদানের পর প্রসূতি মাকে ভালো কোনো খাবার খেতে নিষেধ করেন। আঁতুড়ঘরে প্রসূতি মাকে সাগু, সুজি খেয়েই অমানবিকভাবে জীবন কাটাতে হয়। এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। এতে মায়ের শরীর ভেঙে পড়ে, মা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অনেকের ধারণা, প্রসব-পরবর্তী সময়ে মাছ-মাংস খেলে শিশুর হাম হতে পারে। প্রসূতি মায়ের ক্ষতি হবে বলে ডিম দুধ খেতে দেওয়া হয় না। বোয়াল, ইলিশ, মৃগেল, গজার মাছ, গরুর মাংস ইত্যাদি খেতে দিলে নাকি প্রসূতির সূতিকা রোগ হয়। এই ভেবে তাঁকে এসব খাবার খেতে দেওয়া হয় না। ভালো শাকসবজি খেলে নাকি মা ও শিশুর পেট খারাপ হয়। এমন সব ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে মাকে কোনো রকম মুখরোচক খাবার খেতে দেওয়া হয় না। এই দোহাই দিয়ে এসব অরুচিকর খাবার মাকে খাওয়ানো হয় মাসের পর মাস। অথচ এ ধারণা একদমই ঠিক নয়।

এসব খাওয়ার সঙ্গে বুকের দুধ বেশি হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক মা-ই শেষে ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন- অসুস্থ হয়ে পড়েন।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, প্রসূতি মাকে সব খাবারই দেওয়া উচিত। এমনকি ঝাল, ঠান্ডা, গরম, চায়নিজ, মোগলাই, ইংলিশ সব খাবারই মা ইচ্ছা করলে খেতে পারবেন। এ ব্যাপারে কোনো রকম বিধি-নিষেধ নেই। তবে আগে অ্যালার্জির উদ্রেককারী খাবার তাঁকে পরিহার করতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, প্রসবকালীন মায়ের শরীরের ওপর দিয়ে বাড়তি চাপ বয়ে যায়। সেটিকে পূরণ করার জন্য প্রসব-পরবর্তী সময়ে মাকে বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খেতে দেওয়া উচিত। কাজেই প্রসব-পরবর্তী সময়ে পুষ্টিকর খাবার না দিলে মায়ের শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বাবার সঙ্গে বড় ভাইয়ের শ্বশুরের অনন্য বন্ধন, স্মৃতিতে আজও অমলিন দুই প্রিয় মানুষ

প্রসূতির খাবার নিয়ে কুসংস্কার

আপডেট টাইম : ০৫:৫২:৪০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আমাদের দেশে অনেকেই সন্তান জন্মদানের পর প্রসূতি মাকে ভালো কোনো খাবার খেতে নিষেধ করেন। আঁতুড়ঘরে প্রসূতি মাকে সাগু, সুজি খেয়েই অমানবিকভাবে জীবন কাটাতে হয়। এ ধারণা মোটেই ঠিক নয়। এতে মায়ের শরীর ভেঙে পড়ে, মা অসুস্থ হয়ে পড়েন।

অনেকের ধারণা, প্রসব-পরবর্তী সময়ে মাছ-মাংস খেলে শিশুর হাম হতে পারে। প্রসূতি মায়ের ক্ষতি হবে বলে ডিম দুধ খেতে দেওয়া হয় না। বোয়াল, ইলিশ, মৃগেল, গজার মাছ, গরুর মাংস ইত্যাদি খেতে দিলে নাকি প্রসূতির সূতিকা রোগ হয়। এই ভেবে তাঁকে এসব খাবার খেতে দেওয়া হয় না। ভালো শাকসবজি খেলে নাকি মা ও শিশুর পেট খারাপ হয়। এমন সব ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে মাকে কোনো রকম মুখরোচক খাবার খেতে দেওয়া হয় না। এই দোহাই দিয়ে এসব অরুচিকর খাবার মাকে খাওয়ানো হয় মাসের পর মাস। অথচ এ ধারণা একদমই ঠিক নয়।

এসব খাওয়ার সঙ্গে বুকের দুধ বেশি হওয়ার কোনো সম্পর্ক নেই। এসব ভুল ধারণার কারণে অনেক মা-ই শেষে ভগ্নস্বাস্থ্য নিয়ে অপুষ্টিতে ভোগেন- অসুস্থ হয়ে পড়েন।

প্রকৃত সত্য হচ্ছে, প্রসূতি মাকে সব খাবারই দেওয়া উচিত। এমনকি ঝাল, ঠান্ডা, গরম, চায়নিজ, মোগলাই, ইংলিশ সব খাবারই মা ইচ্ছা করলে খেতে পারবেন। এ ব্যাপারে কোনো রকম বিধি-নিষেধ নেই। তবে আগে অ্যালার্জির উদ্রেককারী খাবার তাঁকে পরিহার করতে হবে।

সবচেয়ে বড় কথা, প্রসবকালীন মায়ের শরীরের ওপর দিয়ে বাড়তি চাপ বয়ে যায়। সেটিকে পূরণ করার জন্য প্রসব-পরবর্তী সময়ে মাকে বেশি করে পুষ্টিকর খাবার খেতে দেওয়া উচিত। কাজেই প্রসব-পরবর্তী সময়ে পুষ্টিকর খাবার না দিলে মায়ের শরীর অসুস্থ হয়ে পড়বে।