ঢাকা ০১:৪৭ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

শোকের মাস পালনে চাঁদাবাজি নয়: কাদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:১৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭
  • ৪৬৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শোকের মাস আগস্টের কর্মসূচি পালনে বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি রোধে সতর্ক থাকতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ বিষয়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের তদারকি থাকবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সঙ্গে সম্পাদকমণ্ডলীর জরুরি সভা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন কাদের।

আওয়ামী লীগের কাছে আগস্ট একটি বেদনাবিধুর মাস। ১৯৭৫ সালে এই মাসের ১৫ তারিখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা। আবার ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলায় নিহত হয় ২৩ জন। আহত হয় শতাধিক নেতা-কর্মী।

আগস্টে মাস ব্যাপী নানা কর্মর্সূচি থাকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের। কিন্তু কেউ কেউ আবার কর্মসূচির নামে টাকা কামানোর কৌশল নেয়। চাঁদাবাজিতে জড়ায় তারা ক্ষমতাসীন দলের নামে। এদের ব্যাপারেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেউ চাঁদা চাইলে যেন আওয়ামী লীগকে জানানো হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার কারণে এখনো নামাজ পড়তে সেজদা দিতে পারি না। আমার চেয়ে অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। আইভী রহমানসহ ২৩ জন তো জীবনই দিয়েছেন। এরপর সেইসময়ের সরকার মামলার আলামত নষ্ট করে দিয়ে, তথাকথিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত, জজ মিয়া নাটক, এবিআই তদন্ত করতে না দিয়ে সাধু সাজতে চেয়েছিল।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য চট্টগ্রামে, বরিশালের গৌরনদী, নাটোর, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা হয়েছে। কই খালেদা জিয়ার ওপর তো কোনো হামলার কথা শোনা যায়নি। ’

‘আমরা কি বেগম জিয়ার মিটিংয়ে হামলা চালিয়েছি? আওয়ামী লীগের আহাসান উল্লাহ মাস্টার, শাহ এম এম এস কিবরিয়া, সাংবাদিক মানিকসহ কত নাম বলবো যাদের হত্যা করা হয়েছে। কত গুম, কত খুন করেছে বিএনপি তার হিসাব নেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নামে ২৫০ জনকে পুড়িয়ে মেরেছে। এখনো বার্নইউনিটিতে আহাজারি শোনা যায়’-বলেন ওবায়দুল কাদের।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপি-জামায়াতের মদদেই জঙ্গিরা সারাদেশে বোমা চালিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন কাদের। বলেন বর্তমান সরকার জঙ্গি নির্মুলে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সুজিত রায় নন্দী, আব্দুস সবুর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকার নারীর স্বাস্থ্যকে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে

শোকের মাস পালনে চাঁদাবাজি নয়: কাদের

আপডেট টাইম : ০৯:১৭:১৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৪ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  শোকের মাস আগস্টের কর্মসূচি পালনে বঙ্গবন্ধুর নাম ব্যবহার করে চাঁদাবাজি রোধে সতর্ক থাকতে বলেছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। এ বিষয়ে দল হিসেবে আওয়ামী লীগের তদারকি থাকবে বলেও জানান তিনি।

শুক্রবার বিকালে আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতীম সংগঠনের সঙ্গে সম্পাদকমণ্ডলীর জরুরি সভা শেষে সাংবাদিক সম্মেলনে এ কথা বলেন কাদের।

আওয়ামী লীগের কাছে আগস্ট একটি বেদনাবিধুর মাস। ১৯৭৫ সালে এই মাসের ১৫ তারিখে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যা করে সেনাবাহিনীর বিপথগামী সদস্যরা। আবার ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের জনসভায় শেখ হাসিনাকে লক্ষ্য করে গ্রেনেড হামলায় নিহত হয় ২৩ জন। আহত হয় শতাধিক নেতা-কর্মী।

আগস্টে মাস ব্যাপী নানা কর্মর্সূচি থাকে আওয়ামী লীগ ও সহযোগী সংগঠনের। কিন্তু কেউ কেউ আবার কর্মসূচির নামে টাকা কামানোর কৌশল নেয়। চাঁদাবাজিতে জড়ায় তারা ক্ষমতাসীন দলের নামে। এদের ব্যাপারেই সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কেউ চাঁদা চাইলে যেন আওয়ামী লীগকে জানানো হয়।

এক প্রশ্নের জবাবে কাদের বলেন, ‘২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলার কারণে এখনো নামাজ পড়তে সেজদা দিতে পারি না। আমার চেয়ে অনেকেই পঙ্গুত্ববরণ করেছেন। আইভী রহমানসহ ২৩ জন তো জীবনই দিয়েছেন। এরপর সেইসময়ের সরকার মামলার আলামত নষ্ট করে দিয়ে, তথাকথিত বিচার বিভাগীয় তদন্ত, জজ মিয়া নাটক, এবিআই তদন্ত করতে না দিয়ে সাধু সাজতে চেয়েছিল।’

আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, ‘শেখ হাসিনাকে হত্যার জন্য চট্টগ্রামে, বরিশালের গৌরনদী, নাটোর, সাতক্ষীরাসহ বিভিন্ন জায়গায় হামলা হয়েছে। কই খালেদা জিয়ার ওপর তো কোনো হামলার কথা শোনা যায়নি। ’

‘আমরা কি বেগম জিয়ার মিটিংয়ে হামলা চালিয়েছি? আওয়ামী লীগের আহাসান উল্লাহ মাস্টার, শাহ এম এম এস কিবরিয়া, সাংবাদিক মানিকসহ কত নাম বলবো যাদের হত্যা করা হয়েছে। কত গুম, কত খুন করেছে বিএনপি তার হিসাব নেই। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে নামে ২৫০ জনকে পুড়িয়ে মেরেছে। এখনো বার্নইউনিটিতে আহাজারি শোনা যায়’-বলেন ওবায়দুল কাদের।

২০০৫ সালের ১৭ আগস্ট বিএনপি-জামায়াতের মদদেই জঙ্গিরা সারাদেশে বোমা চালিয়েছিল বলেও অভিযোগ করেন কাদের। বলেন বর্তমান সরকার জঙ্গি নির্মুলে আন্তরিকভাবে কাজ করছে।

আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য আহমদ হোসেন, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সুজিত রায় নন্দী, আব্দুস সবুর, স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মোল্লা মো. আবু কাওসার, যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক হারুন অর রশীদ, ঢাকা মহানগর আওয়ামী লীগের দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক শাহে আলম মুরাদ, উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান, যুব মহিলা লীগের সভাপতি নাজমা আক্তার ও সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ ও সাধারণ সম্পাদক এস এম জাকির হোসাইন প্রমুখ এই সভায় উপস্থিত ছিলেন।