হাওর বার্তা ডেস্কঃ জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন ১৩ নবীন-প্রবীণ। যারা কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন। তাদের সবারই দাবি নির্বাচনে তারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তারা তৃণমূলে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসন ছাড়া বাকি সব আসনে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ কাঁপাচ্ছেন। তারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠে থাকায় জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। আবার অনেকের দাবি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় ঘন ঘন সময় দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজির হোসেন। তিনি ছিলেন, কথিত সংস্কারপন্থী নেতা। এর পর দীর্ঘদিন থেকে নজির হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তিনি বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনী মাঠেও তিনি গণসংযোগ, প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই এ নেতা সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এ জন্য তিনি নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। নজির হোসেন
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন ১৩ নবীন-প্রবীণ। যারা কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন। তাদের সবারই দাবি নির্বাচনে তারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তারা তৃণমূলে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসন ছাড়া বাকি সব আসনে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ কাঁপাচ্ছেন। তারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠে থাকায় জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। আবার অনেকের দাবি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় ঘন ঘন সময় দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজির হোসেন। তিনি ছিলেন, কথিত সংস্কারপন্থী নেতা। এর পর দীর্ঘদিন থেকে নজির হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তিনি বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনী মাঠেও তিনি গণসংযোগ, প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই এ নেতা সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এ জন্য তিনি নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। নজির হোসেন
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন ১৩ নবীন-প্রবীণ। যারা কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন। তাদের সবারই দাবি নির্বাচনে তারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তারা তৃণমূলে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসন ছাড়া বাকি সব আসনে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ কাঁপাচ্ছেন। তারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠে থাকায় জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। আবার অনেকের দাবি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় ঘন ঘন সময় দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজির হোসেন। তিনি ছিলেন, কথিত সংস্কারপন্থী নেতা। এর পর দীর্ঘদিন থেকে নজির হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তিনি বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনী মাঠেও তিনি গণসংযোগ, প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই এ নেতা সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এ জন্য তিনি নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। নজির হোসেন হাওর বার্তাকে বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। এ ছাড়া এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ডা. রফিক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি আনিসুল হক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির আর কোনো নেতা গণসংযোগ, প্রচারণায় নেই। একক প্রার্থী হিসেবেই দিরাই-শাল্লার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের চির প্রতিদ্বন্দ্বী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ ও বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রায়ই জনসংযোগ করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ফজলুল হক আসপিয়া। প্রবীণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদেরও কাছে টানছেন। একই এলাকায় সাধারণ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নাদের আহমদ ও রেজাউল হক।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। এ দুই নেতা একে অপরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী হাওর বার্তাকে জানান, তিনি কেন্দ্রের নির্দেশনা এবং সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণের কাজ করার সুবাদে তৃণমূলে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন মিজান।
এদিকে এ আসনে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন ১৩ নবীন-প্রবীণ। যারা কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন। তাদের সবারই দাবি নির্বাচনে তারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তারা তৃণমূলে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসন ছাড়া বাকি সব আসনে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ কাঁপাচ্ছেন। তারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠে থাকায় জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। আবার অনেকের দাবি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় ঘন ঘন সময় দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজির হোসেন। তিনি ছিলেন, কথিত সংস্কারপন্থী নেতা। এর পর দীর্ঘদিন থেকে নজির হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তিনি বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনী মাঠেও তিনি গণসংযোগ, প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই এ নেতা সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এ জন্য তিনি নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। নজির হোসেন হাওর বার্তাকে বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। এ ছাড়া এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ডা. রফিক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি আনিসুল হক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির আর কোনো নেতা গণসংযোগ, প্রচারণায় নেই। একক প্রার্থী হিসেবেই দিরাই-শাল্লার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের চির প্রতিদ্বন্দ্বী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ ও বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রায়ই জনসংযোগ করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ফজলুল হক আসপিয়া। প্রবীণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদেরও কাছে টানছেন। একই এলাকায় সাধারণ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নাদের আহমদ ও রেজাউল হক।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। এ দুই নেতা একে অপরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী হাওর বার্তাকে জানান, তিনি কেন্দ্রের নির্দেশনা এবং সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণের কাজ করার সুবাদে তৃণমূলে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন মিজান।
এদিকে এ আসনে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন
জাতীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে সুনামগঞ্জের ৫টি আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থীর তালিকায় রয়েছেন ১৩ নবীন-প্রবীণ। যারা কেন্দ্রের নির্দেশনা অনুযায়ী নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন। তাদের সবারই দাবি নির্বাচনে তারা দলীয় মনোনয়ন পাবেন। আর সে লক্ষ্য নিয়েই তারা তৃণমূলে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরির চেষ্টা চালাচ্ছেন। এ পর্যন্ত সুনামগঞ্জ-২ আসন ছাড়া বাকি সব আসনে একাধিক সম্ভাব্য প্রার্থী মাঠ কাঁপাচ্ছেন। তারা দাবি করছেন, দীর্ঘদিন ধরেই নির্বাচনী মাঠে থাকায় জনগণের সঙ্গে তাদের সম্পর্কও তৈরি হয়েছে। আবার অনেকের দাবি কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে পড়ে আছেন তারা।
সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনী এলাকায় ঘন ঘন সময় দিচ্ছেন জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ও সাবেক এমপি নজির হোসেন। তিনি ছিলেন, কথিত সংস্কারপন্থী নেতা। এর পর দীর্ঘদিন থেকে নজির হোসেন বিএনপির রাজনীতিতে ছিলেন নিষ্ক্রিয়। সম্প্রতি বিএনপি চেয়ারপার্সন খালেদা জিয়ার সঙ্গে দেখা করে তিনি বিএনপিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। নির্বাচনী মাঠেও তিনি গণসংযোগ, প্রচারণা চালাচ্ছেন। আর কেন্দ্রের সবুজ সংকেত পেয়েই এ নেতা সুনামগঞ্জ-১ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে তৃণমূলের রাজনীতিতে সক্রিয় হয়ে ওঠেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন নিয়ে নির্বাচন করার প্রস্তুতিও নিচ্ছেন তিনি। এ জন্য তিনি নির্বাচনী এলাকায় জনসংযোগ অব্যাহত রেখেছেন। নজির হোসেন হাওর বার্তাকে বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। এ ছাড়া এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ডা. রফিক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি আনিসুল হক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির আর কোনো নেতা গণসংযোগ, প্রচারণায় নেই। একক প্রার্থী হিসেবেই দিরাই-শাল্লার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের চির প্রতিদ্বন্দ্বী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ ও বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রায়ই জনসংযোগ করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ফজলুল হক আসপিয়া। প্রবীণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদেরও কাছে টানছেন। একই এলাকায় সাধারণ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নাদের আহমদ ও রেজাউল হক।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। এ দুই নেতা একে অপরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী হাওর বার্তা জানান, তিনি কেন্দ্রের নির্দেশনা এবং সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণের কাজ করার সুবাদে তৃণমূলে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন মিজান।
এদিকে এ আসনে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন হাওর বার্তাকে বলেন, এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়েই মাঠে আছি, থাকব। আর দলের শীর্ষ নেতারা যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন। আমরা তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করব।
বলেন, এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়েই মাঠে আছি, থাকব। আর দলের শীর্ষ নেতারা যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন। আমরা তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করব।
বলেন, এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়েই মাঠে আছি, থাকব। আর দলের শীর্ষ নেতারা যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন। আমরা তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করব।
বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। এ ছাড়া এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ডা. রফিক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি আনিসুল হক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির আর কোনো নেতা গণসংযোগ, প্রচারণায় নেই। একক প্রার্থী হিসেবেই দিরাই-শাল্লার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের চির প্রতিদ্বন্দ্বী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ ও বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রায়ই জনসংযোগ করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ফজলুল হক আসপিয়া। প্রবীণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদেরও কাছে টানছেন। একই এলাকায় সাধারণ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নাদের আহমদ ও রেজাউল হক।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। এ দুই নেতা একে অপরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মানবকণ্ঠকে জানান, তিনি কেন্দ্রের নির্দেশনা এবং সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণের কাজ করার সুবাদে তৃণমূলে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন মিজান।
এদিকে এ আসনে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন হাওর বার্তাকে বলেন, এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়েই মাঠে আছি, থাকব। আর দলের শীর্ষ নেতারা যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন। আমরা তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করব।
বলেন, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপি ঐক্যবদ্ধ। এ ছাড়া এলাকায় ব্যাপক সাড়া পেয়েছেন। এর বাইরে কোনো মন্তব্য করতে চাননি তিনি। এ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে আছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি ডা. রফিক চৌধুরী, সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি আনিসুল হক ও তাহিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান বিএনপি নেতা কামরুজ্জামান কামরুল।
সুনামগঞ্জ-২ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে মাঠে আছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও সাবেক এমপি নাছির উদ্দিন চৌধুরী। এ পর্যন্ত এ আসনে বিএনপির আর কোনো নেতা গণসংযোগ, প্রচারণায় নেই। একক প্রার্থী হিসেবেই দিরাই-শাল্লার মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন প্রয়াত সুরঞ্জিত সেনগুপ্তের চির প্রতিদ্বন্দ্বী নাছির উদ্দিন চৌধুরী।
সুনামগঞ্জ-৩ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে-ময়দানে রয়েছেন জেলা বিএনপির সাবেক সহসভাপতি লে. কর্নেল (অব.) সৈয়দ আলী আহমদ ও বর্তমান সহসভাপতি ফারুক আহমদ।
সুনামগঞ্জ-৪ আসনে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকায় প্রায়ই জনসংযোগ করে নিজের অবস্থান জানান দিচ্ছেন বিএনপি চেয়ারপার্সনের উপদেষ্টা ও সাবেক এমপি ফজলুল হক আসপিয়া। প্রবীণ এই নেতা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলীয় নেতাকর্মীদেরও কাছে টানছেন। একই এলাকায় সাধারণ জনতার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন। এ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে এলাকাবাসীর সঙ্গে কুশল বিনিময় করছেন জেলা বিএনপির বর্তমান সহসভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, নাদের আহমদ ও রেজাউল হক।
সুনামগঞ্জ-৫ আসনে বিএনপির সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে মাঠে কাজ করছেন ছাতক উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী মিজান। একই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার জন্য মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন সুনামগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন। এ দুই নেতা একে অপরের শক্ত প্রতিদ্বন্দ্বী। তবে জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মিজানুর রহমান চৌধুরী হাওর বার্তাকে জানান, তিনি কেন্দ্রের নির্দেশনা এবং সবুজ সংকেত পেয়েই নির্বাচনী মাঠে নেমেছেন। দীর্ঘদিন ধরে এলাকার জনগণের কাজ করার সুবাদে তৃণমূলে তার শক্ত অবস্থান তৈরি হয়েছে বলেও দাবি করেন মিজান।
এদিকে এ আসনে অপর সম্ভাব্য প্রার্থী সাবেক এমপি কলিম উদ্দিন আহমদ মিলন হাওর বার্তাকে বলেন, এলাকার সাবেক জনপ্রতিনিধি হিসেবে নির্বাচন করার ইচ্ছে নিয়েই মাঠে আছি, থাকব। আর দলের শীর্ষ নেতারা যাকে প্রয়োজন মনে করবেন তাকেই মনোনয়ন দেবেন। আমরা তার পক্ষেই ঐক্যবদ্ধ হয়েই কাজ করব।
Reporter Name 
























