ঢাকা ০৯:০৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার

দায়িত্বটা এখন বোলারদের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০১৫
  • ৪৪৪ বার

আবহওয়ার পূর্বাভাস বলছে আজ ঢাকার আকাশে মেঘ সরে হয়তো সূর্য হাসবে। যদিও রয়েছে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও। তবে চলতি ঢাকা টেস্ট নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও পরিকল্পনা ধরে রেখেছেন টাইগাররা । আর সাকিব আল হাসান বলেন, এ মুহূর্তে বড় দায়িত্বটা দলের বোলারদের। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পুঁজি ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান। গতকাল সাকিব বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে ভাল সূচনা দরকার ছিল। সেটা হয়নি। আরও দুই উইকেট আমাদের হাতে আছে। এটা নিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়, দেখার বিষয়। আরেকবার ব্যাটিং করার সুযোগ পেলে আগের ভুলগুলো শুধরে নিতে হবে। এখন ম্যাচের যা অবস্থা তাতে, বড় ভূমিকা নিতে হবে বোলারদেরই। আমরা এখন বোলারদের দিকেই তাকিয়ে আছি।’ গতকাল দুপুরে খেলা হওয়ার আশা জেগেছিল। কিন্তু বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত সেটি হতে দেয়নি। ক্রিকেটাররা মাঠে এলেও পরে হোটেলে ফিরে যান। বৃষ্টি মাঠে খেলা না হওয়াতে ক্রিকেটারদের মনোসংযোগেও বাধা পড়ে। সেখান থেকে কিভাবে নিজেদের বের করেন সাকিব-তামিমরা? সাকিব বলেন, ‘এই অবস্থায় মনোসংযোগ ধরে রাখাটাও জরুরি। আসলে ব্যাপারটা একেকজনের কাছে একেকরকম। কেউ যেমন নিজের মতো করে জিম করে প্রস্তুতি নেন। কেউ হয়তো নেটে অনুশীলন করেন। কেউ বা নিজের হোটেল রুমেই সময় কাটান।’ বৃষ্টি নিয়ে হতাশা সাকিবের কণ্ঠেও। তিন ফরমেটের ক্রিকেটে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর অলরাউন্ডার সাকিব বলেন, ‘আসলে এটা খুবই হতাশাজনক ব্যাপার। আর এটা এমন একটা বিষয় যেখানে আসলে আমাদের কিছুই করার নেই। ঢাকা টেস্টের ফল কি দাঁড়াবে তা না ভেবে নিজেদের খেলার দিকে মনোযোগ দেয়াটাই আমাদের জন্য জরুরি।
ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের পুরোটাই ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। মাঠে একবারও বল গড়ালো না গতকাল। বৃষ্টি থামলে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে দুই আম্পায়ার মাঠ পরিদর্শন করেন। এতে ম্যাচ রেফারি ২টা ১৫ মিনিটে খেলা শুরুর ঘোষণাও দেন। এরই মধ্যে দুই দলই মাঠে চলে আসে। মাঠের কভার সরিয়ে ফেলে অনুশীলনও শুরু করেন তারা । কিন্তু ফের শুরু হয় মেঘেদের কান্না। টানা বৃষ্টিতে বিকাল ৩টায় দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ক্রিকেটাররা ফিরে যান হোটেলে। দ্বিতীয় দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও প্রথম ইনিংসে স্বল্প পুঁজির কারণে শঙ্কাটা ছিল টাইগারদেরই। কিন্তু তৃতীয় দিনও একই ঘটনা ঘটায় এখন হয়তো কিছুটা স্বস্তিতে তারা। শেষ দু’দিনের খেলায় দুই দলের আরও তিনটি ইনিংস খেলার বাকি। যদিও মুশফিক বাহিনীর এখনও প্রথম ইনিংস শেষ হয়নি। তাই ক্রিকেট বোদ্ধারা মনে করেন ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা হলেও এই টেস্ট আসলে ড্র’র পথে।
এ নিয়ে হতাশ দক্ষিণ আফিকার ‘দৈনিক ইন্ডপেন্ডেন্ট’ এর সিনিয়র সাংবাদিক জাহির অ্যাডামস। ঢাকা টেস্টে এখন আর হারজিতের আশা করছেন না তিনি। জাহির বলেন, পুরো খেলা হলে ফলটা হয়তো আমাদের দিকেই থাকতো।’ বাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার ও আম্পয়ার নিয়ামুর রশীদ রাহুল বলেন, ‘এটি সত্যি যে, ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। এখানে অনেক কিছুই হতে পারে। বৃষ্টির পরও টেস্টে শেষ দুইদিনে ফলাফল এসেছে এমন ম্যাচ অনেক আছে। কিন্তু এখন বাংলাদেশের যে ফর্ম তাতে আমরা সেই অনিশ্চয়তার কথা তুলে রাখতে পারি। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা মাঠে গড়ায় প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্ট। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহীম আশা করেছিলেন হয়তো ১-০তে সিরেজে জয় পাবেন। এই টেস্টকে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু টস জিতে ব্যাট করার সুযোগ এলেও দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে সেই সুযোগটা হাতছাড়া হয় টাইগারদের। প্রথমদিন ৮৮.১ ওভার খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২৪৬/৮। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় প্রোটিয়াদের হাতে। কিন্তু ম্যাচের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন টানা বৃষ্টিতে ভেসে গেলে এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। আজ বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বল মাঠে গড়ালে আজ প্রথম ইনিংসে ১৩ রানে অপরাজিত নাসির হোসেনের আলাদা লড়াই লেজের দিকের দুই ব্যাটসম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ও জুবায়ের হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছাত্রদলের নেতৃত্বে রুয়েলকে দেখতে চান তৃণমূলের নেতাকর্মীরা

দায়িত্বটা এখন বোলারদের

আপডেট টাইম : ১২:৪৯:২৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০১৫

আবহওয়ার পূর্বাভাস বলছে আজ ঢাকার আকাশে মেঘ সরে হয়তো সূর্য হাসবে। যদিও রয়েছে বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনাও। তবে চলতি ঢাকা টেস্ট নিয়ে নিজেদের ভাবনা ও পরিকল্পনা ধরে রেখেছেন টাইগাররা । আর সাকিব আল হাসান বলেন, এ মুহূর্তে বড় দায়িত্বটা দলের বোলারদের। প্রথম ইনিংসে বাংলাদেশের পুঁজি ৮ উইকেট হারিয়ে ২৪৬ রান। গতকাল সাকিব বলেন, ‘ব্যাটিংয়ে ভাল সূচনা দরকার ছিল। সেটা হয়নি। আরও দুই উইকেট আমাদের হাতে আছে। এটা নিয়ে আর কতদূর যাওয়া যায়, দেখার বিষয়। আরেকবার ব্যাটিং করার সুযোগ পেলে আগের ভুলগুলো শুধরে নিতে হবে। এখন ম্যাচের যা অবস্থা তাতে, বড় ভূমিকা নিতে হবে বোলারদেরই। আমরা এখন বোলারদের দিকেই তাকিয়ে আছি।’ গতকাল দুপুরে খেলা হওয়ার আশা জেগেছিল। কিন্তু বৃষ্টি শেষ পর্যন্ত সেটি হতে দেয়নি। ক্রিকেটাররা মাঠে এলেও পরে হোটেলে ফিরে যান। বৃষ্টি মাঠে খেলা না হওয়াতে ক্রিকেটারদের মনোসংযোগেও বাধা পড়ে। সেখান থেকে কিভাবে নিজেদের বের করেন সাকিব-তামিমরা? সাকিব বলেন, ‘এই অবস্থায় মনোসংযোগ ধরে রাখাটাও জরুরি। আসলে ব্যাপারটা একেকজনের কাছে একেকরকম। কেউ যেমন নিজের মতো করে জিম করে প্রস্তুতি নেন। কেউ হয়তো নেটে অনুশীলন করেন। কেউ বা নিজের হোটেল রুমেই সময় কাটান।’ বৃষ্টি নিয়ে হতাশা সাকিবের কণ্ঠেও। তিন ফরমেটের ক্রিকেটে আইসিসি র‌্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর অলরাউন্ডার সাকিব বলেন, ‘আসলে এটা খুবই হতাশাজনক ব্যাপার। আর এটা এমন একটা বিষয় যেখানে আসলে আমাদের কিছুই করার নেই। ঢাকা টেস্টের ফল কি দাঁড়াবে তা না ভেবে নিজেদের খেলার দিকে মনোযোগ দেয়াটাই আমাদের জন্য জরুরি।
ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিনের পুরোটাই ভেসে গিয়েছিল বৃষ্টিতে। মাঠে একবারও বল গড়ালো না গতকাল। বৃষ্টি থামলে দুপুর ১টা ৩০ মিনিটে দুই আম্পায়ার মাঠ পরিদর্শন করেন। এতে ম্যাচ রেফারি ২টা ১৫ মিনিটে খেলা শুরুর ঘোষণাও দেন। এরই মধ্যে দুই দলই মাঠে চলে আসে। মাঠের কভার সরিয়ে ফেলে অনুশীলনও শুরু করেন তারা । কিন্তু ফের শুরু হয় মেঘেদের কান্না। টানা বৃষ্টিতে বিকাল ৩টায় দিনের খেলা পরিত্যক্ত ঘোষণা করেন আম্পায়াররা। ক্রিকেটাররা ফিরে যান হোটেলে। দ্বিতীয় দিন বৃষ্টিতে ভেসে গেলেও প্রথম ইনিংসে স্বল্প পুঁজির কারণে শঙ্কাটা ছিল টাইগারদেরই। কিন্তু তৃতীয় দিনও একই ঘটনা ঘটায় এখন হয়তো কিছুটা স্বস্তিতে তারা। শেষ দু’দিনের খেলায় দুই দলের আরও তিনটি ইনিংস খেলার বাকি। যদিও মুশফিক বাহিনীর এখনও প্রথম ইনিংস শেষ হয়নি। তাই ক্রিকেট বোদ্ধারা মনে করেন ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা হলেও এই টেস্ট আসলে ড্র’র পথে।
এ নিয়ে হতাশ দক্ষিণ আফিকার ‘দৈনিক ইন্ডপেন্ডেন্ট’ এর সিনিয়র সাংবাদিক জাহির অ্যাডামস। ঢাকা টেস্টে এখন আর হারজিতের আশা করছেন না তিনি। জাহির বলেন, পুরো খেলা হলে ফলটা হয়তো আমাদের দিকেই থাকতো।’ বাংলাদেশ দলের সাবেক ক্রিকেটার ও আম্পয়ার নিয়ামুর রশীদ রাহুল বলেন, ‘এটি সত্যি যে, ক্রিকেট অনিশ্চয়তার খেলা। এখানে অনেক কিছুই হতে পারে। বৃষ্টির পরও টেস্টে শেষ দুইদিনে ফলাফল এসেছে এমন ম্যাচ অনেক আছে। কিন্তু এখন বাংলাদেশের যে ফর্ম তাতে আমরা সেই অনিশ্চয়তার কথা তুলে রাখতে পারি। বৃহস্পতিবার মিরপুর শেরে বাংলা মাঠে গড়ায় প্রোটিয়াদের বিপক্ষে সিরিজের শেষ টেস্ট। ম্যাচ-পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মুশফিকুর রহীম আশা করেছিলেন হয়তো ১-০তে সিরেজে জয় পাবেন। এই টেস্টকে নিজেদের প্রমাণের সুযোগ হিসেবে দেখেছিলেন অধিনায়ক। কিন্তু টস জিতে ব্যাট করার সুযোগ এলেও দায়িত্বহীন ব্যাটিংয়ে সেই সুযোগটা হাতছাড়া হয় টাইগারদের। প্রথমদিন ৮৮.১ ওভার খেলা শেষে বাংলাদেশের সংগ্রহ ছিল ২৪৬/৮। এতে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ চলে যায় প্রোটিয়াদের হাতে। কিন্তু ম্যাচের দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিন টানা বৃষ্টিতে ভেসে গেলে এখন পরিস্থিতি অন্যরকম। আজ বৃষ্টি না হওয়ার সম্ভাবনার কথা জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বল মাঠে গড়ালে আজ প্রথম ইনিংসে ১৩ রানে অপরাজিত নাসির হোসেনের আলাদা লড়াই লেজের দিকের দুই ব্যাটসম্যান মুস্তাফিজুর রহমান ও জুবায়ের হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে।