ঢাকা ১০:১৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৯ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : এলজিআরডি মন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১১ কর্মকর্তার পদোন্নতি ধর্ম যার যার এই বাংলাদেশ সবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে : চিফ হুইপ নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার নতুন বাজেটে প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া

গণহত্যার দায়ে ইসরায়েলকে দায়ী করা নাভি পিল্লাই পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬
  • ৯ বার

ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করা জাতিসংঘের স্বাধীন কমিশনের সাবেক প্রধান নাভি পিল্লাই পেলেন এবারের শান্তিতে নোবেল। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নরওয়ের নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য  ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান এই নারীকে দেওয়া হয়েছে স্বীকৃতি। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে আটক নেতাদের পক্ষেও আইনি লড়াই লড়েছিলেন তিনি। এ বছর মনোনয়ন পেয়েছিল ২০৮ ব্যক্তি ও ৭৯ প্রতিষ্ঠান।

যুদ্ধ, নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ আর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জর্জরিত বিশ্বে যখন পরাশক্তিরা সংঘাতে ব্যস্ত, তখন বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন ও ব্যক্তি। যাদের একজন নাভি পিল্লাই। যিনি নাভানেথেম নামেও পরিচিত।

নোবেল কমিটি জানায়, সংঘাতের সমাধান ক্রমেই কূটনীতি, চুক্তি ও আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে হচ্ছে, হুমকি, সহিংসতা বা যুদ্ধের পথে নয়। আর এই বাস্তবতায় নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক আইনি নীতির অন্যতম মহান রক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রনায়কদের তিনি জবাবদিহির মুখোমুখি করেছেন এবং সহিংসতা ও সংঘাতের শিকার মানুষের মনে আশা জুগিয়েছেন।

৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাইয়ের জন্ম ১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারে। ১৯৬৭ সালে নাটাল প্রদেশে তিনি প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী হিসেবে নিজের আইন চেম্বার খোলেন। বর্ণবাদী শাসনের সময় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের আটক নেতাদের পক্ষে আদালতে লড়েছেন এই নারী।

২০০৩ সালে নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, আইসিসির প্রথম বিচারক প্যানেলের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার নিযুক্ত হন। পরে জাতিসংঘের অধিকৃত ফিলিস্তিন-বিষয়ক কমিশন অব ইনকোয়ারির নেতৃত্ব দেন। ওই কমিশন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এক রিপোর্টে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করে।

এর আগে, ২০২৫ সালে তিনি সিডনি শান্তি পুরস্কার এবং চলতি বছর জন ডুগার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে সুইডেনের ওলফ পালমে পুরস্কার পান। আগামী ১০ ডিসেম্বর ওসলো সিটি হলে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন

গণহত্যার দায়ে ইসরায়েলকে দায়ী করা নাভি পিল্লাই পেলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার

আপডেট টাইম : ০৮:১৭:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৯ অক্টোবর ২০২৬

ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করা জাতিসংঘের স্বাধীন কমিশনের সাবেক প্রধান নাভি পিল্লাই পেলেন এবারের শান্তিতে নোবেল। শুক্রবার (৯ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় দুপুর ৩টার দিকে তার নাম ঘোষণা করা হয়।

নরওয়ের নোবেল কমিটির ঘোষণায় বলা হয়েছে, বৈশ্বিক শান্তি ও আন্তর্জাতিক আইনের প্রসারে বিশেষ অবদানের জন্য  ভারতীয় বংশোদ্ভূত দক্ষিণ আফ্রিকান এই নারীকে দেওয়া হয়েছে স্বীকৃতি। দক্ষিণ আফ্রিকায় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনে আটক নেতাদের পক্ষেও আইনি লড়াই লড়েছিলেন তিনি। এ বছর মনোনয়ন পেয়েছিল ২০৮ ব্যক্তি ও ৭৯ প্রতিষ্ঠান।

যুদ্ধ, নির্বিচার হত্যাযজ্ঞ আর মানবাধিকার লঙ্ঘনে জর্জরিত বিশ্বে যখন পরাশক্তিরা সংঘাতে ব্যস্ত, তখন বিশ্ব শান্তির বার্তা নিয়ে যুদ্ধের বিরুদ্ধে নিরলস লড়াই করে যাচ্ছে কিছু মানবাধিকার সংগঠন ও ব্যক্তি। যাদের একজন নাভি পিল্লাই। যিনি নাভানেথেম নামেও পরিচিত।

নোবেল কমিটি জানায়, সংঘাতের সমাধান ক্রমেই কূটনীতি, চুক্তি ও আইনি ব্যবস্থার মাধ্যমে হচ্ছে, হুমকি, সহিংসতা বা যুদ্ধের পথে নয়। আর এই বাস্তবতায় নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক আইনি নীতির অন্যতম মহান রক্ষক হিসেবে কাজ করছেন। রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রনায়কদের তিনি জবাবদিহির মুখোমুখি করেছেন এবং সহিংসতা ও সংঘাতের শিকার মানুষের মনে আশা জুগিয়েছেন।

৮৫ বছর বয়সী নাভি পিল্লাইয়ের জন্ম ১৯৪১ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার ডারবানে, ভারতীয় বংশোদ্ভূত পরিবারে। ১৯৬৭ সালে নাটাল প্রদেশে তিনি প্রথম অশ্বেতাঙ্গ নারী হিসেবে নিজের আইন চেম্বার খোলেন। বর্ণবাদী শাসনের সময় বর্ণবাদবিরোধী আন্দোলনের আটক নেতাদের পক্ষে আদালতে লড়েছেন এই নারী।

২০০৩ সালে নাভি পিল্লাই আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত, আইসিসির প্রথম বিচারক প্যানেলের সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৮ সালে জাতিসংঘের মানবাধিকার হাইকমিশনার নিযুক্ত হন। পরে জাতিসংঘের অধিকৃত ফিলিস্তিন-বিষয়ক কমিশন অব ইনকোয়ারির নেতৃত্ব দেন। ওই কমিশন ২০২৫ সালের সেপ্টেম্বরে এক রিপোর্টে ইসরায়েলকে গণহত্যার দায়ে দায়ী করে।

এর আগে, ২০২৫ সালে তিনি সিডনি শান্তি পুরস্কার এবং চলতি বছর জন ডুগার্ডের সঙ্গে যৌথভাবে সুইডেনের ওলফ পালমে পুরস্কার পান। আগামী ১০ ডিসেম্বর ওসলো সিটি হলে তার হাতে পুরস্কার তুলে দেওয়া হবে।