ঢাকা ১২:৩৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০৫ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে কী বিশ্ব শিক্ষক দিবস : ১০০ গুণী শিক্ষককে সম্মাননা দিচ্ছে সরকার বাংলাদেশ ও পাকিস্তানের মধ্যে বাণিজ্য সম্পর্ক বাড়ানোর উদ্যোগ আখতারুজ্জামানের জামিন শুনানিতে এজলাসে হট্টগোল, বাইরে আইনজীবীদের হাতাহাতি ভারতে মুসলিম যুবক হত্যা ও বাংলাদেশ মিশন ঘেরাওয়ের নিন্দা নেজামে ইসলাম পার্টির এক বছরের মধ্যে দেশের পুঁজিবাজারের চেহারা বদলে যাবে : অর্থমন্ত্রী প্রতিটি সিটি করপোরেশন ও জেলায় মাস্টারপ্ল্যান করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী চিয়া সিড কখন খেলে সবচেয়ে ভালো বাংলাদেশ থেকে বিনা খরচে ১০ হাজার শ্রমিক নেবে মালয়েশিয়া : শ্রমমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ব্রিটিশ হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

সামরিক পথ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনায় বসার আহ্বান ইরানের

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬
  • ৩ বার

সামরিক হামলা চালিয়ে বা নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা সমাধান করা যাবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুদ্ধ থামানোর একমাত্র পথ হলো ন্যায্য আলোচনা। তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক পথ বেছে নিলে ইরানও আগের চেয়ে আরও শক্ত জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে দীর্ঘদিন হামলা চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি তারা। তাই সরাসরি সামরিক হামলার বদলে এখন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নীতি নিয়েছে ওয়াশিংটন।

বর্তমানে যুদ্ধের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বিশ্ব তেলের প্রধান বাণিজ্য পথ ‘হরমুজ প্রণালি’। এই পথে নিজেদের একক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় ইরান। তাই অনুমতি ছাড়া চলা প্রতিটি জাহাজে তারা নজরদারি ও হামলা চালাচ্ছে। এর জবাবে ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়। সেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে সাতটি শর্ত দেয় ইরান। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তোলা ও ফ্রিজ করা অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব শর্ত নাকচ করলেও আলোচনার পথ খোলা রেখেছেন।

এদিকে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরব ও কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’। ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আবারও উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তীব্র হচ্ছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শাহজালালে জমজমের পানি নিয়ে তুলকালাম, নেপথ্যে কী

সামরিক পথ ছেড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আলোচনায় বসার আহ্বান ইরানের

আপডেট টাইম : ১১:৪৮:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬

সামরিক হামলা চালিয়ে বা নতুন করে নিষেধাজ্ঞা দিয়ে মধ্যপ্রাচ্যের সমস্যা সমাধান করা যাবে না বলে যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছে ইরান। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, যুদ্ধ থামানোর একমাত্র পথ হলো ন্যায্য আলোচনা। তবে যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক পথ বেছে নিলে ইরানও আগের চেয়ে আরও শক্ত জবাব দেবে বলে হুঁশিয়ারি দেন তিনি। খবর আল জাজিরার।

গত ফেব্রুয়ারিতে ইরানকে লক্ষ্য করে যৌথ অভিযান শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল। তবে দীর্ঘদিন হামলা চালিয়েও কাঙ্ক্ষিত সাফল্য পায়নি তারা। তাই সরাসরি সামরিক হামলার বদলে এখন ইরানের ওপর অর্থনৈতিক চাপ বাড়ানোর নীতি নিয়েছে ওয়াশিংটন।

বর্তমানে যুদ্ধের মূল কেন্দ্র হয়ে উঠেছে বিশ্ব তেলের প্রধান বাণিজ্য পথ ‘হরমুজ প্রণালি’। এই পথে নিজেদের একক নিয়ন্ত্রণ ধরে রাখতে চায় ইরান। তাই অনুমতি ছাড়া চলা প্রতিটি জাহাজে তারা নজরদারি ও হামলা চালাচ্ছে। এর জবাবে ইরানি বন্দরগুলোতে নৌ-অবরোধ সৃষ্টি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।

সম্প্রতি নিউইয়র্কে অনুষ্ঠিত জাতিসংঘ অধিবেশনের ফাঁকে দুই দেশের মধ্যে পরোক্ষ আলোচনা হয়। সেখানে হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার বিনিময়ে সাতটি শর্ত দেয় ইরান। এর মধ্যে যুদ্ধবিরতি, অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তোলা ও ফ্রিজ করা অর্থ ফেরত দেওয়ার দাবি রয়েছে। তবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এসব শর্ত নাকচ করলেও আলোচনার পথ খোলা রেখেছেন।

এদিকে ওই অঞ্চলে নিজেদের সামরিক শক্তি আরও বাড়াচ্ছে যুক্তরাষ্ট্র। সৌদি আরব ও কাতারে ক্ষেপণাস্ত্র সুরক্ষাব্যবস্থা জোরদারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্যে পাঠানো হয়েছে মার্কিন রণতরী ‘ইউএসএস থিওডোর রুজভেল্ট’। ফলে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে আবারও উত্তেজনা ও অনিশ্চয়তা তীব্র হচ্ছে।