ঢাকা ০২:০৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের নতুন নাম দিলেন সোহেল তাজ বিনা খরচে ১০ হাজার কর্মী নেবে মালয়েশিয়া সরকার : প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী ফ্যাসিবাদ সমর্থন করা সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করতে বললেন তথ্যমন্ত্রী মহানবীর (সা.) আদর্শ অনুসরণে শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি ও ধর্মীয় সহাবস্থানের এক উজ্জ্বল ঐতিহ্যের দেশ: রাষ্ট্রপতি দুই ডিআইজিসহ পুলিশের ১৭ কর্মকর্তাকে বদলি নভেম্বরে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের পরিকল্পনা ইসির সাবেক রাষ্ট্রপতি এরশাদের দ্বিতীয় স্ত্রী বিদিশা গ্রেপ্তার ক্ষমতাকে প্রশ্ন করাই সাংবাদিকতার মূল কাজ: উপদেষ্টা

নিউজিল্যান্ডে জুমআ’র ইমামতি করলেন বাংলাদেশের এক ক্রিকেটার

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬
  • ৪৮১ বার

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ কয়েকজন মুসলিম ক্রিকেটার নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে তাদের নামাজ আদায়ের দৃশ্য দেখা গেলো। কয়েকদিন আগে অনুশীলনের ফাঁকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ কয়েকজন মাঠেই নামাজে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের ইমামতি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সেটা ছিল, সতীর্থদের ইমামতি করা। কিন্তু এবার নিউজিল্যান্ডের একটি মসজিদের ইমামতি করতে হলো তাকে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডের মধ্যে ফাঁকা মাত্র একদিন। আজ সেই ফাঁকা দিন শুক্রবার। জুমআ’র দিন। নেলসনে হোটেলের পাশে স্থানীয় একটি মসজিদে জাতীয় দলের কয়েকজন ছাড়া সব খেলোয়াড় গেলেন জুমআ’র নামাজ আদায় করতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখলেন, মসজিদের ইমাম সাহেব কোনো কারণে উপস্থিত হননি। ইমাম সাহেবের অপেক্ষায় থাকলেন সবাই। কিন্তু তার কোনো নাম-গন্ধ নেই। মসজিদ কমিটির ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানী একজন সদস্য জানতে চাইলেন- বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে কেউ নামাজ পড়াতে পারেন কি-না। ক্রিকেট ক্রিজে ভরসার মতো এ ক্ষেত্রেও ভরসার নাম মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি এগিয়ে গেলেন সামনে। কিন্তু ফের বিপত্তি বাধলো। খুতবার বইটা মসজিদে পাওয়া গেলো না। সেটা নাকি ইমাম সাহেবের কাছে থাকে। তাহলে খুতবা কোথায় পাওয়া যায়? এবার খুতবার খোঁজে লেগে গেলেন মাহমুদুল্লাহ ও তামিম ইকবাল। ইন্টারনেট থেকে মোবাইলে আরবী খুতবা ডাউনলোড করলেন। আর মাহমুদুল্লাহ সবার সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে দেখে দেখে আরবী খুতবা পাঠ করলেন। তারপর জুমআ’র নামাজের ইমামতি করলেন তিনি। ওই মসজিদে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ছাড়া স্থানীয় ১৫-২০ মুসলিম ছিলেন। কয়েকজন মুসলিম নারীও মাহমুদুল্লাহ’র ইমামতিতে তাদের নির্দিষ্ট স্থানে নামাজ আদায় করেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

হঠাৎ যেন বন্যা পরিস্থিতির মুখে পড়তে না হয়, সে বিষয়ে কাজ করছে সরকার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

নিউজিল্যান্ডে জুমআ’র ইমামতি করলেন বাংলাদেশের এক ক্রিকেটার

আপডেট টাইম : ০৯:২৪:৫২ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৬

বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ কয়েকজন মুসলিম ক্রিকেটার নিয়মিত নামাজ আদায় করেন। নিউজিল্যান্ড সফরে গিয়ে তাদের নামাজ আদায়ের দৃশ্য দেখা গেলো। কয়েকদিন আগে অনুশীলনের ফাঁকে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলের বেশ কয়েকজন মাঠেই নামাজে দাঁড়িয়ে যান। নামাজের ইমামতি করেন মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। সেটা ছিল, সতীর্থদের ইমামতি করা। কিন্তু এবার নিউজিল্যান্ডের একটি মসজিদের ইমামতি করতে হলো তাকে। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ওয়ানডের মধ্যে ফাঁকা মাত্র একদিন। আজ সেই ফাঁকা দিন শুক্রবার। জুমআ’র দিন। নেলসনে হোটেলের পাশে স্থানীয় একটি মসজিদে জাতীয় দলের কয়েকজন ছাড়া সব খেলোয়াড় গেলেন জুমআ’র নামাজ আদায় করতে। কিন্তু সেখানে গিয়ে দেখলেন, মসজিদের ইমাম সাহেব কোনো কারণে উপস্থিত হননি। ইমাম সাহেবের অপেক্ষায় থাকলেন সবাই। কিন্তু তার কোনো নাম-গন্ধ নেই। মসজিদ কমিটির ভারতীয় কিংবা পাকিস্তানী একজন সদস্য জানতে চাইলেন- বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের মধ্যে কেউ নামাজ পড়াতে পারেন কি-না। ক্রিকেট ক্রিজে ভরসার মতো এ ক্ষেত্রেও ভরসার নাম মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ। তিনি এগিয়ে গেলেন সামনে। কিন্তু ফের বিপত্তি বাধলো। খুতবার বইটা মসজিদে পাওয়া গেলো না। সেটা নাকি ইমাম সাহেবের কাছে থাকে। তাহলে খুতবা কোথায় পাওয়া যায়? এবার খুতবার খোঁজে লেগে গেলেন মাহমুদুল্লাহ ও তামিম ইকবাল। ইন্টারনেট থেকে মোবাইলে আরবী খুতবা ডাউনলোড করলেন। আর মাহমুদুল্লাহ সবার সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে দেখে দেখে আরবী খুতবা পাঠ করলেন। তারপর জুমআ’র নামাজের ইমামতি করলেন তিনি। ওই মসজিদে বাংলাদেশ জাতীয় দলের ক্রিকেটার ছাড়া স্থানীয় ১৫-২০ মুসলিম ছিলেন। কয়েকজন মুসলিম নারীও মাহমুদুল্লাহ’র ইমামতিতে তাদের নির্দিষ্ট স্থানে নামাজ আদায় করেন।