ঢাকা ০৫:৩৯ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর ২০২৬, ২৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে দায়িত্ব হারালেন খাদ্যমন্ত্রীর এপিএস শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুল খালেক পেলেন সিনিয়র সচিবের পদমর্যাদা ‘ফ্যামিলি কার্ড ও বিনামূল্যে শিক্ষার মতো উদ্যোগ নারীদের সম্ভাবনা ও সুযোগ বাড়াচ্ছে’ সৌদি আরবে বাংলাদেশি নাগরিকদের সতর্ক থাকতে বললো দূতাবাস অন্যের প্রশংসার ক্ষেত্রে ইসলামের নির্দেশনা আচরণে যেন ফ্যাসিবাদের কোনো ছাপ না থাকে—নেতাকর্মীদের রিজভী পুলিশের দুই দিনের কঠোর দমনপীড়নের পরও রাহুল-প্রিয়াঙ্কাদের নেতৃত্বে উত্তাল দিল্লি ধর্মের ভিত্তিতে নয়, মানুষ হিসেবে প্রত্যেকের নিরাপত্তা নিশ্চিতের চেষ্টা করব: প্রধানমন্ত্রী এইচএসসির ফল ২৫ থেকে ২৯ অক্টোবরের মধ্যে ন্যাশনালকে ১০ হাজার কোটি টাকা ঋণ দেবে সোনালী ব্যাংক

গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:২০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
  • ৫২ বার

বিশেষজ্ঞরা গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের খাবারের তালিকায় নিয়মিত মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেন। এসময় মায়ের সঙ্গে সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও বৃদ্ধির দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। তাই খাবারের তালিকায় অন্যান্য উপকারী খাবারের পাশপাশি ফলমূল রাখাও জরুরি। মৌসুমী ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো উপকারী?

তরমুজ এবং বাঙ্গির মতো ফলে পানির পরিমাণ পরিমাণ বেশি থাকায় তা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, অন্যদিকে আপেলে ফাইবার থাকে এবং এটি আয়রনের একটি উৎস। পীচ, প্লাম, কিউই এবং লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরকে আয়রন শোষণ করতেও সাহায্য করে। পেয়ারাও ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস।

যেসব নারী পায়ের পেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য কলা উপকারী হতে পারে, অন্যদিকে আমে ভিটামিন এ এবং সি পাওয়া যায়। অ্যাভোকাডো তার ফাইবার এবং ভালো ফ্যাটের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। যারা রেস্টলেস লেগ সিনড্রোমে ভুগছেন তাদের জন্য আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার অনেকটা উপকারী।

তবে ফলের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের জন্য। হবু মাকে সারাদিন ধরে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে। এছাড়াও প্রতিটি খাবারের পর ১০ মিনিটের হাঁটা দারুণ কাজ করে।

আম, তরমুজ, কলা, আঙুর এবং সফেদার মতো চিনি-সমৃদ্ধ ফল রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই আপনার যদি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকে, তবে কী পরিমাণে এই ফলগুলো খাওয়া যাবে সে বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার ফল খাওয়াই সর্বোত্তম।

গর্ভাবস্থায় পেঁপে এবং আনারস নিয়েও অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে এবং গর্ভপাতের ভয়ে অনেক নারীই এই ফলগুলো এড়িয়ে চলেন। পরিবার বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া খাদ্য-সংক্রান্ত পরামর্শ অন্ধভাবে অনুসরণ না করে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খাদ্য গুদাম পরিদর্শনে গিয়ে দায়িত্ব হারালেন খাদ্যমন্ত্রীর এপিএস

গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো বেশি উপকারী

আপডেট টাইম : ১২:২০:৫৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

বিশেষজ্ঞরা গর্ভাবস্থায় হবু মায়ের খাবারের তালিকায় নিয়মিত মৌসুমি ফল রাখার পরামর্শ দেন। এসময় মায়ের সঙ্গে সঙ্গে গর্ভস্থ শিশুর গঠন ও বৃদ্ধির দিকে মনোযোগী হওয়া জরুরি। তাই খাবারের তালিকায় অন্যান্য উপকারী খাবারের পাশপাশি ফলমূল রাখাও জরুরি। মৌসুমী ফল এক্ষেত্রে বেশি উপকারী হতে পারে। চলুন জেনে নেওয়া যাক গর্ভাবস্থায় কোন ফলগুলো উপকারী?

তরমুজ এবং বাঙ্গির মতো ফলে পানির পরিমাণ পরিমাণ বেশি থাকায় তা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে, অন্যদিকে আপেলে ফাইবার থাকে এবং এটি আয়রনের একটি উৎস। পীচ, প্লাম, কিউই এবং লেবুতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরকে আয়রন শোষণ করতেও সাহায্য করে। পেয়ারাও ভিটামিন সি-এর একটি ভালো উৎস।

যেসব নারী পায়ের পেশিতে টান বা ক্র্যাম্পের সমস্যায় ভোগেন, তাদের জন্য কলা উপকারী হতে পারে, অন্যদিকে আমে ভিটামিন এ এবং সি পাওয়া যায়। অ্যাভোকাডো তার ফাইবার এবং ভালো ফ্যাটের জন্য বিশেষভাবে সহায়ক। যারা রেস্টলেস লেগ সিনড্রোমে ভুগছেন তাদের জন্য আয়রন-সমৃদ্ধ খাবার অনেকটা উপকারী।

তবে ফলের পরিমাণও গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে গর্ভকালীন ডায়াবেটিসে আক্রান্ত নারীদের জন্য। হবু মাকে সারাদিন ধরে নিয়মিত রক্তে শর্করার মাত্রা পর্যবেক্ষণ করতে হতে পারে। এছাড়াও প্রতিটি খাবারের পর ১০ মিনিটের হাঁটা দারুণ কাজ করে।

আম, তরমুজ, কলা, আঙুর এবং সফেদার মতো চিনি-সমৃদ্ধ ফল রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে, তাই আপনার যদি গর্ভকালীন ডায়াবেটিস থাকে, তবে কী পরিমাণে এই ফলগুলো খাওয়া যাবে সে বিষয়ে আপনার ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করুন। গর্ভাবস্থায় প্রতিদিন ২ থেকে ৩ বার ফল খাওয়াই সর্বোত্তম।

গর্ভাবস্থায় পেঁপে এবং আনারস নিয়েও অনেক বিভ্রান্তি রয়েছে এবং গর্ভপাতের ভয়ে অনেক নারীই এই ফলগুলো এড়িয়ে চলেন। পরিবার বা সোশ্যাল মিডিয়া থেকে পাওয়া খাদ্য-সংক্রান্ত পরামর্শ অন্ধভাবে অনুসরণ না করে আপনার স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে ব্যক্তিগত খাদ্যাভ্যাস নিয়ে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া ভালো।