এবার আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেত্রী অ্যাডভোকেট মনজিলা সুলতানা ঝুমা।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) দিবাগত রাতে নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক আইডিতে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এ ঘোষণা দেন।
মনজিলা ঝুমা লিখেছেন, ‘এনসিপি প্রাথমিকভাবে যেই ১২৫ আসনে মনোনয়ন দিয়েছিল তার মধ্যে খাগড়াছড়ি ২৯৮নং আসনে শাপলা কলি মার্কা নিয়ে নির্বাচন করতে আমাকে মনোনীত করেছিল। ২৪ তারিখে আমার পক্ষে আমার দলের খাগড়াছড়ি জেলার আহ্বায়ক মনোনয়ন উত্তোলন করেছে। আগামীকাল জমা দেওয়ার লাস্ট ডেট। আজ প্রায় ২ ঘণ্টা আগেই দলের আহ্বায়ক জনাব নাহিদ ইসলামকে আমার সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিয়েছি। আমি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করছি না।’
সবশেষে তিনি লিখেছেন, ‘আমি বিশ্বাস করি তরুণরা সংসদে যাবে, আজ নয়তো কাল।’

এনসিপির দক্ষিণাঞ্চলের সংগঠক হিসেবে দ্বায়িত্ব পালন করছেন মনজিলা ঝুমা। তিনি খাগড়াছড়ি আসন থেকে এনসিপির শাপলা কলি প্রতীকে নির্বাচন করার কথা ছিল। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীসহ আট দলের সঙ্গে হওয়া আসন সমঝোতায় তার নাম উল্লেখ থাকার কথা শোনা যাচ্ছিল।
জামায়াতের সঙ্গে জোটের আলোচনা ওঠার পরপরই প্রতিবাদে গত ২৫ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় যুগ্ম সদস্যসচিব ও নির্বাহী কাউন্সিলের সদস্য মীর আরশাদুল হক পদত্যাগ করেন। তিনি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দলটির মনোনয়ন পেলেও নির্বাচন করবেন না বলে জানান। এরপর গত ২৭ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন সিনিয়র যুগ্ম সদস্যসচিব পদে থাকা ডা. তাসনিম জারা। রোববার দুপুরে পদত্যাগের ঘোষণা দেন তাসনুভা জাবীনও। এদিন সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে এক পোস্টে নওগাঁ-৫ আসনে সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী ও দলের যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিনও নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ানোর ঘোষণা দেন।
প্রসঙ্গত, নানা নাটকীয়তার পর আনুষ্ঠানিকভাবে জামায়াতে ইসলামীসহ সমমনা আটটি দলের নির্বাচনী জোট ও সমঝোতার অংশ হয়েছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। এই জোটে দলটি ৩০ থেকে ৩৫টি আসন পাচ্ছে বলে জানা গেছে। এর মধ্যে রাজধানী ঢাকায় রয়েছে অন্তত পাঁচটি আসন।
Reporter Name 























