ঢাকা ১২:৫৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এখনও ফাঁকা ৩৪ হাজার কোটা, হজ নিবন্ধনের আগামী বৃহস্পতিবার শেষ হচ্ছে গাজী নজরুলের এমপি পদ থাকবে কিনা, যা বললেন স্পিকার বাংলাদেশি সাংবাদিকদের জন্য প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছে ভারত জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রিন্সেস ডায়ানার ভাইয়ের নতুন বই ঘিরে রাজপরিবারে তোলপাড় নদীর বুকে পিলার আছে শুধু, সেতুর নেই দেখা জাতিসংঘে তারেক রহমানের সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় পাটওয়ারীকে গ্রেপ্তারের দাবি যুবদল সভাপতির নারীর ক্ষমতায়ন ও নিরাপত্তা নিশ্চিতে গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার: ইউজিসি সদস্য ড. মামুন

ফজলুর রহমানের বক্তব্য বিকৃতি অভিযোগে সমালোচনার ঝড়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১২১ বার

Oplus_16908288

আইনগত মন্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বাঁকানোর অভিযোগ… 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বক্তা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তাঁর পুরো বক্তব্য না দেখিয়ে ফটোকার্ড ও ছোট ভিডিও ক্লিপ কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে যে আদালতে, সেই আদালতে শেখ হাসিনার বিচার কীভাবে হয়—এটি একটি আইনগত প্রশ্ন।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কিছু দিক নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অতীতে যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযুক্তদের আইনজীবী ছিলেন। সে কারণে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে যে কেউ চাইলে আদালতে রিট করতে পারে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডে তাঁর বক্তব্যকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। ফটোকার্ডে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তিনি আদালতকে সরাসরি অবৈধ বলেছেন বা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন—যা তাঁর পূর্ণ বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেকে বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের কথা বলেও মিথ্যা প্রচারণা চালানো সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

সমালোচকরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সংস্কার ও মিথ্যামুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত বক্তব্য ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বিষয়ে মতামত দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বক্তব্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে সামাজিক আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

খলিলুরের সভাপতিত্বে বাংলাদেশকে তুলে ধরবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ফজলুর রহমানের বক্তব্য বিকৃতি অভিযোগে সমালোচনার ঝড়

আপডেট টাইম : ১২:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

আইনগত মন্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বাঁকানোর অভিযোগ… 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বক্তা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তাঁর পুরো বক্তব্য না দেখিয়ে ফটোকার্ড ও ছোট ভিডিও ক্লিপ কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে যে আদালতে, সেই আদালতে শেখ হাসিনার বিচার কীভাবে হয়—এটি একটি আইনগত প্রশ্ন।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কিছু দিক নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অতীতে যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযুক্তদের আইনজীবী ছিলেন। সে কারণে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে যে কেউ চাইলে আদালতে রিট করতে পারে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডে তাঁর বক্তব্যকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। ফটোকার্ডে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তিনি আদালতকে সরাসরি অবৈধ বলেছেন বা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন—যা তাঁর পূর্ণ বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেকে বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের কথা বলেও মিথ্যা প্রচারণা চালানো সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

সমালোচকরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সংস্কার ও মিথ্যামুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত বক্তব্য ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বিষয়ে মতামত দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বক্তব্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে সামাজিক আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।