আইনগত মন্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বাঁকানোর অভিযোগ…
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বক্তা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তাঁর পুরো বক্তব্য না দেখিয়ে ফটোকার্ড ও ছোট ভিডিও ক্লিপ কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।
ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে যে আদালতে, সেই আদালতে শেখ হাসিনার বিচার কীভাবে হয়—এটি একটি আইনগত প্রশ্ন।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কিছু দিক নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অতীতে যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযুক্তদের আইনজীবী ছিলেন। সে কারণে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে যে কেউ চাইলে আদালতে রিট করতে পারে।
কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডে তাঁর বক্তব্যকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। ফটোকার্ডে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তিনি আদালতকে সরাসরি অবৈধ বলেছেন বা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন—যা তাঁর পূর্ণ বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।
বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেকে বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের কথা বলেও মিথ্যা প্রচারণা চালানো সমাজের জন্য ক্ষতিকর।
সমালোচকরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সংস্কার ও মিথ্যামুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত বক্তব্য ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে।
বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বিষয়ে মতামত দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বক্তব্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে সামাজিক আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।
Reporter Name 
























