ঢাকা ০৬:৫৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

ফজলুর রহমানের বক্তব্য বিকৃতি অভিযোগে সমালোচনার ঝড়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫
  • ১১২ বার

Oplus_16908288

আইনগত মন্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বাঁকানোর অভিযোগ… 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বক্তা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তাঁর পুরো বক্তব্য না দেখিয়ে ফটোকার্ড ও ছোট ভিডিও ক্লিপ কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে যে আদালতে, সেই আদালতে শেখ হাসিনার বিচার কীভাবে হয়—এটি একটি আইনগত প্রশ্ন।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কিছু দিক নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অতীতে যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযুক্তদের আইনজীবী ছিলেন। সে কারণে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে যে কেউ চাইলে আদালতে রিট করতে পারে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডে তাঁর বক্তব্যকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। ফটোকার্ডে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তিনি আদালতকে সরাসরি অবৈধ বলেছেন বা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন—যা তাঁর পূর্ণ বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেকে বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের কথা বলেও মিথ্যা প্রচারণা চালানো সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

সমালোচকরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সংস্কার ও মিথ্যামুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত বক্তব্য ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বিষয়ে মতামত দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বক্তব্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে সামাজিক আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

ফজলুর রহমানের বক্তব্য বিকৃতি অভিযোগে সমালোচনার ঝড়

আপডেট টাইম : ১২:১৮:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ নভেম্বর ২০২৫

আইনগত মন্তব্যকে রাজনৈতিকভাবে বাঁকানোর অভিযোগ… 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন বক্তা চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা এডভোকেট ফজলুর রহমান। তাঁর পুরো বক্তব্য না দেখিয়ে ফটোকার্ড ও ছোট ভিডিও ক্লিপ কেটে বিকৃতভাবে প্রচারের অভিযোগ উঠেছে বিভিন্ন মহলে। এতে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বিভ্রান্তি ছড়ানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন সংশ্লিষ্টরা।

ভিডিওতে ফজলুর রহমান বলেন, “যুদ্ধাপরাধীদের বিচার হয়েছে যে আদালতে, সেই আদালতে শেখ হাসিনার বিচার কীভাবে হয়—এটি একটি আইনগত প্রশ্ন।” তিনি আরও মন্তব্য করেন, বিশেষ ট্রাইব্যুনালের কিছু দিক নিয়ে ‘কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট’ থাকতে পারে। তাঁর দাবি, বর্তমান চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম অতীতে যুদ্ধাপরাধ মামলার অভিযুক্তদের আইনজীবী ছিলেন। সে কারণে নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তৈরি হলে যে কেউ চাইলে আদালতে রিট করতে পারে।

কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত ফটোকার্ডে তাঁর বক্তব্যকে অন্যভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে। ফটোকার্ডে এমনভাবে দেখানো হচ্ছে যেন তিনি আদালতকে সরাসরি অবৈধ বলেছেন বা যুদ্ধাপরাধের বিচারকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছেন—যা তাঁর পূর্ণ বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ নয়।

বক্তব্য বিকৃতি নিয়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়ে অনেকে বলেন, রাজনৈতিক সুবিধা নিতে ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা হচ্ছে। তারা অভিযোগ করেন, ধর্মীয় মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের কথা বলেও মিথ্যা প্রচারণা চালানো সমাজের জন্য ক্ষতিকর।

সমালোচকরা আরও বলেন, ৫ আগস্টের পর দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ সংস্কার ও মিথ্যামুক্ত করার সুযোগ তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ভুয়া ফটোকার্ড ও বিকৃত বক্তব্য ছড়িয়ে সেই সুযোগ নষ্ট করা হচ্ছে।

বিশ্লেষকদের মতে, আইনগত বিষয়ে মতামত দেওয়া স্বাভাবিক হলেও বক্তব্য বিকৃতি ও বিভ্রান্তি ছড়ানো রাজনৈতিক অঙ্গনকে আরও উত্তপ্ত করে তোলে। দায়িত্বশীল আচরণ না থাকলে সামাজিক আস্থাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়।