ঢাকা ০৬:৫৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রাশিয়া-ইউক্রেন উভয়কে ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : ট্রাম্পের ইঙ্গিত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
  • ৬৩ বার

শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাশিয়া-ইউক্রেন উভয়কে কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই ধরনের বক্তব্য এসেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও থেকে। কিন্তু শক্তিধর রাশিয়া সেটি মেনে নেবে কি না তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রচেষ্টায় সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের। সোমবার (১৮ আগস্ট) তাদের সঙ্গে দিনভর বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে যুদ্ধ থামানো যায় তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেন নেতারা।

এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠক করেন ট্রাম্প। রুদ্ধদ্বার সেই বৈঠক নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জেলেনস্কি-পুতিন বৈঠকেরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

কিন্তু পর্দার আড়ালে ঠিক কী আলোচনা হচ্ছে তা কেউ খোলাসা করছেন না। সবাই ভাসাভাসা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে শান্তি আলোচনায় যে উভয়পক্ষকে কিছু ছাড় দিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র তার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে অবশ্যই তার ভূখণ্ডের কিছু অংশ রাশিয়ার কাছে ছেড়ে দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

রোববার পোস্টটিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে অবশ্যই রাশিয়ার কাছে কিছু ভূখণ্ড হারাতে রাজি থাকতে হবে; অন্যথায় যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তারা আরও বেশি ভূমি হারাবে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়কেই শান্তি চুক্তি করার জন্য ছাড় দিতে হবে। দুটি যুদ্ধরত গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি করা সম্ভব নয় যদি না উভয়পক্ষ কিছু ছেড়ে দিতে সম্মত হয়। অন্যথায়, যদি একপক্ষ তাদের যা কিছু চায় তা পায়, তবে তা শান্তি চুক্তি নয়; একে আত্মসমর্পণ বলা হয়।

তিনি বলেন, এটা সহজ নয় এবং হয়তো এটা ন্যায্যও না। কিন্তু যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য এটাই প্রয়োজন। রুবিও গত সপ্তাহে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের সময় উপস্থিত ছিলেন।

রুবিও বলেন, এই লাইনগুলো কেমন হবে তা পুতিন এবং জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করবে। আমেরিকার ভূমিকা হলো দুপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। আমরা সেখানে সাহায্য করার জন্য থাকব।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রাশিয়া-ইউক্রেন উভয়কে ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে : ট্রাম্পের ইঙ্গিত

আপডেট টাইম : ১১:৪৫:১৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

শান্তি প্রতিষ্ঠায় রাশিয়া-ইউক্রেন উভয়কে কিছু ভূখণ্ড ছাড় দিতে হবে, এমন ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই ধরনের বক্তব্য এসেছে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও থেকে। কিন্তু শক্তিধর রাশিয়া সেটি মেনে নেবে কি না তা নিয়েও সংশয় দেখা দিয়েছে।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ থামাতে মরিয়া যুক্তরাষ্ট্র। এ প্রচেষ্টায় সরাসরি যুক্ত করা হয়েছে ইউরোপীয় নেতাদের। সোমবার (১৮ আগস্ট) তাদের সঙ্গে দিনভর বৈঠক করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি। বৈঠকে পশ্চিমা স্বার্থ রক্ষা করে কীভাবে যুদ্ধ থামানো যায় তা নিয়ে বিস্তর আলোচনা করেন নেতারা।

এর আগে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে আলাস্কায় বৈঠক করেন ট্রাম্প। রুদ্ধদ্বার সেই বৈঠক নিয়ে আশাবাদী হয়ে উঠেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। আগামী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে জেলেনস্কি-পুতিন বৈঠকেরও উদ্যোগ নিয়েছেন তিনি।

কিন্তু পর্দার আড়ালে ঠিক কী আলোচনা হচ্ছে তা কেউ খোলাসা করছেন না। সবাই ভাসাভাসা বক্তব্য দিয়ে যাচ্ছেন। তবে শান্তি আলোচনায় যে উভয়পক্ষকে কিছু ছাড় দিতে রাজি করানোর চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র তার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। ডোনাল্ড ট্রাম্প তার ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে একটি পোস্ট করেছেন। সেখানে বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে অবশ্যই তার ভূখণ্ডের কিছু অংশ রাশিয়ার কাছে ছেড়ে দিতে প্রস্তুত থাকতে হবে।

রোববার পোস্টটিতে বলা হয়েছে, ইউক্রেনকে অবশ্যই রাশিয়ার কাছে কিছু ভূখণ্ড হারাতে রাজি থাকতে হবে; অন্যথায় যুদ্ধ যত দীর্ঘ হবে, তারা আরও বেশি ভূমি হারাবে।

ফক্স নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, রাশিয়া এবং ইউক্রেন উভয়কেই শান্তি চুক্তি করার জন্য ছাড় দিতে হবে। দুটি যুদ্ধরত গোষ্ঠীর মধ্যে শান্তি চুক্তি করা সম্ভব নয় যদি না উভয়পক্ষ কিছু ছেড়ে দিতে সম্মত হয়। অন্যথায়, যদি একপক্ষ তাদের যা কিছু চায় তা পায়, তবে তা শান্তি চুক্তি নয়; একে আত্মসমর্পণ বলা হয়।

তিনি বলেন, এটা সহজ নয় এবং হয়তো এটা ন্যায্যও না। কিন্তু যুদ্ধের অবসান ঘটানোর জন্য এটাই প্রয়োজন। রুবিও গত সপ্তাহে ভ্লাদিমির পুতিনের সঙ্গে ট্রাম্পের বৈঠকের সময় উপস্থিত ছিলেন।

রুবিও বলেন, এই লাইনগুলো কেমন হবে তা পুতিন এবং জেলেনস্কির ওপর নির্ভর করবে। আমেরিকার ভূমিকা হলো দুপক্ষের মধ্যে যোগাযোগ নিশ্চিত করা। আমরা সেখানে সাহায্য করার জন্য থাকব।