ঢাকা ১০:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার হাওরে দুর্যোগ : কী হবে বিচার চাহিয়া বন্ধু আর আব্বুকে নিয়ে ব্রাজিলের খেলা দেখতেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এসেছি ৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে

উইন্ডিজ ‘দশে মিলে করল কাজ’, তবু দিনশেষে অস্ট্রেলিয়ারই রাজ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫
  • ৭৬ বার

‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ – ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেন চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে এমন পণ নিয়েই নেমেছিল। ২০৬ রানের বড় পুঁজি পেল বটে, কিন্তু দলের সর্বোচ্চ রান ছিল মোটে ৩১; দশে মিলে রান করেই এই পাহাড় দাঁড় করিয়েছিল দলটা।

যদিও অস্ট্রেলিয়ার সামনে এ পাহাড়ও টিকল না শেষমেশ। ক্যারিবিয়ানে অজিদের ‘রাজ’ চললই। ৪ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখে এই রান তাড়া করে ফেলে সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ওপেনার ব্রেন্ডন কিং করেন ১৮ রান আর শাই হোপ করেন ১০ রান। তবে দুজনই ফিরে যান শাভিয়ের বার্টলেটের বলে। এরপর শারফেন রাদারফোর্ড খেলেন ঝড়ো ইনিংস—মাত্র ১৫ বলে করেন ৩১ রান। সেটাই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের সর্বোচ্চ রান।

কিন্তু এরপর একের পর এক উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে রান ঠিকই উঠেছে ফাঁকে ফাঁকে। তবে এরপরও এক পর্যায়ে ১৫৩ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে বসে দলটা। শেষ দিকে জেসন হোল্ডার (২৬) আর ম্যাথিউ ফোর্ড শেষ দিকে ঝড় তোলেন। দলের রান তাতে ২০০ ছাড়ায়।

জবাবে অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই চাপে পড়ে যায়। অধিনায়ক মিচেল মার্শ প্রথম বলেই আউট হন। এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আর জশ ইংলিস গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ম্যাক্সওয়েল মাত্র ১৮ বলে করেন ৪৭ রান, মারেন ৬টি ছক্কা। ইংলিস করেন ৫১ রান, খেলেন ৩০ বল।

১৩৪ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে আবার চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তখন দলকে রক্ষা করেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনি খেলেন ৩৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস। সঙ্গে ছিলেন আরন হার্ডি (২৩)। দুজনে মিলে গড়েন ৫১ রানের জুটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটা জেতার সুযোগ তৈরি করেছিল। ১৯তম ওভারে রোমারিও শেফার্ড ক্যাচ ফেলেন গ্রিনের। সে ভুলটাই ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় স্বাগতিকদেরকে।

শেষ পর্যন্ত গ্রিন আর শন অ্যাবট ম্যাচটা শেষ করেন। হোল্ডার ও হোসেইন চেষ্টা করলেও থামাতে পারেননি অস্ট্রেলিয়াকে। আবারও ২০০ রান করেও হার মানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

উইন্ডিজ ‘দশে মিলে করল কাজ’, তবু দিনশেষে অস্ট্রেলিয়ারই রাজ

আপডেট টাইম : ১০:৫৪:৫২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

‘দশে মিলে করি কাজ, হারি জিতি নাহি লাজ’ – ওয়েস্ট ইন্ডিজ যেন চতুর্থ টি-টোয়েন্টিতে এমন পণ নিয়েই নেমেছিল। ২০৬ রানের বড় পুঁজি পেল বটে, কিন্তু দলের সর্বোচ্চ রান ছিল মোটে ৩১; দশে মিলে রান করেই এই পাহাড় দাঁড় করিয়েছিল দলটা।

যদিও অস্ট্রেলিয়ার সামনে এ পাহাড়ও টিকল না শেষমেশ। ক্যারিবিয়ানে অজিদের ‘রাজ’ চললই। ৪ বল আর ৩ উইকেট হাতে রেখে এই রান তাড়া করে ফেলে সফরকারীরা।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ শুরু থেকেই ছিল আক্রমণাত্মক। ওপেনার ব্রেন্ডন কিং করেন ১৮ রান আর শাই হোপ করেন ১০ রান। তবে দুজনই ফিরে যান শাভিয়ের বার্টলেটের বলে। এরপর শারফেন রাদারফোর্ড খেলেন ঝড়ো ইনিংস—মাত্র ১৫ বলে করেন ৩১ রান। সেটাই শেষ পর্যন্ত হয়ে রইল ওয়েস্ট ইন্ডিজ ইনিংসের সর্বোচ্চ রান।

কিন্তু এরপর একের পর এক উইকেট হারায় ওয়েস্ট ইন্ডিজ। তবে রান ঠিকই উঠেছে ফাঁকে ফাঁকে। তবে এরপরও এক পর্যায়ে ১৫৩ রানে ৭ উইকেট খুইয়ে বসে দলটা। শেষ দিকে জেসন হোল্ডার (২৬) আর ম্যাথিউ ফোর্ড শেষ দিকে ঝড় তোলেন। দলের রান তাতে ২০০ ছাড়ায়।

জবাবে অস্ট্রেলিয়া শুরুতেই চাপে পড়ে যায়। অধিনায়ক মিচেল মার্শ প্রথম বলেই আউট হন। এরপর গ্লেন ম্যাক্সওয়েল আর জশ ইংলিস গড়েন ৬৬ রানের জুটি। ম্যাক্সওয়েল মাত্র ১৮ বলে করেন ৪৭ রান, মারেন ৬টি ছক্কা। ইংলিস করেন ৫১ রান, খেলেন ৩০ বল।

১৩৪ রানে ৫ উইকেট খুইয়ে আবার চাপে পড়ে যায় অস্ট্রেলিয়া। তখন দলকে রক্ষা করেন ক্যামেরন গ্রিন। তিনি খেলেন ৩৫ বলে ৫৫ রানের ইনিংস। সঙ্গে ছিলেন আরন হার্ডি (২৩)। দুজনে মিলে গড়েন ৫১ রানের জুটি।

ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচটা জেতার সুযোগ তৈরি করেছিল। ১৯তম ওভারে রোমারিও শেফার্ড ক্যাচ ফেলেন গ্রিনের। সে ভুলটাই ম্যাচ থেকে ছিটকে দেয় স্বাগতিকদেরকে।

শেষ পর্যন্ত গ্রিন আর শন অ্যাবট ম্যাচটা শেষ করেন। হোল্ডার ও হোসেইন চেষ্টা করলেও থামাতে পারেননি অস্ট্রেলিয়াকে। আবারও ২০০ রান করেও হার মানে ওয়েস্ট ইন্ডিজ।