ঢাকা ১১:০৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৪ অগাস্ট ২০২৬, ২০ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর অস্তিত্বসংকটে বুড়িগঙ্গা ২০২৪-এর জুলাই গণঅভ্যুত্থান প্রবাস থেকে যত প্রতিরোধ মেঘনার এক ইলিশ বিক্রি হলো ১০ হাজার টাকায় মাওলানা মাহমুদ মাদানী ইসরাইলে অস্ত্র সরবরাহ মানবতা ও ভারতের নৈতিক মর্যাদার জন্য কলঙ্ক অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিল নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে ৫ আগস্ট সংবাদপত্রে ছুটি বাংলাদেশে কারিগরি ও ক্রীড়া শিক্ষায় সহযোগিতার আগ্রহ অস্ট্রেলিয়ার আধুনিক শিক্ষার সঙ্গে মূল্যবোধভিত্তিক শিক্ষার সমন্বয়ে কাজ করবে আর্মি ইন্টারন্যাশনাল ইসলামিক ইনস্টিটিউট : সেনাপ্রধান শেখ হাসিনা যেন ভারতের ভূখণ্ড ব্যবহার করে রাজনৈতিক বক্তব্য দিতে না পারে: দিনেশ ত্রিবেদীকে হুমায়ুন কবির

যেসব খাবার দুর্বল শরীরকে শক্তিশালী করে তুলবে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫
  • ২০৫ বার

দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই তিন বেলা খেয়েও দুর্বলতা অনুভব করেন। চিকিৎসকদের মতে, শুধু পরিমাণে খাওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কী খাচ্ছেন। কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে শরীর দ্রুত শক্তিশালী হতে শুরু করে।

নিচে এমন কিছু খাবারের তালিকা দেওয়া হলো:

সতেজ মৌসুমি ফল ও সবজি:  প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে মৌসুমি ও বিষমুক্ত ফল-সবজি। এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

চর্বিহীন প্রোটিন:  মাছ, চিকেন, ডিম, সয়াবিন, ডাল—এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ হৃদযন্ত্রের জন্যও ভালো।

বাদাম ও বীজ: কাজু, আখরোট, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখী বীজ শরীরে শক্তি বাড়ায়। এগুলো ক্লান্তি দূর করে ও পুষ্টি জোগায়।

শস্যদানা ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট:  ব্রাউন রাইস, ওটস, ডাল, ভুট্টা, ছোলা, মসুর ডাল এসব খাবার শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়। রিফাইন্ড চিনি বা সাদা ময়দা বাদ দিয়ে এগুলো বেছে নেওয়া ভালো। প্রসেসিং ফুড এড়িয়ে চলা: ফাস্টফুড বা প্যাকেটজাত খাবারে পুষ্টি কম, ক্ষতি বেশি। এগুলো শরীরকে দুর্বল ও ভারী করে ফেলে।

পানি: পানি সরাসরি শক্তি না দিলেও শরীরের সমস্ত বিপাকীয় (metabolic) প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চলার জন্য অপরিহার্য। হাইড্রেটেড থাকলে ক্লান্তি কমে, মনোযোগ বাড়ে এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা উন্নত হয়।

কলা: সহজপাচ্য এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট ও ভিটামিন B6। তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য কলা আদর্শ খাবার।

ভিটামিন ও সম্পূরক খাবার: যদি প্রতিদিনের খাবার থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়া যায়, তবে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে মাল্টিভিটামিন বা নির্দিষ্ট ভিটামিন গ্রহণ করতে পারেন। যেমন: ভিটামিন D, B12, আয়রন, জিঙ্ক ও ক্যালসিয়াম সবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শক্তির ভারসাম্য রক্ষায়।

ওটস: এতে রয়েছে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার, যা ধীরে হজম হয় ও দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি দেয়। সকালের নাশতায় দুধ বা ফল মিশিয়ে খেতে পারেন।

এই খাবারগুলো দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীরের দুর্বলতা দ্রুত কমে আসবে এবং কর্মক্ষমতা বাড়বে। নিয়মিত এসব খাবার খেলে ধীরে ধীরে শরীর দুর্বলতা কাটিয়ে চাঙা হয়ে উঠবে। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি ও ঘুম নিশ্চিত করাও জরুরি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বৃহত্তর ময়মনসিংহের উন্নয়নে সমন্বিত উদ্যোগের তাগিদ তথ্য প্রতিমন্ত্রীর

যেসব খাবার দুর্বল শরীরকে শক্তিশালী করে তুলবে

আপডেট টাইম : ১১:৩০:৩৪ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৮ জুন ২০২৫

দৈনন্দিন জীবনে অনেকেই তিন বেলা খেয়েও দুর্বলতা অনুভব করেন। চিকিৎসকদের মতে, শুধু পরিমাণে খাওয়ার চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ হলো কী খাচ্ছেন। কিছু নির্দিষ্ট খাবার আছে যা নিয়মিত খেলে শরীর দ্রুত শক্তিশালী হতে শুরু করে।

নিচে এমন কিছু খাবারের তালিকা দেওয়া হলো:

সতেজ মৌসুমি ফল ও সবজি:  প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় রাখতে হবে মৌসুমি ও বিষমুক্ত ফল-সবজি। এগুলোতে রয়েছে প্রচুর ভিটামিন, মিনারেল ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট।

চর্বিহীন প্রোটিন:  মাছ, চিকেন, ডিম, সয়াবিন, ডাল—এগুলো প্রোটিনের ভালো উৎস। স্যামন বা টুনার মতো ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ মাছ হৃদযন্ত্রের জন্যও ভালো।

বাদাম ও বীজ: কাজু, আখরোট, কুমড়ার বীজ, সূর্যমুখী বীজ শরীরে শক্তি বাড়ায়। এগুলো ক্লান্তি দূর করে ও পুষ্টি জোগায়।

শস্যদানা ও কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট:  ব্রাউন রাইস, ওটস, ডাল, ভুট্টা, ছোলা, মসুর ডাল এসব খাবার শরীরকে দীর্ঘ সময় শক্তি দেয়। রিফাইন্ড চিনি বা সাদা ময়দা বাদ দিয়ে এগুলো বেছে নেওয়া ভালো। প্রসেসিং ফুড এড়িয়ে চলা: ফাস্টফুড বা প্যাকেটজাত খাবারে পুষ্টি কম, ক্ষতি বেশি। এগুলো শরীরকে দুর্বল ও ভারী করে ফেলে।

পানি: পানি সরাসরি শক্তি না দিলেও শরীরের সমস্ত বিপাকীয় (metabolic) প্রক্রিয়া ঠিকভাবে চলার জন্য অপরিহার্য। হাইড্রেটেড থাকলে ক্লান্তি কমে, মনোযোগ বাড়ে এবং শারীরিক কর্মক্ষমতা উন্নত হয়।

কলা: সহজপাচ্য এই ফলটিতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম, কার্বোহাইড্রেট ও ভিটামিন B6। তাৎক্ষণিক শক্তির জন্য কলা আদর্শ খাবার।

ভিটামিন ও সম্পূরক খাবার: যদি প্রতিদিনের খাবার থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়া যায়, তবে পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে মাল্টিভিটামিন বা নির্দিষ্ট ভিটামিন গ্রহণ করতে পারেন। যেমন: ভিটামিন D, B12, আয়রন, জিঙ্ক ও ক্যালসিয়াম সবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে শক্তির ভারসাম্য রক্ষায়।

ওটস: এতে রয়েছে কমপ্লেক্স কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার, যা ধীরে হজম হয় ও দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি দেয়। সকালের নাশতায় দুধ বা ফল মিশিয়ে খেতে পারেন।

এই খাবারগুলো দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় রাখলে শরীরের দুর্বলতা দ্রুত কমে আসবে এবং কর্মক্ষমতা বাড়বে। নিয়মিত এসব খাবার খেলে ধীরে ধীরে শরীর দুর্বলতা কাটিয়ে চাঙা হয়ে উঠবে। সঙ্গে পর্যাপ্ত পানি ও ঘুম নিশ্চিত করাও জরুরি।