ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬, ৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে নীল ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
  • ২৪ বার

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মভিটা সংলগ্ন বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র এখন নীল রঙের ফুলে ভরে উঠেছে। স্মৃতিকেন্দ্রের বিভিন্ন অংশে ফুটে থাকা এসব ফুল দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। অনেকেই এই নীল ফুলকে বেদনার রং হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

স্মৃতিকেন্দ্রের বাগান ও বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে ঘণ্টার মতো ঝুলে থাকা নীল ঘণ্টা ফুলের, যা নীলকণ্ঠী নামেও পরিচিত। পাশাপাশি রোকেয়ার ভাস্কর্যের পাশে ফুটেছে নীলপারুল এবং অফিস ভবনের বাগানে দেখা যাচ্ছে পরিচিত নীল অপরাজিতা। এসব ফুল দর্শনার্থী, গ্রন্থাগারের পাঠক এবং প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে আলাদা এক সৌন্দর্যের আবহ তৈরি করেছে।

বাংলা একাডেমির সহপরিচালক ও স্মৃতিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, নীলপারুল ফুলের অন্য নাম রসুন্দি। গাছটির পাতা ছিঁড়লে রসুনের মতো গন্ধ পাওয়া যায় বলে একে ইংরেজিতে গার্লিক ভাইন বলা হয়। নীলঘণ্টা ফুলটি দক্ষিণ আমেরিকার উদ্ভিদ, যা সারা বছরই ফুটে বাগানকে সজীব রাখে। অন্যদিকে নীল অপরাজিতা গ্রীষ্ম থেকে শরৎকাল পর্যন্ত ফুটে থাকে এবং এর রয়েছে নানা ওষধি গুণ।

এ ছাড়া স্মৃতিকেন্দ্রের পুকুরে ঐতিহাসিক নীলশাপলাও ফুটে থাকতে দেখা গেছে, যা পুরো পরিবেশকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে। বিভিন্ন প্রজাতির নীল ফুল মিলিয়ে স্মৃতিকেন্দ্র এখন প্রকৃতি ও ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রে নীল ফুলের সৌন্দর্যে মুগ্ধ দর্শনার্থীরা

আপডেট টাইম : ১২:৩৪:৫৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৩ মে ২০২৬

রংপুরের মিঠাপুকুর উপজেলার পায়রাবন্দে নারী জাগরণের অগ্রদূত বেগম রোকেয়ার জন্মভিটা সংলগ্ন বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্র এখন নীল রঙের ফুলে ভরে উঠেছে। স্মৃতিকেন্দ্রের বিভিন্ন অংশে ফুটে থাকা এসব ফুল দর্শনার্থীদের বিশেষভাবে আকৃষ্ট করছে। অনেকেই এই নীল ফুলকে বেদনার রং হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন।

স্মৃতিকেন্দ্রের বাগান ও বিভিন্ন স্থানে দেখা মিলছে ঘণ্টার মতো ঝুলে থাকা নীল ঘণ্টা ফুলের, যা নীলকণ্ঠী নামেও পরিচিত। পাশাপাশি রোকেয়ার ভাস্কর্যের পাশে ফুটেছে নীলপারুল এবং অফিস ভবনের বাগানে দেখা যাচ্ছে পরিচিত নীল অপরাজিতা। এসব ফুল দর্শনার্থী, গ্রন্থাগারের পাঠক এবং প্রশিক্ষণার্থীদের মধ্যে আলাদা এক সৌন্দর্যের আবহ তৈরি করেছে।

বাংলা একাডেমির সহপরিচালক ও স্মৃতিকেন্দ্রের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃষিবিদ আবিদ করিম মুন্না জানান, নীলপারুল ফুলের অন্য নাম রসুন্দি। গাছটির পাতা ছিঁড়লে রসুনের মতো গন্ধ পাওয়া যায় বলে একে ইংরেজিতে গার্লিক ভাইন বলা হয়। নীলঘণ্টা ফুলটি দক্ষিণ আমেরিকার উদ্ভিদ, যা সারা বছরই ফুটে বাগানকে সজীব রাখে। অন্যদিকে নীল অপরাজিতা গ্রীষ্ম থেকে শরৎকাল পর্যন্ত ফুটে থাকে এবং এর রয়েছে নানা ওষধি গুণ।

এ ছাড়া স্মৃতিকেন্দ্রের পুকুরে ঐতিহাসিক নীলশাপলাও ফুটে থাকতে দেখা গেছে, যা পুরো পরিবেশকে আরও মনোমুগ্ধকর করে তুলেছে। বিভিন্ন প্রজাতির নীল ফুল মিলিয়ে স্মৃতিকেন্দ্র এখন প্রকৃতি ও ইতিহাসপ্রেমীদের জন্য এক আকর্ষণীয় দর্শনীয় স্থানে পরিণত হয়েছে।