এমনকি কেটে আনা ধান মাড়াই করতে না পারাই সেগুলোতে চারা গজাতে শুরু করেছে। আবার কোথাও কোথাও ধানের ক্ষেত পানিতে তলিয়ে গেছে।
সরেজমিনে অনেক এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কাটা ধান জমির অ্যাইলে পলিথিন দিয়ে মুড়িয়ে রেখেছেন। আবার কেই রাস্তার পাশে তুলেছেন তাদের স্বপ্নের ফসল। ধান শুকনো রাখতে তালপাতা, বস্তার তৈরি চটি বা তারপলিন ব্যবহার করেছেন অনেকে। আবার অনেক কৃষক ধান মাড়াই করেছেন কিন্তু শুকাতে পারছেন না।
ভূক্তভোগী অনেক কৃষক ইদ্রিস আলম জানান, মূলত ওইসব জমিতে আমন ধান কাটার পর সরিষা ও আলুর আবাদ করা হয়েছিল। এ কারণে কিছুটা দেরি হয়েছিল বোরো ধান রোপণ করতে। আবার অনেকে কাটারি ধান রোপণ করেছিল। এই জাতের ধান পাকতে ও কাটতে বেশি সময়ের প্রয়োজন পরে। ফলে অনেক কৃষকই ধান কাটতে ও ঘরে তুলতে পারেনি। আর এদিকে জ্যৈষ্ঠের প্রথম থেকেই টানা বৃষ্টিতে ধান কাটায় বাগড়া পড়ে। পাকা ধান ঘরে তুলতে না পেরে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা।
আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিস জানায়, চলতি মৌসুমে মোট ১২ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে ইরি-বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। গত বছরের তুলনায় চলতি বছরে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় বাম্পার ফলন হয়েছে।
আদমদীঘি উপজেলা কৃষি অফিসার মিঠু চন্দ্র অধিকারী জানান, এ বছর ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দাম বেশি পাওয়ায় সন্তুষ্ট এ অঞ্চলের কৃষকরা। অনেক কৃষকই জমিতে দেরিতে ধান রোপণ করেছেন। এজন্য অনেক জমির ধান এখনো ঘরে উঠেনি।
তিনি আরো বলেন, কয়েকদিন ধরে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া বিরাজ করছে। আবহাওয়া ভালো না হলে চরম ক্ষতির মুখে পড়বেন চাষিরা। এ বছর অতি বৃষ্টির কারণে দেরিতে রোপণ করা ধান কৃষকরা কাটতে পারছেন না। কৃষকদের ধান পাকলে দ্রুত কাটার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলেও জানান এই কৃষি কর্মকর্তা।
Reporter Name 

























