ঢাকা ১২:৪৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিউইয়র্ক সফরে ট্রাম্পের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক হতে পারে: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী ব্যাংকে পুরোনো মালিকদের ফেরার পথ বন্ধ চায় সংসদীয় কমিটি প্রধানমন্ত্রীকে দুই বিষয়ে সতর্ক থাকতে বললেন মির্জা আব্বাস ১১ দলীয় ঐক্যের বিশাল সমাবেশ জনগণের প্রয়োজনে যেকোনো সময় আন্দোলনের ডাক: ডা. শফিকুর রহমান ইতিহাসের সেরা ২ নারী গোয়েন্দা ৮ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতির দায়িত্ব নেবেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী কিছু রাজনৈতিক দল ও ব্যক্তি বিভ্রান্তির মাধ্যমে অরাজকতা সৃষ্টির পাঁয়তারা করছে: প্রধানমন্ত্রী যুদ্ধ-পরবর্তী মধ্যপ্রাচ্য নিয়ে পরিকল্পনা করছে যুক্তরাষ্ট্র, লক্ষ্য কী দক্ষিণখানে অস্ত্র-মাদকসহ কিশোর গ্যাংয়ের ৭ সদস্য গ্রেপ্তার

গাজা সংঘাত: আরও ৩০ ফিলিস্তিনি ও ১০ ইসরাইলি মুক্ত

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩
  • ১৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফিলিস্তিনের গাজার শাসক দল হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন বাড়ার প্রেক্ষাপটে আরও ৩০ বন্দিকে মুক্ত করে দিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে হামাস মুক্ত করে দিয়েছে তাদের হাতে জিম্মি আরও ১০ ইসরাইলিকে। এ ছাড়া দুই বিদেশি নাগরিককেও মুক্ত করে দিয়েছে হামাস।

মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ৩০ নারী ও শিশু। খবর আলজাজিরার।

এ নিয়ে গত শুক্রবার থেকে চলা যুদ্ধ বিরতিতে ১৮০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিল ইসরাইল। অন্যদিকে হামাস মুক্ত করে দিয়েছে অর্ধশতাধিক ইসরাইলিকে। ফিলিস্তিনিরা আশা প্রকাশ করে যে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে।

অধিকৃত পশ্চিমতীরের জেনিনে একটি বড় অভিযানের সময় ইসরাইলি সেনাবাহিনী হাসপাতাল ঘেরাও করেছে এবং মেডিকেল টিমের কাজ অবরুদ্ধ করেছে।

গত ৭ অক্টোবর গাজার সীমান্তসংলগ্ন ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এতে ১২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়। হামলার দিন হামাস ইসরাইল থেকে প্রায় ২৪০ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায়।

হামাসের হামলার পর ওই দিন থেকেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। তাদের অবিরাম হামলায় ১৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন।

টানা হামলার শিকার গাজায় খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় কদিন আগে মিশরের রাফা ক্রসিং দিয়ে কয়েকটি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকেছে ওই উপত্যকায়। এতদিন গাজায় জ্বালানি প্রবেশে ইসরাইলের অনুমতি ছিল না। বিভিন্ন সংস্থা ও আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে সম্প্রতি শুধু হাসপাতাল ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর জন্য জ্বালানির অনুমতি দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে কয়েকটি জ্বালানিবাহী ট্রাক প্রবেশ করে।

ইসরাইলি বাহিনীর টানা ৪৮ দিন হামলার পর কাতারের মধ্যস্থতায় চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায় হামাস ও ইসরাইল।

গত শুক্রবার শুরু হওয়া চার দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল গত সোমবার। পরে কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন বাড়াতে রাজি হয়। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ।

যুদ্ধবিরতির এই সময়ে প্রতিদিন দুই পক্ষ তাদের হাতে বন্দি অনেক জিম্মিকে ছেড়ে দেয়। সর্বশেষ দুই পক্ষে ৪২ জিম্মি মুক্ত হলো।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

‘দেশে যদি তেলই না থাকে, তাহলে লংমার্চের গাড়ি কি তেলে চলে না এমন প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী

গাজা সংঘাত: আরও ৩০ ফিলিস্তিনি ও ১০ ইসরাইলি মুক্ত

আপডেট টাইম : ১০:০৭:৩৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ নভেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ফিলিস্তিনের গাজার শাসক দল হামাসের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন বাড়ার প্রেক্ষাপটে আরও ৩০ বন্দিকে মুক্ত করে দিয়েছে ইসরাইল। অন্যদিকে হামাস মুক্ত করে দিয়েছে তাদের হাতে জিম্মি আরও ১০ ইসরাইলিকে। এ ছাড়া দুই বিদেশি নাগরিককেও মুক্ত করে দিয়েছে হামাস।

মুক্তি পাওয়া ফিলিস্তিনিদের মধ্যে ৩০ নারী ও শিশু। খবর আলজাজিরার।

এ নিয়ে গত শুক্রবার থেকে চলা যুদ্ধ বিরতিতে ১৮০ ফিলিস্তিনি বন্দিকে মুক্তি দিল ইসরাইল। অন্যদিকে হামাস মুক্ত করে দিয়েছে অর্ধশতাধিক ইসরাইলিকে। ফিলিস্তিনিরা আশা প্রকাশ করে যে ইসরাইল-হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও বাড়ানো হবে।

অধিকৃত পশ্চিমতীরের জেনিনে একটি বড় অভিযানের সময় ইসরাইলি সেনাবাহিনী হাসপাতাল ঘেরাও করেছে এবং মেডিকেল টিমের কাজ অবরুদ্ধ করেছে।

গত ৭ অক্টোবর গাজার সীমান্তসংলগ্ন ইসরাইলের দক্ষিণাঞ্চলে নজিরবিহীন হামলা চালায় হামাস। এতে ১২০০ ইসরাইলি নিহত হয়েছে বলে দেশটির কর্তৃপক্ষ জানায়। হামলার দিন হামাস ইসরাইল থেকে প্রায় ২৪০ জনকে বন্দি করে গাজায় নিয়ে যায়।

হামাসের হামলার পর ওই দিন থেকেই ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজায় ব্যাপক হামলা শুরু করে ইসরাইলের সামরিক বাহিনী। তাদের অবিরাম হামলায় ১৫ হাজারের বেশি ফিলিস্তিনি নিহত হন।

টানা হামলার শিকার গাজায় খাবার, পানি, ওষুধ ও জ্বালানির সংকট দেখা দেয়। এ অবস্থায় কদিন আগে মিশরের রাফা ক্রসিং দিয়ে কয়েকটি ত্রাণবাহী ট্রাক ঢুকেছে ওই উপত্যকায়। এতদিন গাজায় জ্বালানি প্রবেশে ইসরাইলের অনুমতি ছিল না। বিভিন্ন সংস্থা ও আন্তর্জাতিক চাপের মধ্যে সম্প্রতি শুধু হাসপাতাল ও বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থাগুলোর জন্য জ্বালানির অনুমতি দেওয়া হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে কয়েকটি জ্বালানিবাহী ট্রাক প্রবেশ করে।

ইসরাইলি বাহিনীর টানা ৪৮ দিন হামলার পর কাতারের মধ্যস্থতায় চার দিনের যুদ্ধবিরতির চুক্তিতে পৌঁছায় হামাস ও ইসরাইল।

গত শুক্রবার শুরু হওয়া চার দিনের যুদ্ধবিরতি শেষ হওয়ার কথা ছিল গত সোমবার। পরে কাতারের মধ্যস্থতায় ইসরাইল ও হামাস যুদ্ধবিরতির মেয়াদ দুই দিন বাড়াতে রাজি হয়। যার মেয়াদ শেষ হচ্ছে আজ।

যুদ্ধবিরতির এই সময়ে প্রতিদিন দুই পক্ষ তাদের হাতে বন্দি অনেক জিম্মিকে ছেড়ে দেয়। সর্বশেষ দুই পক্ষে ৪২ জিম্মি মুক্ত হলো।