ঢাকা ০১:৩৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ এপ্রিল ২০২৬, ৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক বগুড়াকে আধুনিক শিক্ষা নগরী হিসেবে গড়ে তুলতে চান প্রধানমন্ত্রী: শিক্ষামন্ত্রী আগামী বৈশাখ থেকে প্রতি জেলায় হবে গ্রামীণ খেলাধুলা : ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জুন মাসের মধ্যে হেলথ কার্ড দেওয়া হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী বিরোধী দলের ওপর স্বৈরাচারের ভূত আছর করেছে : প্রধানমন্ত্রী মাদক নির্মূলে শিগগিরই শুরু হবে বিশেষ অভিযান : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বৈশাখী সাজে শোবিজ তারকারা জুলাই সনদের প্রত্যেকটি অক্ষর বিএনপি বাস্তবায়ন করবে: প্রধানমন্ত্রী হারিয়ে যাচ্ছে বাঙালির ঐতিহ্যবাহী ‘লাল কাপড়ের মোড়ানো খাতা’ কৃষি ও কৃষকই অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি: তথ্যমন্ত্রী

দিনাজপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩
  • ২০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার জেলায় ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ হয়েছে।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) সরেজমিনে জেলার ১৩টি উপজেলার বিভিন্ন ধানক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেতের ধানই পেকে গেছে। অনেকে আবার আগাম লাগানো ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনাজপুরের পলি অঞ্চলে মূলত আগাম ধান লাগানো হয়। সাধারণত এসব অঞ্চলের মাটিতে বছরে ৪-৫টি ফসল চাষাবাদ করেন কৃষকরা। আমন ধান কাটার পরে এই জমিতে আলু চাষ করা হবে।

কৃষকরা জানান, এবার নানান প্রতিকূলতার মধ্যে আমন ধান লাগাতে হয়েছে। সময়মতো বর্ষার পানি না পাওয়া এবং তেলের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছিলেন তারা। এতে খরচ বেশি হয়েছে। তবে ফলন ভালো হওয়ায় আশায় বুক বাধছেন কৃষকরা।

বিরামপুর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের কৃষক মোতালেব হোসেন বলেন, এবার ধান চাষের সময় বৃষ্টির পানি না পাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ে চারা রোপণ করতে পারিনি। তারপরও ফলন ভালো হয়েছে। ১৯ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। প্রায় জমির ধান পেকে গেছে। দু-একদিনের মধ্যে ধান কাটা-মাড়াই শুরু করবো।

হাকিমপুর উপজেলার সাতনী গ্রামের কৃষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ছয় বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছি। শুরুর দিকে বর্ষার পানি ছিল না। পরে আমন চাষের জন্য যথেষ্ট পানি পেয়েছি। আল্লাহর রহমতে ফসল খুব ভালো হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান বলেন, দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। এখন আগাম লাগানো ধান কাটা-মাড়াই চলছে। জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম ধান চাষাবাদ করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

জনগণের দোরগোড়ায় দ্রুত সেবা পৌঁছে দিতে হবে : ডিএসসিসি প্রশাসক

দিনাজপুরে আমন ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ১২:০৯:৪৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ নভেম্বর ২০২৩

হাওর বার্তা ডেস্কঃ দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছে, এবার জেলায় ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষাবাদ হয়েছে।

সোমবার (১৩ নভেম্বর) সরেজমিনে জেলার ১৩টি উপজেলার বিভিন্ন ধানক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, বেশিরভাগ ক্ষেতের ধানই পেকে গেছে। অনেকে আবার আগাম লাগানো ধান কাটা-মাড়াই শুরু করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, দিনাজপুরের পলি অঞ্চলে মূলত আগাম ধান লাগানো হয়। সাধারণত এসব অঞ্চলের মাটিতে বছরে ৪-৫টি ফসল চাষাবাদ করেন কৃষকরা। আমন ধান কাটার পরে এই জমিতে আলু চাষ করা হবে।

কৃষকরা জানান, এবার নানান প্রতিকূলতার মধ্যে আমন ধান লাগাতে হয়েছে। সময়মতো বর্ষার পানি না পাওয়া এবং তেলের দাম বাড়ায় বিপাকে পড়েছিলেন তারা। এতে খরচ বেশি হয়েছে। তবে ফলন ভালো হওয়ায় আশায় বুক বাধছেন কৃষকরা।

বিরামপুর উপজেলার হাবিবপুর গ্রামের কৃষক মোতালেব হোসেন বলেন, এবার ধান চাষের সময় বৃষ্টির পানি না পাওয়ায় সমস্যায় পড়তে হয়েছিল। নির্দিষ্ট সময়ে চারা রোপণ করতে পারিনি। তারপরও ফলন ভালো হয়েছে। ১৯ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি। প্রায় জমির ধান পেকে গেছে। দু-একদিনের মধ্যে ধান কাটা-মাড়াই শুরু করবো।

হাকিমপুর উপজেলার সাতনী গ্রামের কৃষক তোফাজ্জল হোসেন বলেন, ছয় বিঘা জমিতে আমন ধান চাষ করেছি। শুরুর দিকে বর্ষার পানি ছিল না। পরে আমন চাষের জন্য যথেষ্ট পানি পেয়েছি। আল্লাহর রহমতে ফসল খুব ভালো হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুজ্জামান বলেন, দিনাজপুরে চলতি মৌসুমে ২ লাখ ৬০ হাজার ৮৩৫ হেক্টর জমিতে আমন ধান চাষ করেছেন কৃষকরা। এখন আগাম লাগানো ধান কাটা-মাড়াই চলছে। জেলায় প্রায় ১০ হাজার হেক্টর জমিতে আগাম ধান চাষাবাদ করা হয়েছে।