ঢাকা ১০:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৬, ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ডের আশ্বাস দিয়ে ৬০ বছরের বৃদ্ধাকে ধর্ষণ জ্বালানি সংকট ১৭ বছরের উত্তরাধিকার সূত্রে পাওয়া: তিতুমীর মন্ত্রিসভায় সোমবার ফাইল উঠলে বৃহস্পতিবারই গেজেট ছয় মাসে দেশে কোনো গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যার ঘটনা ঘটেনি : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখ প্রকাশের পর কওমি ছাত্রদের কর্মসূচি প্রত্যাহার বিশ্বের নিকৃষ্টতম অপরাধগুলোর মধ্যে গুম সবচেয়ে ভয়ংকর: প্রধানমন্ত্রী জনগণকে নিয়ে অপরাধ দমনের জন্য পুলিশ কর্মকর্তাদেরকে নির্দেশ আইজিপির জলের বুকে লাল শাপলার নকশিকাঁথা শাড়িকাণ্ডের আরেক মামলায় তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পুলিশ, নারাজি দেবেন বাদী

লাউ চাষ করে দুশ্চিন্তায় কুড়িগ্রামের কৃষকরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:২৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২
  • ২১৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বীজ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুড়িগ্রামে লাউ চাষে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লাউ চাষিরা। এমনকি মূলধন উঠা নিয়েও চিন্তিত তারা।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার সবজি আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু লাউ আছে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে।

লাউ চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাউ জমিতে রোপণ করা থেকে ফলন আসা পর্যন্ত সময় লাগে ৩-৪ মাস। এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে সব মিলে খরচ হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে এক বিঘা জমি থেকে ৬০-৭০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করা যায়। কিন্তু এ বছর সার সংকট, বীজ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে লাউ চাষে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে দুশ্চিন্তার শেষ নেই তাদের।

রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের পাঙ্গা মিরের বাড়ি এলাকার লাউ চাষি মাহাবুব রহমান বলেন, আমি ৩২ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু লাউ ধরে ধরে পচে যাচ্ছে। শুধু আমার এ অবস্থা নয়, এখানকার সব চাষির একই অবস্থা। কোনো ওষুধ দিয়েও রক্ষা করা যাচ্ছে না। এবার লাভ তো দূরের কথা আসলই উঠবে কিনা সন্দেহ আছে।

ওই এলাকার মোস্তফা নামে এক কৃষক বলেন, এ বছর তো সবজি চাষ করে বিপদে পড়ছি। সার পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও ২৫ কেজির ওপরে সার দিচ্ছে না। তাহলে আবাদ কেমন করে করি?

 

তিনি আরও বলেন, এবার লাউ পচে যাচ্ছে। এই সময় ৪০০-৫০০ লাউ কাটা হতো, সেই জায়গায় জমিতে লাউ নেই।
আমরা ধারণা করছি, বীজ অথবা আবহাওয়ার কারণে লাউ পচে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোকজনও আসে না, পরামর্শও দিচ্ছেন না। এক দিকে সার নাই, অন্য দিকে লাউ পচে যাচ্ছে। সব মিলে আমরা এ বছর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে জমিতে লাউ পচে যাচ্ছে। বিষয়টি কেউ আমাদের জানায়নি। তবে অনেক কারণে লাউ পচে যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে। যাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ঢাকার যানজট নিরসনে ৭ নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী

লাউ চাষ করে দুশ্চিন্তায় কুড়িগ্রামের কৃষকরা

আপডেট টাইম : ১১:২৩:১৬ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২২

হাওর বার্তা ডেস্কঃ বীজ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে কুড়িগ্রামে লাউ চাষে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে করে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন জেলার লাউ চাষিরা। এমনকি মূলধন উঠা নিয়েও চিন্তিত তারা।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলায় এ বছর প্রায় ৪ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন প্রকার সবজি আবাদ করা হয়েছে। এর মধ্যে শুধু লাউ আছে প্রায় ২৫০ হেক্টর জমিতে।

লাউ চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, লাউ জমিতে রোপণ করা থেকে ফলন আসা পর্যন্ত সময় লাগে ৩-৪ মাস। এক বিঘা জমিতে লাউ চাষে সব মিলে খরচ হয় ২০-২৫ হাজার টাকা। ভালো ফলন হলে এক বিঘা জমি থেকে ৬০-৭০ হাজার টাকার লাউ বিক্রি করা যায়। কিন্তু এ বছর সার সংকট, বীজ ও বৈরী আবহাওয়ার কারণে লাউ চাষে ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এতে দুশ্চিন্তার শেষ নেই তাদের।

রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের পাঙ্গা মিরের বাড়ি এলাকার লাউ চাষি মাহাবুব রহমান বলেন, আমি ৩২ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছি। ফলন খুব ভালো হয়েছে। কিন্তু লাউ ধরে ধরে পচে যাচ্ছে। শুধু আমার এ অবস্থা নয়, এখানকার সব চাষির একই অবস্থা। কোনো ওষুধ দিয়েও রক্ষা করা যাচ্ছে না। এবার লাভ তো দূরের কথা আসলই উঠবে কিনা সন্দেহ আছে।

ওই এলাকার মোস্তফা নামে এক কৃষক বলেন, এ বছর তো সবজি চাষ করে বিপদে পড়ছি। সার পাওয়া যাচ্ছে না। পাওয়া গেলেও ২৫ কেজির ওপরে সার দিচ্ছে না। তাহলে আবাদ কেমন করে করি?

 

তিনি আরও বলেন, এবার লাউ পচে যাচ্ছে। এই সময় ৪০০-৫০০ লাউ কাটা হতো, সেই জায়গায় জমিতে লাউ নেই।
আমরা ধারণা করছি, বীজ অথবা আবহাওয়ার কারণে লাউ পচে যাচ্ছে। কৃষি বিভাগের লোকজনও আসে না, পরামর্শও দিচ্ছেন না। এক দিকে সার নাই, অন্য দিকে লাউ পচে যাচ্ছে। সব মিলে আমরা এ বছর অনেক ক্ষতিগ্রস্ত হবো।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) বিপ্লব কুমার মোহন্ত বলেন, আপনার মাধ্যমে জানতে পারলাম যে জমিতে লাউ পচে যাচ্ছে। বিষয়টি কেউ আমাদের জানায়নি। তবে অনেক কারণে লাউ পচে যেতে পারে। মাঠ পর্যায়ে গিয়ে তাদের পরামর্শ দেওয়া হবে। যাতে তারা ক্ষতিগ্রস্ত না হয়।