ঢাকা ০৪:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১২:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০১৬
  • ৩৭৫ বার

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা

আপডেট টাইম : ১২:০১:০৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৭ মে ২০১৬

ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র সাঈদ খোকন তার এক বছরের আমলানামা গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে তুলে ধরতে সোমবার সকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারের পাঁচ তারকা (ফাইভ স্টার) হোটেল সোনারগাঁওয়ের বলরুমে সংবাদ সম্মেলন ডাকেন।

সকাল সোয়া ১০টায় সংবাদ সম্মেলন শুরু হওয়ার কথা। বিভিন্ন প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার রিপোর্টারদের অধিকাংশই নির্ধারিত সময়ে অনুষ্ঠানস্থলে হাজির হন।

আধ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও সংবাদ সম্মেলন শুরুর নাম নেই। দু’একজন সিনিয়র সাংবাদিক ডিএসসিসির জনসংযোগ কর্মকর্তা উত্তম কুমারকে ডেকে বিলম্বের কারণ জানতে চান। এ সময় তিনি জানান, মেয়র সাঈদ খোকন সময়ের আগেই উপস্থিত হয়েছেন।

তিনি তার নির্বাচনী প্রচারণার প্রধান সমন্বয়কারী সাবেক খাদ্যমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক ও ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রচার সমন্বয়কারী সাবেক বাণিজ্যমন্ত্রী ফারুক খানের অনুষ্ঠানস্থলে আসার অপেক্ষা করছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে গণমাধ্যম কর্মীরা ছাড়া ডিসিসির বিভিন্ন ওয়ার্ডের কাউন্সিলর, সংরক্ষিত মহিলা আসনের কাউন্সিলর ও পুরান ঢাকার মেয়রের খুব কাছের কিছু পরিচিত লোকজন এসেছেন।

সংবাদ সম্মেলন শুরুতে বিলম্ব দেখে বলরুম থেকে বাইরে বেরিয়ে কেউ বারান্দায় পায়চারী, কেউ ঝর্না ধারার সামনে দাঁড়িয়ে সেলফি ও গ্রুপ ছবি তুলছিলেন। পুরান ঢাকার মধ্যবয়সী দুই ভদ্রলোক কথা বলতে বলতে পূর্বদিকের পার্কিং জোনের দিকে এগিয়ে যান।

ফিরে আসার সময় দু’জনেই প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও, ঢাকা লেখা সাইনবোর্ডের সামনে থমকে দাঁড়ান। তাদের আলোচনার বিষয়বস্তুু গাছে ফুঁটে থাকা লাল, হলুদ, বেগুনি, ম্যাজেন্ডা ও নীলসহ নানা রঙের ফুল। তাদের একজন আরেকজনকে বলছিলেন, ‘দেখছনি মিয়া, ছোড ছোড গাছে কি ছুন্দর ফুল ফুইট্যা রইছে।’

অপরজন উত্তরে বলেন, ‘অহন তো মিয়া ফুল ফুটনেরই ছিজন, দেহনো বাছা (বাসা) বাড়ির ছাদ থাইক্যা ছুরু কইরা রাস্তা ঘাটে অহন কত ফুল ফুইট্যা রয়, দেহনা মিয়া।’

কথা বলতে বলতে সামনে এগিয়ে যাওয়ার সময় একজন ফুলের সামনে নাক বাড়িয়ে অপরজনকে বলেন, ‘কিরে হালা, এইডা না ফাইভ ইস্টার হোডেল, মাগার ফুলে গন্ধ নাই কেলা। এবার দু’জন ফুল হাতে ধরে একসঙ্গে বলে উঠেন, ডজ খাইজি। এইডা তো দেহি পেলাসটিকের (প্লাস্টিক) ফুল। এ সময় নিরাপত্তারক্ষী ওই দু’জনকে হাত দিয়ে ফুল ধরতে নিষেধ করলে তারা দ্রুত হেঁটে সংবাদ সম্মেলন স্থলে ফিরে যান।