ঢাকা ১০:১৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ জুন ২০২৬, ৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী দেশের শীর্ষ ব্যবসায়িদের উপস্থিতিতে যে আশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর বিতর্ক চর্চাকে শিক্ষা কারিকুলামে অন্তর্ভুক্তির বিষয়ে আগ্রহী তথ্যমন্ত্রী বাংলাদেশ কোথায় যাবে, তা অন্য রাষ্ট্র নির্ধারণ করবে না: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা বিশ্ববিদ্যালয় ফটোগ্রাফি প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের সৃজনশীলতায় ভিভো হরমুজ প্রণালি বন্ধে ইরানের ঘোষণার পর সতর্ক মার্কিন বাহিনী হাওরের কৃষকদের সাড়ে ৭ হাজার টাকা সহায়তা দেবে সরকার হাওরে দুর্যোগ : কী হবে বিচার চাহিয়া বন্ধু আর আব্বুকে নিয়ে ব্রাজিলের খেলা দেখতেই বাংলাদেশ থেকে আমেরিকায় এসেছি ৪৫ দিন কলা খেলে কী ঘটে শরীরে

৭৫ বছর বয়সেও পুরুষদের সঙ্গে নিয়মিত মাছ ধরছেন জোহরা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১
  • ২৪১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তিউনিসিয়ার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী জোহরা ট্রাবেলসি। চেহারায় স্পষ্ট বার্ধক্যের ছাপ। এই নারী জেলের জীবনের ৬ দশকই কেটেছে মাছ ধরার পেশায়। এখনও স্বামী-সন্তানের সঙ্গে তিনি প্রতিদিনই সাগরে নামেন। ছোট বেলায় এই পেশায় আসা হয়েছিল বাবার হাত ধরে।

জোহরা পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিন নিয়ম করে ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে মাছ শিকার করেন। জোহরার বয়স যখন ১৬ বছর তখন থেকে সমুদ্রে মাছ ধরছেন। কারণ তার বাবার কোনো ছেলে সন্তান ছিল না। জোহরা এবং তার বোন ছেলের মতো করেই বাবাকে মাছ ধরার সাহায্য করেছেন। বর্তমানে স্বামী, সন্তান সব কিছু নিয়েই এই পেশায় আছেন।

৬ দশক ধরে এই পেশায় আছেন জোহরা

৬ দশক ধরে এই পেশায় আছেন জোহরা

জোহরার ছেলে হাম্মাদি মাজদুব বলেন, এখানে আমার মা একমাত্র নারী জেলে। পুরুষদের সঙ্গে দিব্যি কাজ করে যাচ্ছেন। অনেক সময় বৃষ্টির মধ্যে আমরা আসি না। কিন্তু আমার মা আসেন মাছ ধরতে। কারণ তিনি এই পেশাকে ভালোবাসেন।

শুধু মাছ ধরাই নয়, সেই মাছ বাজারে নিয়ে বিক্রিও করেন ৭ সন্তানের এই জননী। এখন চাইলে অবসরে যেতে পারেন। কিন্তু জোহরা জানান, এই কাজ যে তার কাছে নেশা হয়ে গেছে। তিনি বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি আমি। কিন্তু এই পেশা ছেড়ে অন্য কোথাও টিকতে পারিনি। আবারও ফিরে এসেছি। শরীর যত ভালোই থাক বা খারাপই হোক প্রতিদিন ভোরে কাজে আমাকে আসতেই হয়। আমার সব সুখ, দুঃখ এখানেই।

স্বামী সন্তানদের সঙ্গে প্রতিদিন সমুদ্রে যান মাছ ধরতে

স্বামী সন্তানদের সঙ্গে প্রতিদিন সমুদ্রে যান মাছ ধরতে

মহামারির কারণে তিউনিশয়ার বাজারে মাছের দাম আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তাই পরিবারের স্বচ্ছলতার কথা ভেবে এখনও নিয়ম করে সমুদ্রে মাছ ধরেন এই বৃদ্ধা।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শুধু পাঠ্যবই নয়, খেলাধুলাতেও পারদর্শী হতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

৭৫ বছর বয়সেও পুরুষদের সঙ্গে নিয়মিত মাছ ধরছেন জোহরা

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৪৪ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জুলাই ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তিউনিসিয়ার বাসিন্দা ৭৫ বছর বয়সী জোহরা ট্রাবেলসি। চেহারায় স্পষ্ট বার্ধক্যের ছাপ। এই নারী জেলের জীবনের ৬ দশকই কেটেছে মাছ ধরার পেশায়। এখনও স্বামী-সন্তানের সঙ্গে তিনি প্রতিদিনই সাগরে নামেন। ছোট বেলায় এই পেশায় আসা হয়েছিল বাবার হাত ধরে।

জোহরা পুরুষদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে প্রতিদিন নিয়ম করে ভোর ৪টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত ভূমধ্যসাগরের তিউনিসিয়া উপকূলে মাছ শিকার করেন। জোহরার বয়স যখন ১৬ বছর তখন থেকে সমুদ্রে মাছ ধরছেন। কারণ তার বাবার কোনো ছেলে সন্তান ছিল না। জোহরা এবং তার বোন ছেলের মতো করেই বাবাকে মাছ ধরার সাহায্য করেছেন। বর্তমানে স্বামী, সন্তান সব কিছু নিয়েই এই পেশায় আছেন।

৬ দশক ধরে এই পেশায় আছেন জোহরা

৬ দশক ধরে এই পেশায় আছেন জোহরা

জোহরার ছেলে হাম্মাদি মাজদুব বলেন, এখানে আমার মা একমাত্র নারী জেলে। পুরুষদের সঙ্গে দিব্যি কাজ করে যাচ্ছেন। অনেক সময় বৃষ্টির মধ্যে আমরা আসি না। কিন্তু আমার মা আসেন মাছ ধরতে। কারণ তিনি এই পেশাকে ভালোবাসেন।

শুধু মাছ ধরাই নয়, সেই মাছ বাজারে নিয়ে বিক্রিও করেন ৭ সন্তানের এই জননী। এখন চাইলে অবসরে যেতে পারেন। কিন্তু জোহরা জানান, এই কাজ যে তার কাছে নেশা হয়ে গেছে। তিনি বলেন, অনেক প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছি আমি। কিন্তু এই পেশা ছেড়ে অন্য কোথাও টিকতে পারিনি। আবারও ফিরে এসেছি। শরীর যত ভালোই থাক বা খারাপই হোক প্রতিদিন ভোরে কাজে আমাকে আসতেই হয়। আমার সব সুখ, দুঃখ এখানেই।

স্বামী সন্তানদের সঙ্গে প্রতিদিন সমুদ্রে যান মাছ ধরতে

স্বামী সন্তানদের সঙ্গে প্রতিদিন সমুদ্রে যান মাছ ধরতে

মহামারির কারণে তিউনিশয়ার বাজারে মাছের দাম আগের চেয়ে অনেক কমে গেছে। তাই পরিবারের স্বচ্ছলতার কথা ভেবে এখনও নিয়ম করে সমুদ্রে মাছ ধরেন এই বৃদ্ধা।