ঢাকা ০৩:৩০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

কৃষকদের জমিতে মূত্র ছিটাতে বললেন কিম

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১
  • ২৮৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তীব্র খাদ্য সংকট মোকাবিলায় কৃষকদের জমিতে দুই লিটার করে মূত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত আছে, তাতে আর মাত্র ২ মাস চলবে বলে জানা গেছে। তাই জমির ফসল বৃদ্ধি করতে মাঠে দুই লিটার করে মূত্র ছিটানোর নির্দেশ দেন কিম।

দেশটির খাদ্য সংকট পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, খাদ্য সংকট মোকাবেলায় জমির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয় বলে রেডিও ফ্রি এশিয়া জানিয়েছে। রেডিওটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জমিতে মূত্র দিলে দেশটিতে সার উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। সারের উৎপাদন বাড়ালেই ফসল উৎপাদন বাড়বে। এর ফলে ফলনও বাড়বে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাজধানী পিয়ং ইয়ংয়ে গত কয়েক মাস ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হতে শুরু করেছে। পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় নয়, এমন জিনিসপত্রের দামও বাড়তে শুরু করেছে দেশটির বিভিন্ন জায়গায়। সেখানকার খাদ্য পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক যে, সেখানে এক প্যাকেট কফি ১০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হচ্ছে। ছোট এক প্যাকেট চা পাতা বিক্রি হচ্ছে ৭০ মার্কিন ডলারে। এক কেজি কলার দাম হয়েছে ৪৫ মার্কিন ডলারে।

দেশটির অনেক খাদ্যই বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। খাদ্য সরবরাহের ব্যাপারে চীনের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু পরমাণু প্রকল্পের কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় উত্তর কোরিয়াকে এখন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ ছাড়া করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে ও উত্তর কোরিয়ায় করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিম প্রশাসন। তাই সব মিলিয়ে চাইলেও বাইরে থেকে খাদ্য কিংবা সার আমদানি করতে পারছে না দেশটি।

 

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

কৃষকদের জমিতে মূত্র ছিটাতে বললেন কিম

আপডেট টাইম : ০৭:৩১:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২০ জুন ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ তীব্র খাদ্য সংকট মোকাবিলায় কৃষকদের জমিতে দুই লিটার করে মূত্র দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন উত্তর কোরিয়ার সর্বোচ্চ নেতা কিম জং উন। দেশটিতে বর্তমানে যে পরিমাণ খাদ্য মজুত আছে, তাতে আর মাত্র ২ মাস চলবে বলে জানা গেছে। তাই জমির ফসল বৃদ্ধি করতে মাঠে দুই লিটার করে মূত্র ছিটানোর নির্দেশ দেন কিম।

দেশটির খাদ্য সংকট পরিস্থিতি এতটাই উদ্বেগজনক যে, খাদ্য সংকট মোকাবেলায় জমির উর্বরতা বাড়ানোর জন্য এই নির্দেশ দেওয়া হয় বলে রেডিও ফ্রি এশিয়া জানিয়েছে। রেডিওটির প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জমিতে মূত্র দিলে দেশটিতে সার উৎপাদনের পরিমাণ বাড়ানো যাবে। সারের উৎপাদন বাড়ালেই ফসল উৎপাদন বাড়বে। এর ফলে ফলনও বাড়বে বলে ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।

স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা গেছে, রাজধানী পিয়ং ইয়ংয়ে গত কয়েক মাস ধরে নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হতে শুরু করেছে। পাশাপাশি নিত্য প্রয়োজনীয় নয়, এমন জিনিসপত্রের দামও বাড়তে শুরু করেছে দেশটির বিভিন্ন জায়গায়। সেখানকার খাদ্য পরিস্থিতি এতটাই সংকটজনক যে, সেখানে এক প্যাকেট কফি ১০০ মার্কিন ডলারে বিক্রি হচ্ছে। ছোট এক প্যাকেট চা পাতা বিক্রি হচ্ছে ৭০ মার্কিন ডলারে। এক কেজি কলার দাম হয়েছে ৪৫ মার্কিন ডলারে।

দেশটির অনেক খাদ্যই বাইরে থেকে আমদানি করতে হয়। খাদ্য সরবরাহের ব্যাপারে চীনের ওপর অনেকটাই নির্ভরশীল উত্তর কোরিয়া। কিন্তু পরমাণু প্রকল্পের কারণে আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা জারি থাকায় উত্তর কোরিয়াকে এখন বিভিন্ন সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এ ছাড়া করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সামাল দিতে ও উত্তর কোরিয়ায় করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে রাখার লক্ষ্যে সীমান্ত বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কিম প্রশাসন। তাই সব মিলিয়ে চাইলেও বাইরে থেকে খাদ্য কিংবা সার আমদানি করতে পারছে না দেশটি।