ঢাকা ০৩:০৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১০ অক্টোবর ২০২৬, ২৪ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন মানসিক সমস্যায় আক্রান্ত ব্যক্তিদের প্রতি সহমর্মিতার আহ্বান রাষ্ট্রপতির ক্ষমতার জন্য নয়, রাজনীতি হতে হবে জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য : এলজিআরডি মন্ত্রী ৭ নভেম্বর গ্রাম পুলিশ সমাবেশ, প্রধান অতিথি প্রধানমন্ত্রী মানসিক অসুস্থতাকে ঘিরে ভয়, লজ্জা, কুসংস্কার ও বৈষম্য দূর করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ১১ কর্মকর্তার পদোন্নতি ধর্ম যার যার এই বাংলাদেশ সবার: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসীরা এখন রিকশাচালক হিসেবে হাজির হয়েছে : চিফ হুইপ নিষেধাজ্ঞার মাঝেও চলছে ইলিশ শিকার নতুন বাজেটে প্রবাসী শ্রমিকদের সুখবর দিল মালয়েশিয়া

কাল এবিএম মূসার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১
  • ৩৫১ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলাম লেখক এবিএম মূসার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল। ২০১৪ সালের এদিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ক্লাবের আজীবন সদস্য এবিএম মূসা ১৯৩১ সালে তার নানার বাড়ি ফেনী জেলার ধর্মপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয়। ঐ বছরে তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন।

একাত্তর সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্থান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালিন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় তিনি বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করেন।

স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে এবিএম মূসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে এসে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন।

২০০৪ সালে তিনি কিছুদিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবিএম মূসা জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবার সভাপতি এবং তিনবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এবিএম মূসা একুশে পদকসহ দেশী বিদেশী নানা পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন। জীবনের শেষদিনগুলোতে তিনি একজন দর্শক প্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসাবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে গেছেন। ‘মুজিব ভাই’ তাঁর অন্যতম প্রকাশিত গ্রন্থ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনে’র পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

শূন্য থেকে শিখরে ওঠার গল্প, ‘স্মার্ট উদ্যোক্তা’ ও স্বনির্ভর বাংলাদেশের স্বপ্ন

কাল এবিএম মূসার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী

আপডেট টাইম : ০৯:০৫:৪২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ এপ্রিল ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ প্রখ্যাত সাংবাদিক ও কলাম লেখক এবিএম মূসার ৭ম মৃত্যুবার্ষিকী আগামীকাল। ২০১৪ সালের এদিনে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

জাতীয় প্রেস ক্লাবের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এবং ক্লাবের আজীবন সদস্য এবিএম মূসা ১৯৩১ সালে তার নানার বাড়ি ফেনী জেলার ধর্মপুর গ্রামে জন্ম গ্রহন করেন। তিনি দীর্ঘ ৬৪ বছর ধরে সাংবাদিকতার বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রেখেছেন। ১৯৫০ সালে দৈনিক ইনসাফ থেকে তার সাংবাদিকতার জীবন শুরু হয়। ঐ বছরে তিনি ইংরেজি দৈনিক পাকিস্তান অবজারভারে যোগ দেন।

একাত্তর সাল পর্যন্ত তিনি পাকিস্থান অবজারভারে রিপোর্টার, স্পোর্টস রিপোর্টার, বার্তা সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের সময় তৎকালিন পাকিস্তান সরকার পাকিস্তান অবজারভার বন্ধ করে দিলে তিনি সংবাদে যোগ দেন। ১৯৫৪ সালে তিনি অবজারভারে ফিরে আসেন। ১৯৭১ সালে যুদ্ধের সময় তিনি বিবিসি, সানডে টাইমস প্রভৃতি পত্রিকার সংবাদদাতা হিসাবে রণাঙ্গন থেকে সংবাদ প্রেরণ করেন।

স্বাধীনতার পর তিনি বিটিভির মহাব্যবস্থাপক, মর্নিং নিউজের সম্পাদক হিসাবে দায়িত্ব পালন করেন। তিনি স্বাধীন বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ফেনী-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৭৮ সালে এবিএম মূসা ব্যাংককে অবস্থিত জাতিসংঘের পরিবেশ কার্যক্রমের (এসকাপ) এশিয়া প্যাসেফিক অঞ্চলে আঞ্চলিক পরিচালক পদে যোগ দেন। দেশে ফিরে এসে ১৯৮১ থেকে ১৯৮৫ সাল পর্যন্ত তিনি বাংলাদেশ প্রেস ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক এবং ১৯৮৫ থেকে ১৯৮৭ সাল পর্যন্ত বংলাদেশ সংবাদ সংস্থার মহাব্যবস্থাপক ও প্রধান সম্পাদক ছিলেন।

২০০৪ সালে তিনি কিছুদিন দৈনিক যুগান্তরের সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। এবিএম মূসা জাতীয় প্রেস ক্লাবের চারবার সভাপতি এবং তিনবার সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন। তিনি পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা এবং পূর্ব পাকিস্তান সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। এবিএম মূসা একুশে পদকসহ দেশী বিদেশী নানা পুরস্কারে ভুষিত হয়েছেন। জীবনের শেষদিনগুলোতে তিনি একজন দর্শক প্রিয় আলোচক এবং সংবাদ বিশ্লেষক হিসাবে বিভিন্ন টিভি চ্যানেলের অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করে গেছেন। ‘মুজিব ভাই’ তাঁর অন্যতম প্রকাশিত গ্রন্থ।

মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে ‘এবিএম মূসা-সেতারা মূসা ফাউন্ডেশনে’র পক্ষ থেকে সবার কাছে দোয়া কামনা করা হয়েছে।