ঢাকা ০৩:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৮:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১
  • ৩০৬ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ব্রিটিশ রাজপরিবারে বর্ণবৈষম্যের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী মেগান মার্কেল। তার গায়ের রঙ কালো হওয়ার কারণে সন্তানের গায়ের রঙ কেমন হবে তা নিয়ে রাজপ্রাসাদে আলোচনা চলতো বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি।

রবিবার রাতে সিবিএস চ্যানেলে সম্প্রচারিত জনপ্রিয় মার্কিন সঞ্চালক অপরাহ উইনফ্রেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন অভিযোগ করেন মেগান। খবর রয়টার্সের
মেগানের দাবি, তিনি তখন গর্ভবতী। সেই সময় তার স্বামী প্রিন্স হ্যারিকে ডেকে বলা হয়েছিল, ‘যদি তাদের ছেলের গায়ের রং কালো হয়, তাহলে তাকে রাজকুমার বলে মেনে নেওয়া হবে না’।

বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে এর আগে সরব হয়েছেন বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। কিন্তু ব্রিটেনের রাজপরিবারের অন্দরে গায়ের রঙ নিয়ে এমন অভিযোগে অবাক বিশ্ব।

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে এখন সাধারণ জীবনযাপন করছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কল।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের পুত্রবধূ হওয়ার খারাপ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষ্ণাঙ্গ মা আর শ্বেতাঙ্গ বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেগান জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই অসহায়তাবোধ এবং হতাশা ক্রমেই গ্রাস করেছিল তাকে, সেইসময় আত্মহত্যার চিন্তাও মাথায় এসেছিল তার। বারবার সাহায্য চেয়েও যখন কাউকে পাশে পাননি, তখন নিজের ক্ষতি করার কথা ভাবতে শুরু করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ চেয়ে বাকিংহাম প্যালেসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তবে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছিল এটি সম্ভব নয়। কারণ এতে রাজ পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হতে পারে।

‘দ্য ক্রাউন’ টিভি সিরিজ খ্যাত মেগান বলেন, ‘আমি লজ্জিত ছিলাম হ্যারির কাছেও এই স্বীকারোক্তি করবার জন্য। কিন্তু আমি জানতাম যদিও আমি এই কথা না জানাই তাহলে সত্যি আমি আত্মহত্যা করে বসব। আমি সত্যি সেইসময় আর বাঁচতে চায়নি’।

তিনি জানান, এই যাবতীয় সমস্যার সমাধানের জন্য রাজপরিবারের অন্যতম প্রবীণ এবং ক্ষমতাশালী মানুষের কাছেও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তিনিও মেগানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেননি।

শীঘ্রই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন মেগান। তাদের দ্বিতীয় সন্তান মেয়ে, সেকথাও এই অনুষ্ঠানে এসে জানিয়েছেন মেগান-হ্যারি। রাজপরিবারের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরেই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে এই দম্পতির। বিস্ফোরক এই সাক্ষাৎকারের পর সেই সম্পর্ক আরও তিক্ত হবে তা বলাই বাহুল্য।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

আপডেট টাইম : ০৮:২১:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ব্রিটিশ রাজপরিবারে বর্ণবৈষম্যের ভয়াবহ অভিযোগ তুলেছেন প্রিন্স হ্যারির স্ত্রী মেগান মার্কেল। তার গায়ের রঙ কালো হওয়ার কারণে সন্তানের গায়ের রঙ কেমন হবে তা নিয়ে রাজপ্রাসাদে আলোচনা চলতো বলে চাঞ্চল্যকর দাবি করেছেন তিনি।

রবিবার রাতে সিবিএস চ্যানেলে সম্প্রচারিত জনপ্রিয় মার্কিন সঞ্চালক অপরাহ উইনফ্রেকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন অভিযোগ করেন মেগান। খবর রয়টার্সের
মেগানের দাবি, তিনি তখন গর্ভবতী। সেই সময় তার স্বামী প্রিন্স হ্যারিকে ডেকে বলা হয়েছিল, ‘যদি তাদের ছেলের গায়ের রং কালো হয়, তাহলে তাকে রাজকুমার বলে মেনে নেওয়া হবে না’।

বর্ণবিদ্বেষ নিয়ে এর আগে সরব হয়েছেন বহু বিখ্যাত ব্যক্তিত্ব। কিন্তু ব্রিটেনের রাজপরিবারের অন্দরে গায়ের রঙ নিয়ে এমন অভিযোগে অবাক বিশ্ব।

রাজকীয় দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি নিয়ে এখন সাধারণ জীবনযাপন করছেন প্রিন্স হ্যারি ও মেগান মার্কল।

ব্রিটিশ রাজপরিবারের পুত্রবধূ হওয়ার খারাপ অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে ক্যালিফোর্নিয়ার কৃষ্ণাঙ্গ মা আর শ্বেতাঙ্গ বাবার ঘরে জন্ম নেওয়া মেগান জানান, বিয়ের কিছুদিন পর থেকেই অসহায়তাবোধ এবং হতাশা ক্রমেই গ্রাস করেছিল তাকে, সেইসময় আত্মহত্যার চিন্তাও মাথায় এসেছিল তার। বারবার সাহায্য চেয়েও যখন কাউকে পাশে পাননি, তখন নিজের ক্ষতি করার কথা ভাবতে শুরু করেন। চিকিৎসকের পরামর্শ চেয়ে বাকিংহাম প্যালেসের দ্বারস্থ হয়েছিলেন, তবে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছিল এটি সম্ভব নয়। কারণ এতে রাজ পরিবারের সম্মান ক্ষুণ্ন হতে পারে।

‘দ্য ক্রাউন’ টিভি সিরিজ খ্যাত মেগান বলেন, ‘আমি লজ্জিত ছিলাম হ্যারির কাছেও এই স্বীকারোক্তি করবার জন্য। কিন্তু আমি জানতাম যদিও আমি এই কথা না জানাই তাহলে সত্যি আমি আত্মহত্যা করে বসব। আমি সত্যি সেইসময় আর বাঁচতে চায়নি’।

তিনি জানান, এই যাবতীয় সমস্যার সমাধানের জন্য রাজপরিবারের অন্যতম প্রবীণ এবং ক্ষমতাশালী মানুষের কাছেও গিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু তিনিও মেগানের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেননি।

শীঘ্রই দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিতে চলেছেন মেগান। তাদের দ্বিতীয় সন্তান মেয়ে, সেকথাও এই অনুষ্ঠানে এসে জানিয়েছেন মেগান-হ্যারি। রাজপরিবারের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরেই সম্পর্ক তলানিতে ঠেকেছে এই দম্পতির। বিস্ফোরক এই সাক্ষাৎকারের পর সেই সম্পর্ক আরও তিক্ত হবে তা বলাই বাহুল্য।