ঢাকা ০৪:৫৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৬ জুন ২০২৬, ২ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ তালবাহানায় আটকে গভর্নিং বডি নির্বাচন, প্রশ্নের মুখে আইডিয়াল কর্তৃপক্ষ অবহেলায় অনেক স্কুলের অবকাঠামোর বেহাল দশা: জুবাইদা রহমান গ্লোবাল পিস ইনডেক্স ২০২৬ দক্ষিণ এশিয়ায় চতুর্থ শান্তিপূর্ণ দেশ বাংলাদেশ ক্রমান্বয়ে স্বতন্ত্র এবতেদায়ী মাদ্রাসা এমপিওভুক্ত করা হবে পুরস্কারের গাড়ি মাকে উপহার দেবেন তাওহীদ হৃদয় ইসলামী ব্যাংকে নতুন প্রশাসক নিয়োগ জিয়াউর রহমানের জীবন ও দর্শন নিয়ে গবেষণার আহ্বান ফখরুলের পাখির চোখে সীমান্ত পাহারার ছক, কঠোর নজরদারি বাড়াচ্ছে সরকার বেনজীরের গ্রেপ্তারের খবরে আনন্দিত পরীমণি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৬:১৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১
  • ২৭১ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ বহুল আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন একের পর এক অভিযান পরিচালনা করে আলোচনায় ছিলেন তিনি। করোনাকালীন সময়েও তিনি তার কাজ থেকে পিছপা হননি। এবার সেই আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের আক্ষেপ ঝরল ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
সোমবার (৮ মার্চ) রাত ১২টা ১০ মিনিটে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের চাকরি জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
স্টাটাসে তিনি লেখেন, ‘চাকরি জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশির ভাগই চাকরি জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন। এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়!’
এর আগে গত বছরের রমজান মাসে বেশ কয়েকটি ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে নিয়মিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সারোয়ার। এসব আলোচনার মধ্যেই গত বছরের নভেম্বরের দিকে তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি এখানেই কর্মরত আছেন।
সারোয়ার আলম প্রথম আলোচনায় আসেন ২০১৪ সালে। ফার্মগেটে ওভার ব্রিজ বাদ দিয়ে যারা সড়কে রাস্তা পারাপার হচ্ছিলেন তাদের নামমাত্র জরিমানা করে সচেতন করেছিলেন তিনি। তার আলোচিত অভিযানের মধ্যে অন্যতম ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ফকিরাপুলে ক্যাসিনোতে অভিযান।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাব, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অভিযান চালান তিনি। এ সময় ১৪২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। উদ্ধার করা হয় ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত অবৈধ ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।
এরপর গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর নিকেতনে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযানে যায় র‌্যাব। সেখানেও ছিলেন সারোয়ার আলম। অভিযানে তার কার্যালয়ে তল্লাশি করে অবৈধভাবে উপার্জিত নগদ এক কোটি ৮০ লাখ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, বিদেশি ডলার, মদ ও অস্ত্র উদ্ধার করেন তিনি।
২০১৮ এবং ২০১৯ সালে হাসপাতালে অভিযান চালান সারোয়ার আলম। মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট (রাসায়নিক উপাদান) ব্যবহার ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে বেশ কয়েকটি বড় বড় হাসপাতালে অভিযান চালান তিনি। এর মধ্যে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতাল, শমরিতা হাসপাতাল ও বাংলাদেশ স্পাইন হাসপাতালকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
নানা অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালকেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন তিনি।
সারোয়ার আলমের এমন সাফল্যের জন্য ২০১৯ সালের ১২ মে তার মাকে ‘গর্বিণী মা’ পদক পরিয়ে দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ইটনায় বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত ব্র্যাক সদস্যদের মাঝে হাঁসের বাচ্চা ও সবজি বীজ বিতরণ

আপডেট টাইম : ০৬:১৮:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ মার্চ ২০২১
হাওর বার্তা ডেস্কঃ বহুল আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সরোয়ার আলম। র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট থাকাকালীন একের পর এক অভিযান পরিচালনা করে আলোচনায় ছিলেন তিনি। করোনাকালীন সময়েও তিনি তার কাজ থেকে পিছপা হননি। এবার সেই আলোচিত ম্যাজিস্ট্রেট সারোয়ার আলমের আক্ষেপ ঝরল ফেসবুক স্ট্যাটাসে।
সোমবার (৮ মার্চ) রাত ১২টা ১০ মিনিটে নিজের ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে নিজের চাকরি জীবনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন।
স্টাটাসে তিনি লেখেন, ‘চাকরি জীবনে যেসব কর্মকর্তা-কর্মচারী অন্যায়, অনিয়মের বিরুদ্ধে লড়েছেন তাদের বেশির ভাগই চাকরি জীবনে পদে পদে বঞ্চিত ও নিগৃহীত হয়েছেন। এ দেশে অন্যায়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নেয়াটাই অন্যায়!’
এর আগে গত বছরের রমজান মাসে বেশ কয়েকটি ভেজালবিরোধী অভিযান পরিচালনা করে নিয়মিত আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে ছিলেন সারোয়ার। এসব আলোচনার মধ্যেই গত বছরের নভেম্বরের দিকে তাকে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব হিসেবে বদলি করা হয়। বর্তমানে তিনি এখানেই কর্মরত আছেন।
সারোয়ার আলম প্রথম আলোচনায় আসেন ২০১৪ সালে। ফার্মগেটে ওভার ব্রিজ বাদ দিয়ে যারা সড়কে রাস্তা পারাপার হচ্ছিলেন তাদের নামমাত্র জরিমানা করে সচেতন করেছিলেন তিনি। তার আলোচিত অভিযানের মধ্যে অন্যতম ছিল ২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ফকিরাপুলে ক্যাসিনোতে অভিযান।
গত বছরের ১৮ সেপ্টেম্বর ফকিরাপুলের ইয়ংমেনস ক্লাব, ওয়ান্ডারার্স ক্লাব, মুক্তিযোদ্ধা সংসদে অভিযান চালান তিনি। এ সময় ১৪২ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেন। উদ্ধার করা হয় ক্যাসিনো থেকে উপার্জিত অবৈধ ২৪ লাখ ২৯ হাজার টাকা।
এরপর গত বছরের ২১ সেপ্টেম্বর নিকেতনে যুবলীগ নেতা জি কে শামীমের অফিসে অভিযানে যায় র‌্যাব। সেখানেও ছিলেন সারোয়ার আলম। অভিযানে তার কার্যালয়ে তল্লাশি করে অবৈধভাবে উপার্জিত নগদ এক কোটি ৮০ লাখ, ২০০ কোটি টাকার এফডিআর, বিদেশি ডলার, মদ ও অস্ত্র উদ্ধার করেন তিনি।
২০১৮ এবং ২০১৯ সালে হাসপাতালে অভিযান চালান সারোয়ার আলম। মেয়াদোত্তীর্ণ রিএজেন্ট (রাসায়নিক উপাদান) ব্যবহার ও অনুমোদনহীন ওষুধ বিক্রির অভিযোগে বেশ কয়েকটি বড় বড় হাসপাতালে অভিযান চালান তিনি। এর মধ্যে পান্থপথের বিআরবি হাসপাতাল, শমরিতা হাসপাতাল ও বাংলাদেশ স্পাইন হাসপাতালকে ১৮ লাখ টাকা জরিমানা করেন।
নানা অনিয়মের অভিযোগে চট্টগ্রামের ম্যাক্স হাসপাতালকেও ১০ লাখ টাকা জরিমানা করেন তিনি।
সারোয়ার আলমের এমন সাফল্যের জন্য ২০১৯ সালের ১২ মে তার মাকে ‘গর্বিণী মা’ পদক পরিয়ে দেন জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী।