ঢাকা ০৬:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন ২০২৬, ৪ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড দারুণ ফিচার চালু করছে হোয়াটসঅ্যাপ ইরানের সঙ্গে যুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের হারের নেপথ্যে শরীরে নেই পোশাক, ব্রাজিলীয় সুন্দরীর কান্ড মামলার কারণে শিক্ষক নিয়োগ ও পদোন্নতি আটকে আছে : শিক্ষামন্ত্রী যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তির কারণে বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী হবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী শিশু আয়াতকে হত্যার পর মরদেহ ৬ টুকরো : আসামি আবীরের মৃত্যুদণ্ড সংসদে ‘অঙ্গুলিনির্দেশ’ এক্সপাঞ্জের দাবি হিলালীর, স্পিকার বললেন—‘করা যাবে না’ হাসপাতালে হঠাৎ স্বাস্থ্যমন্ত্রী, অপরিষ্কার পরিবেশ দেখে ক্ষোভ বাজেট-জনবল সংকটের অজুহাতে নাগরিক সেবা ব্যাহত করা যাবে না

এশিয়া কাপ হচ্ছে না বাংলাদেশে

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৫:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০
  • ২৯৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে ২০২০ এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানে। তবে নিরাপত্তার অজুহাতে শুরু থেকেই সেদেশে যাওয়ার বিপক্ষে ছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত ভারতের জেদের কাছে হার মানছে পাকিস্তান। বাংলাদেশে হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শোনা যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ আয়োজনের ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান।

ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্বে এর আগের আসরও দুই দেশের কোনো দেশে হয়নি। সেবার ভারতে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল। তবে বিসিসিআই ও পিসিবি দ্বন্দ্বে জেরে শেষ পর্যন্ত আসর আয়োজনের দায়িত্ব পায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। পিসিবির বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী এবারো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজ ডট কম।

এর আগে ভারত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে না এলে পরের বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের হুমকি দিয়েছিল পিসিবি। যদিও পরবর্তীতে সে অবস্থান থেকে সরে আসে তারা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এশিয়া কাপ নিজেদের দেশে আয়োজন করতে না পারলে স্বাগতিক দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষেই ভোট দেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

এমন কিছু হলে টানা দ্বিতীয়বারের মত সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ আয়োজিত হবে। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও চলতি মাসে অনুষ্ঠিতব্য এসিসির সভায় আয়োজক দেশের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে বলে জানা গেছে।

এমন গুঞ্জনে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ আয়োজনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। এশিয়া কাপের গত আসরের আগে টানা তিনটি আসর (১১তম, ১২তম ও ১৩তম) সফলতার সঙ্গে আয়োজন করে বাংলাদেশ। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে রাজি হওয়ায় অনেকেই ভেবেছিলেন ১৫তম আসরে শেষপর্যন্ত পাকিস্তান স্বাগতিক দলের ভূমিকায় না থাকলে বাংলাদেশকেই দায়িত্ব দেয়া হবে। তবে এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকেই সম্ভাবনার পাল্লা বেশি ঝুঁকে পড়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশ্বকাপে দর্শক উপস্থিতির নতুন রেকর্ড

এশিয়া কাপ হচ্ছে না বাংলাদেশে

আপডেট টাইম : ০৫:৪৩:১৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ ফেব্রুয়ারী ২০২০

হাওর বার্তা ডেস্কঃ পূর্বনির্ধারিত সূচি অনুসারে ২০২০ এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল পাকিস্তানে। তবে নিরাপত্তার অজুহাতে শুরু থেকেই সেদেশে যাওয়ার বিপক্ষে ছিল ভারত। শেষ পর্যন্ত ভারতের জেদের কাছে হার মানছে পাকিস্তান। বাংলাদেশে হওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শোনা যাচ্ছে সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ আয়োজনের ব্যাপারে ইচ্ছা প্রকাশ করেছে পাকিস্তান।

ভারত-পাকিস্তানের দ্বন্দ্বে এর আগের আসরও দুই দেশের কোনো দেশে হয়নি। সেবার ভারতে এশিয়া কাপ হওয়ার কথা ছিল। তবে বিসিসিআই ও পিসিবি দ্বন্দ্বে জেরে শেষ পর্যন্ত আসর আয়োজনের দায়িত্ব পায় সংযুক্ত আরব আমিরাত। পিসিবির বর্তমান অবস্থান অনুযায়ী এবারো একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটতে চলেছে বলে জানিয়েছে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাউ নিউজ ডট কম।

এর আগে ভারত এশিয়া কাপ খেলতে পাকিস্তানে না এলে পরের বছর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ বর্জনের হুমকি দিয়েছিল পিসিবি। যদিও পরবর্তীতে সে অবস্থান থেকে সরে আসে তারা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, এশিয়া কাপ নিজেদের দেশে আয়োজন করতে না পারলে স্বাগতিক দেশ হিসেবে সংযুক্ত আরব আমিরাতের পক্ষেই ভোট দেবে পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড।

এমন কিছু হলে টানা দ্বিতীয়বারের মত সংযুক্ত আরব আমিরাতে এশিয়া কাপ আয়োজিত হবে। এখনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও চলতি মাসে অনুষ্ঠিতব্য এসিসির সভায় আয়োজক দেশের বিষয়ে চূড়ান্ত ঘোষণা আসবে বলে জানা গেছে।

এমন গুঞ্জনে বাংলাদেশের এশিয়া কাপ আয়োজনের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে গেছে। এশিয়া কাপের গত আসরের আগে টানা তিনটি আসর (১১তম, ১২তম ও ১৩তম) সফলতার সঙ্গে আয়োজন করে বাংলাদেশ। সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে রাজি হওয়ায় অনেকেই ভেবেছিলেন ১৫তম আসরে শেষপর্যন্ত পাকিস্তান স্বাগতিক দলের ভূমিকায় না থাকলে বাংলাদেশকেই দায়িত্ব দেয়া হবে। তবে এখন সংযুক্ত আরব আমিরাতের দিকেই সম্ভাবনার পাল্লা বেশি ঝুঁকে পড়েছে।