ঢাকা ১০:১৫ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি ভূমিকম্প মোকাবেলায় রাজধানীর ৪৪৫টি নিরাপদ আশ্রয়স্থল চিহ্নিত: ত্রাণমন্ত্রী এক বছরে ওরাকলের ১৩ শতাংশ কর্মী ছাঁটাই সাঁথিয়ায় বুদ্ধিপ্রতিবন্ধী কিশোরীকে ধর্ষণ, অভিযুক্ত গ্রেপ্তার ওই ব্যক্তি আমার স্বামী না: চিত্রনায়িকা ববি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর রিজার্ভে চাপ বাড়ছে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে তারেক রহমানের সৌজন্য সাক্ষাৎ মেসি সবসময়ই গোল করবে, আমি শুধু আমার দলকে জেতাতে চাই : কিলিয়ান এমবাপ্পে রাষ্ট্রীয় নিয়োগে ব্যক্তির মেধা, সততা, দেশপ্রেম ও কর্মনিষ্ঠা গুরুত্বপূর্ণ: অ্যাটর্নি জেনারেল তথ্য উপদেষ্টাকে দিল্লিতে বাধা দেওয়ার বিষয়ে মুখ খুলল ভারত

পাকুন্দিয়া উপজেলার বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন না ইউএনও

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৯:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯
  • ৩০৭ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আকস্মিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করতে  গিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর দেখা   মিলনা কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মো. নাহিদ হাসান।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) উপজেলার চরপাকুন্দিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখেন ইউএনও। পরে মুঠোফোনে ডেকে আনা হয় শিক্ষকদের। এ ঘটনায় তিনি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ইউএনও ১০১ নং চরপাকুন্দিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান কোনো শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নেই। শূন্য বিদ্যালয়। পরে ১০টার দিকে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমানকে মুঠোফোনে বিদ্যালয়ে আসতে বললে তিনি সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী ও আসাদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন।

বিদ্যালয়ের এমন চিত্র দেখতে পেয়ে বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির সহকারী শিক্ষক মো. ইনতাজ উদ্দিনকে খবর দিলে তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। ইনতাজ উদ্দিন মুঠোফোনে অপর শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আসতে বললে কিছুক্ষণ পর তারা বিদ্যালয়ে এসে উপস্থিত হন। পরে ৪-৫ জন শিক্ষার্থীও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও বেতনভাতা স্থগিতসহ সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠানো হয়েছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

তিস্তার পানি বিপৎসীমার ওপরে, ৪ হাজার পরিবার পানিবন্দি

পাকুন্দিয়া উপজেলার বিদ্যালয়ে গিয়ে শিক্ষক-শিক্ষার্থী পেলেন না ইউএনও

আপডেট টাইম : ০৯:৫৫:৩৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৮ নভেম্বর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আকস্মিক প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরিদর্শন করতে  গিয়ে বিদ্যালয়ের শিক্ষক বা শিক্ষার্থীর দেখা   মিলনা কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) মো. নাহিদ হাসান।

সোমবার (২৫ নভেম্বর) উপজেলার চরপাকুন্দিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে এমন চিত্র দেখেন ইউএনও। পরে মুঠোফোনে ডেকে আনা হয় শিক্ষকদের। এ ঘটনায় তিনি শিক্ষকদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন।

জানা যায়, সোমবার সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ইউএনও ১০১ নং চরপাকুন্দিয়া পশ্চিমপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় পরিদর্শনে যান। সেখানে গিয়ে দেখতে পান কোনো শিক্ষক ও শিক্ষার্থী নেই। শূন্য বিদ্যালয়। পরে ১০টার দিকে উপজেলা ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমানকে মুঠোফোনে বিদ্যালয়ে আসতে বললে তিনি সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা মো. নূরে আলম সিদ্দিকী ও আসাদুজ্জামানকে সঙ্গে নিয়ে বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন।

বিদ্যালয়ের এমন চিত্র দেখতে পেয়ে বিদ্যালয়ের পাশের বাড়ির সহকারী শিক্ষক মো. ইনতাজ উদ্দিনকে খবর দিলে তিনি বিদ্যালয়ে উপস্থিত হন। ইনতাজ উদ্দিন মুঠোফোনে অপর শিক্ষকদের বিদ্যালয়ে আসতে বললে কিছুক্ষণ পর তারা বিদ্যালয়ে এসে উপস্থিত হন। পরে ৪-৫ জন শিক্ষার্থীও বিদ্যালয়ে উপস্থিত হয়।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. নাহিদ হাসান জানান, তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা ও বেতনভাতা স্থগিতসহ সাময়িক বরখাস্ত করার জন্য উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উপজেলার ভারপ্রাপ্ত প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনিসুর রহমান বলেন, তাদের বিরুদ্ধে একটি প্রতিবেদন তৈরি করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য জেলা শিক্ষা অফিসারের নিকট পাঠানো হয়েছে।