ঢাকা ০২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ৭ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মৌসুমী যে কারণে হেরে গেল

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১০:১৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯
  • ৩৬৫ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অনেক আশা জাগিয়েও ইতিহাস করতে পারলেন না প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। গতকাল (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নারী সভাপতি হিসেবে ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছেন এই নায়িকা।

ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরও বারবার এসেছে মৌসুমী এগিয়ে আছেন। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় জানা গেল ১০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর।

ভক্ত-দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে মৌসুমী থাকলেও ২২৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর। মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট।

এদিকে কেন হেরে গেলেন মৌসুমী সেই আলোচনা চলছে দিনভর। আলোচনায় ঘুরেফিরে এসেছে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার রাজনীতি। অনেকে এটাকে ‘ব্যাড পলিটিক্স’ বলেও অভিহিত করছেন। তবে রাজনীতির মাঠে ভোটার টানতে এ রাজনীতিকে স্বাভাবিক বলেই মানছেন অনেকে।

এবারের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ মুহূর্তে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকায় দেখা যায় ব্যাপক পরিবর্তন। পুরনো ১৮১ জন সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণা করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয় মিশা-জায়েদ প্যানেলের ফেভারে থাকা একঝাঁক ভোটার। যেখানে নবাগত নায়ক-নায়িকাদের পাশাপাশি আছেন ফাইটারদের সমিতি ও নৃত্যশিল্পীদের সমিতির সদস্যরা। ফাইটার আরমান ও নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুলের নেতৃত্বে এই দুই সংগঠনের ভোটাররা মিশা-জায়েদ প্যানেলকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিনেতা ওমর সানি বলেন, ‘প্রকৃত শিল্পীরা মৌসুমীকে ভোট দিয়েছেন এই বিশ্বাস আমার আছে। কিন্তু শিল্পী সমিতিতে আরও দুটি অংশ রয়েছে, যেগুলোর সদস্যরা নির্বাচনে ভাইটাল ভূমিকা রেখেছে। তারা হলো নৃত্যশিল্পী ও ফাইটের লোকজন।’

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মৌসুমী যে কারণে হেরে গেল

আপডেট টাইম : ১০:১৭:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৬ অক্টোবর ২০১৯

হাওর বার্তা ডেস্কঃ অনেক আশা জাগিয়েও ইতিহাস করতে পারলেন না প্রিয়দর্শিনী চিত্রনায়িকা মৌসুমী। গতকাল (২৫ অক্টোবর) সন্ধ্যার পর থেকেই খবর ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নারী সভাপতি হিসেবে ইতিহাস তৈরি করতে যাচ্ছেন এই নায়িকা।

ভোট গণনা শুরু হওয়ার পরও বারবার এসেছে মৌসুমী এগিয়ে আছেন। কিন্তু চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার সময় জানা গেল ১০২ ভোট বেশি পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন মিশা সওদাগর।

ভক্ত-দর্শকের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে মৌসুমী থাকলেও ২২৭ ভোট পেয়ে সভাপতি নির্বাচিত হন তার প্রতিদ্বন্দ্বী মিশা সওদাগর। মৌসুমী পেয়েছেন ১২৫ ভোট।

এদিকে কেন হেরে গেলেন মৌসুমী সেই আলোচনা চলছে দিনভর। আলোচনায় ঘুরেফিরে এসেছে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকা হালনাগাদ করার রাজনীতি। অনেকে এটাকে ‘ব্যাড পলিটিক্স’ বলেও অভিহিত করছেন। তবে রাজনীতির মাঠে ভোটার টানতে এ রাজনীতিকে স্বাভাবিক বলেই মানছেন অনেকে।

এবারের নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার আগ মুহূর্তে শিল্পী সমিতির ভোটার তালিকায় দেখা যায় ব্যাপক পরিবর্তন। পুরনো ১৮১ জন সদস্যকে অযোগ্য ঘোষণা করে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হয়। ভোটার তালিকায় ঢোকানো হয় মিশা-জায়েদ প্যানেলের ফেভারে থাকা একঝাঁক ভোটার। যেখানে নবাগত নায়ক-নায়িকাদের পাশাপাশি আছেন ফাইটারদের সমিতি ও নৃত্যশিল্পীদের সমিতির সদস্যরা। ফাইটার আরমান ও নৃত্য পরিচালক মাসুম বাবুলের নেতৃত্বে এই দুই সংগঠনের ভোটাররা মিশা-জায়েদ প্যানেলকে একচেটিয়া ভোট দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এ বিষয়ে অভিনেতা ওমর সানি বলেন, ‘প্রকৃত শিল্পীরা মৌসুমীকে ভোট দিয়েছেন এই বিশ্বাস আমার আছে। কিন্তু শিল্পী সমিতিতে আরও দুটি অংশ রয়েছে, যেগুলোর সদস্যরা নির্বাচনে ভাইটাল ভূমিকা রেখেছে। তারা হলো নৃত্যশিল্পী ও ফাইটের লোকজন।’