ঢাকা ০২:৩৩ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ৯ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম

তিনি হয়তো মন্ত্রী গোছের কেউ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৩৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৫
  • ৫৬৬ বার

রোববার বিকেল ৪টার দিকে রাস্তায় গাড়ি রেখে মন্ত্রী কাকরাইল এলাকা থেকে মৎস্য ভবন হয়ে ফুটপাথ ধরে হেটে মন্ত্রণালয়ে যান পররাষ্ট্র মন্ত্রী সৈয়দ মাহমুদ আলী। অক্টোবরের তপ্ত গরমে টাইসহ নীল স্যুট পরিহিত মাহমুদ আলীকে এ সময় বেশ ক্লান্ত লাগছিল। ভেতরে ভেতরে ঘামে নেয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ঘাম ও ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে মুখে। বার বার রুমাল দিয়ে মুখের ঘাম মুছছিলেন। এভাবেই রাজধানী ঢাকার যানজটের কাছে হার মানলেন মন্ত্রী। যানজট সরাতে হার মানলো তার সরকারি প্রটোকলও।
ফুটপাথ ধরে হেটে গেলেও প্রটেকশনের বাড়াবাড়ি ছিল না। তার সিকিউরিটির দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন সিভিল ড্রেসে। হাতে ওয়াকি-টকি না থাকলে পুলিশ সদস্য বলে তাকে মনে হতো না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রটেকশনের এই পুলিশ কর্মকর্তা সামনে কেউ পড়লে কেবল হাত দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এই প্রতিবেদককেও দুবার হাত দিয়ে সরিয়ে দেন কিন্তু মুখে কিছু বলেননি। শান্ত ও ধীর পদক্ষেপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। মাঝে মাঝে কেউ সৈয়দ মাহমুদ আলীর গায়ে ধাক্কা দিচ্ছিলেন। তিনি তাতে ভ্রুক্ষেপ না করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাধারণ পথচারীর মতো। অবশেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গেটের কাছে এলে মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান। ঠিক তখনই ফুটপাথের হাটুরে মানুষ বুঝতে পারেন তিনি হয়তো মন্ত্রী গোছের কেউ।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

মিঠামইনে বিএনপি সভাপতি হত্যা: যুবদল আহ্বায়ক নৌশাদ গ্রেপ্তার

তিনি হয়তো মন্ত্রী গোছের কেউ

আপডেট টাইম : ১১:৩৯:০১ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ অক্টোবর ২০১৫

রোববার বিকেল ৪টার দিকে রাস্তায় গাড়ি রেখে মন্ত্রী কাকরাইল এলাকা থেকে মৎস্য ভবন হয়ে ফুটপাথ ধরে হেটে মন্ত্রণালয়ে যান পররাষ্ট্র মন্ত্রী সৈয়দ মাহমুদ আলী। অক্টোবরের তপ্ত গরমে টাইসহ নীল স্যুট পরিহিত মাহমুদ আলীকে এ সময় বেশ ক্লান্ত লাগছিল। ভেতরে ভেতরে ঘামে নেয়ে যাচ্ছিলেন তিনি। ঘাম ও ক্লান্তির ছাপ স্পষ্ট হয়ে ওঠে মুখে। বার বার রুমাল দিয়ে মুখের ঘাম মুছছিলেন। এভাবেই রাজধানী ঢাকার যানজটের কাছে হার মানলেন মন্ত্রী। যানজট সরাতে হার মানলো তার সরকারি প্রটোকলও।
ফুটপাথ ধরে হেটে গেলেও প্রটেকশনের বাড়াবাড়ি ছিল না। তার সিকিউরিটির দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ কর্মকর্তা ছিলেন সিভিল ড্রেসে। হাতে ওয়াকি-টকি না থাকলে পুলিশ সদস্য বলে তাকে মনে হতো না। পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রটেকশনের এই পুলিশ কর্মকর্তা সামনে কেউ পড়লে কেবল হাত দিয়ে সরিয়ে দিচ্ছিলেন। এই প্রতিবেদককেও দুবার হাত দিয়ে সরিয়ে দেন কিন্তু মুখে কিছু বলেননি। শান্ত ও ধীর পদক্ষেপে পররাষ্ট্রমন্ত্রী সামনে এগিয়ে যাচ্ছিলেন। মাঝে মাঝে কেউ সৈয়দ মাহমুদ আলীর গায়ে ধাক্কা দিচ্ছিলেন। তিনি তাতে ভ্রুক্ষেপ না করে এগিয়ে যাচ্ছিলেন সাধারণ পথচারীর মতো। অবশেষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের গেটের কাছে এলে মন্ত্রণালয়ের কয়েকজন কর্মকর্তা ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে নিয়ে তাকে অভ্যর্থনা জানান। ঠিক তখনই ফুটপাথের হাটুরে মানুষ বুঝতে পারেন তিনি হয়তো মন্ত্রী গোছের কেউ।