ঢাকা ১০:০৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২২ জুন ২০২৬, ৮ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সব পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ ইসির

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮
  • ৪৩৪ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নিদের্শনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (৩১অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কমিশনের কার্যালয়ে নির্বাচনের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের স্কুলগুলোতে ভোটকেন্দ্র থাকবে। তাছাড়া স্কুলশিক্ষকরা ভোটের দিন প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন। এসব কারণেই ডিসেম্বরের আগামী ১০ তারিখের মধ্যে সব স্কুলের পরীক্ষা যেন শেষ হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি আমরা।

তিনি বলেন, “৪১ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রকে নির্বাচনের উপযোগী রাখা, সংস্কার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রস্তুত রাখার জন্য বলা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বরের আগে সব বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানের ভোটকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা সম্ভব হয়।”

এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে জানিয়ে সচিব বলেন, ব্যালট পেপার মুদ্রণ ও মালামাল জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো ছাড়া যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসি। এই সরকারের মেয়াদ শেষে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আগে থেকেই ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট করার প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে সরকার। আগামী ১১-১৮ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

সচিব বলেন, এই নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক বেশি। নির্বাচনের প্রস্তুতির ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। মালামাল জেলায় জেলায় পৌঁছানো ও ব্যালট পেপার ছাপানো ছাড়া প্রায় সব কাজ শেষ হয়েছে। তাছাড়া ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনাও আমাদের আছে।

তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচনটা করা হয়। তা না হলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। এটা নির্বাচ কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তফসিল ঘোষণার পর সকল নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে বাধ্য। সেজন্য তার আগেই আপনাদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা করা যাতে আগে থেকেই আপনারা প্রস্তুতি নিতে পারেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

জনপ্রিয় সংবাদ

১০ ডিসেম্বরের মধ্যে সব পরীক্ষা নেওয়ার নির্দেশ ইসির

আপডেট টাইম : ০৪:৪১:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অক্টোবর ২০১৮

হাওর বার্তা ডেস্কঃ আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য আগামী ১০ ডিসেম্বরের মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব ধরনের বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নিদের্শনা দিয়েছে নির্বাচন কমিশন।

বুধবার (৩১অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে কমিশনের কার্যালয়ে নির্বাচনের প্রাক প্রস্তুতি নিয়ে আন্তঃমন্ত্রণালয় বৈঠক শেষে নির্বাচন কমিশন সচিব হেলাল উদ্দিন আহমেদ সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, দেশের স্কুলগুলোতে ভোটকেন্দ্র থাকবে। তাছাড়া স্কুলশিক্ষকরা ভোটের দিন প্রিজাইডিং ও পোলিং কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করবেন। এসব কারণেই ডিসেম্বরের আগামী ১০ তারিখের মধ্যে সব স্কুলের পরীক্ষা যেন শেষ হয়, সে বিষয়ে ব্যবস্থা নিতে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দিয়েছি আমরা।

তিনি বলেন, “৪১ হাজারের বেশি ভোটকেন্দ্রকে নির্বাচনের উপযোগী রাখা, সংস্কার ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রস্তুত রাখার জন্য বলা হয়েছে। ১০ ডিসেম্বরের আগে সব বার্ষিক পরীক্ষা শেষ করতে বলা হয়েছে, যাতে প্রতিষ্ঠানের ভোটকেন্দ্রগুলো প্রস্তুত রাখা সম্ভব হয়।”

এক সপ্তাহের মধ্যে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হবে জানিয়ে সচিব বলেন, ব্যালট পেপার মুদ্রণ ও মালামাল জেলা পর্যায়ে পৌঁছানো ছাড়া যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে ইসি। এই সরকারের মেয়াদ শেষে ৩০ অক্টোবর থেকে ২৮ জানুয়ারির মধ্যে সংসদ নির্বাচনের সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা রয়েছে। আগে থেকেই ডিসেম্বরের মধ্যে ভোট করার প্রস্তুতি রয়েছে নির্বাচন কমিশনের।

সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম থেকে চতুর্থ শ্রেণির বার্ষিক পরীক্ষার সূচিতেও পরিবর্তন এনেছে সরকার। আগামী ১১-১৮ ডিসেম্বর এই পরীক্ষা হওয়ার কথা থাকলেও তা ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ করতে বলা হয়েছে।

সচিব বলেন, এই নির্বাচনের গুরুত্ব অনেক বেশি। নির্বাচনের প্রস্তুতির ৮০ ভাগ সম্পন্ন হয়েছে। মালামাল জেলায় জেলায় পৌঁছানো ও ব্যালট পেপার ছাপানো ছাড়া প্রায় সব কাজ শেষ হয়েছে। তাছাড়া ইভিএম ব্যবহারের পরিকল্পনাও আমাদের আছে।

তিনি বলেন, সকলের সহযোগিতা নিয়ে নির্বাচনটা করা হয়। তা না হলে নির্বাচন কমিশনের পক্ষে একা করা সম্ভব নয়। এটা নির্বাচ কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব। তফসিল ঘোষণার পর সকল নির্বাহী বিভাগ নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করতে বাধ্য। সেজন্য তার আগেই আপনাদের সঙ্গে প্রস্তুতিমূলক সভা করা যাতে আগে থেকেই আপনারা প্রস্তুতি নিতে পারেন।