ঢাকা ০৮:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৯ অগাস্ট ২০২৬, ১৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

নারিকেল ফুল থেকে ডায়াবেটিস চিনি

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৫
  • ৪০১ বার

নারিকেল ফুলের রস থেকে হবে ডায়াবেটিস চিনি! শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি গবেষকদের। তারা বলছেন, নারিকেল ফুলের রস চিনির শরবততুল্য। যা ডায়াবেটিসে আক্রান্তরাও পান করতে পারেন নির্দ্বিধায়। এমনকী এ রস থেকে বানানো চিনি দিয়ে তৈরি মিষ্টিও খেতে পারবেন তারা।
নারিকেলের ফুলের মিষ্টি রসকে বলা হয় ‘নীরা’। এ রসে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন রয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। ভারতের বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিজ্ঞানী অসিত চক্রবর্তীর মন্তব্য, ‘এই রস পান করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের চিন্তার কারণ নেই। কারণ, এতে রক্তে মেশে এমন শর্করার পরিমাণ অত্যন্ত কম।’
এই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উত্তর-পূর্ব ভারতে সরকারি উদ্যোগে নারিকেল গাছের ফুল থেকে রস বের করার কাজ শুরু হয়েছে। ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ’ (আইসিএআর)-এর অন্তর্গত কেরলের ‘সেন্ট্রাল প্ল্যান্টেশন ক্রপস্ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিপিসিআরআই)-এর বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই নারিকেলের উপর গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তাদেরই তত্ত্বাবধানে হুগলির বলাগড়ে শুরু হয়েছে এই পাইলট প্রজেক্ট ।
প্রকল্পে যুক্ত বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দীপক জানান, হিসেব করে দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের এক শতাংশ গাছ থেকে বছরে ১,০২৪ লক্ষ লিটার রস পাওয়া সম্ভব। যার বাজারদর প্রায় ৬২ লক্ষ টাকা (রুপি)। এক জন চাষি এক হেক্টর জমিতে নারিকেল গাছ লাগালে, সে সব গাছের ফুল থেকে সারা বছরে প্রায় ২১ লক্ষ টাকার (রুপি) রস বিক্রি করতে পারবেন। তিনি জানান, বিশ্বের বাজারে নারিকেলের ফুলের এই রসের তৈরি চিনির বাজারও প্রতিদিন বাড়ছে। বিকল্প চাষে অর্থকরী ফসল হিসেবে নীরা আগামী দিনে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তথ্যসূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

নারিকেল ফুল থেকে ডায়াবেটিস চিনি

আপডেট টাইম : ০৭:৫৫:০৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০১৫

নারিকেল ফুলের রস থেকে হবে ডায়াবেটিস চিনি! শুনতে অবাক লাগলেও এমনটাই দাবি গবেষকদের। তারা বলছেন, নারিকেল ফুলের রস চিনির শরবততুল্য। যা ডায়াবেটিসে আক্রান্তরাও পান করতে পারেন নির্দ্বিধায়। এমনকী এ রস থেকে বানানো চিনি দিয়ে তৈরি মিষ্টিও খেতে পারবেন তারা।
নারিকেলের ফুলের মিষ্টি রসকে বলা হয় ‘নীরা’। এ রসে নানা ধরনের খনিজ পদার্থ, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন রয়েছে বলে দাবি বিশেষজ্ঞদের। ভারতের বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিজ্ঞানী অসিত চক্রবর্তীর মন্তব্য, ‘এই রস পান করলে ডায়াবেটিসে আক্রান্তদের চিন্তার কারণ নেই। কারণ, এতে রক্তে মেশে এমন শর্করার পরিমাণ অত্যন্ত কম।’
এই সম্ভাবনাকে সামনে রেখে উত্তর-পূর্ব ভারতে সরকারি উদ্যোগে নারিকেল গাছের ফুল থেকে রস বের করার কাজ শুরু হয়েছে। ‘ইন্ডিয়ান কাউন্সিল অব এগ্রিকালচারাল রিসার্চ’ (আইসিএআর)-এর অন্তর্গত কেরলের ‘সেন্ট্রাল প্ল্যান্টেশন ক্রপস্ রিসার্চ ইনস্টিটিউট’ (সিপিসিআরআই)-এর বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরেই নারিকেলের উপর গবেষণা চালিয়ে আসছেন। তাদেরই তত্ত্বাবধানে হুগলির বলাগড়ে শুরু হয়েছে এই পাইলট প্রজেক্ট ।
প্রকল্পে যুক্ত বিধানচন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক দীপক জানান, হিসেব করে দেখা গেছে, পশ্চিমবঙ্গের এক শতাংশ গাছ থেকে বছরে ১,০২৪ লক্ষ লিটার রস পাওয়া সম্ভব। যার বাজারদর প্রায় ৬২ লক্ষ টাকা (রুপি)। এক জন চাষি এক হেক্টর জমিতে নারিকেল গাছ লাগালে, সে সব গাছের ফুল থেকে সারা বছরে প্রায় ২১ লক্ষ টাকার (রুপি) রস বিক্রি করতে পারবেন। তিনি জানান, বিশ্বের বাজারে নারিকেলের ফুলের এই রসের তৈরি চিনির বাজারও প্রতিদিন বাড়ছে। বিকল্প চাষে অর্থকরী ফসল হিসেবে নীরা আগামী দিনে বড় ভূমিকা নিতে পারে। তথ্যসূত্র : আনন্দবাজার পত্রিকা