ঢাকা ০৪:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ বাংলাদেশের অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সুখবর দিল মুডিস উইন্ডোজ ১০ ও ১১-এর জন্য জেমিনি অ্যাপ আনল গুগল ইমরানের মুক্তির দাবিতে অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীর দ্বারস্থ ৭ সাবেক অধিনায়ক শিশুদের সম্ভাবনা বিকশিত করতে মুক্ত পরিবেশ নিশ্চিতের আহ্বান জুবাইদা রহমানের গণতন্ত্র রক্ষা করা এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি জুলাইয়ে মানবতাবিরোধী মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ সাত জনের মৃত্যুদণ্ডের রায় মাথার চুল ফেলে যা বললেন ক্যনসার আক্রান্ত সামিয়া আফরিন সার ডিলারদের কমিশন বাড়ছে, কৃষক পর্যায়ে দাম অপরিবর্তিত ঠাকুরগাঁও-১ উপনির্বাচনে বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিলেন ৩ জন

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনে যাত্রা শুরু করলো ‘বাতিঘর’

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৪৬৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শতাধিক বিষয়ের ১০ হাজার লেখক ও এক হাজার দেশি–বিদেশি প্রকাশনা সংস্থার লক্ষাধিক বইয়ের সমাহার নিয়ে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেছে বইঘর ‘বাতিঘর’। গতকাল সকালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এর দ্বারন্মোচন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনের অষ্টম তলায় প্রায় ৫০০০ বর্গফুট জায়গায় গড়ে তোলা ‘বাতিঘর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বইয়ের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা আছে বলেই বাতিঘরের কর্ণধার এই কর্মযজ্ঞটি সাধন করতে পেরেছেন। আমরা যদি প্রত্যেকে একটি করে বই কিনি তবেই বাতিঘর তার আলো ছড়াবে। সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, উন্নত বিশ্বের আদলে দেশের পাবলিক লাইব্রেরিকে নিত্য প্রয়োজনীয় সব সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন ওয়ান স্টপ সেন্টারে পরিণত করা হবে যাতে, লাইব্রেরির প্রতি সকল শ্রেণি–পেশার মানুষের আগ্রহ বাড়ে।

বইমেলাকে তথাকথিত জনসমাগম কেন্দ্রে পরিণত না করে এটিকে সত্যিকার অর্থে বইপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, শিক্ষাবিদ এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

উল্লেখ্য ২০০৫ সালে মাত্র ১০০ বর্গফুটের ছোট পরিসরে চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়ে এটি যাত্রা শুরু করে। প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে বাতিঘরের পথচলা শুরু হয় ২০০৯ সালে। ২০১২ সালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনে প্রায় ৩০০০ বর্গফুটের বিস্তৃত পরিসরে পুরোনো জাহাজের আদলে সম্প্রসারিত হয় ‘বাতিঘর’। অভ্যন্তরীণ সজ্জায় মুঘল স্থাপত্য বিশেষত লালবাগ কেল্লার আদলে নির্মিত ঢাকার ‘বাতিঘর’ এ পাঠকরা তাদের পছন্দের বই নিয়ে পড়তে পারবেন বইঘরে বসেই। তাদের জন্য চেয়ারগুলো সাজানো হয়েছে মুঘল রীতি অনুযায়ী।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

অকেজো ৮ হাজার কোটি টাকার প্রযুক্তি পার্ক কার্যকরের উদ্যোগ

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনে যাত্রা শুরু করলো ‘বাতিঘর’

আপডেট টাইম : ০৪:০৮:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ শতাধিক বিষয়ের ১০ হাজার লেখক ও এক হাজার দেশি–বিদেশি প্রকাশনা সংস্থার লক্ষাধিক বইয়ের সমাহার নিয়ে ঢাকায় যাত্রা শুরু করেছে বইঘর ‘বাতিঘর’। গতকাল সকালে বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে এর দ্বারন্মোচন করেন সংস্কৃতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান নূর।

বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্র ভবনের অষ্টম তলায় প্রায় ৫০০০ বর্গফুট জায়গায় গড়ে তোলা ‘বাতিঘর’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, বইয়ের প্রতি আবেগ ও ভালোবাসা আছে বলেই বাতিঘরের কর্ণধার এই কর্মযজ্ঞটি সাধন করতে পেরেছেন। আমরা যদি প্রত্যেকে একটি করে বই কিনি তবেই বাতিঘর তার আলো ছড়াবে। সংস্কৃতিমন্ত্রী জানান, উন্নত বিশ্বের আদলে দেশের পাবলিক লাইব্রেরিকে নিত্য প্রয়োজনীয় সব সুযোগ–সুবিধাসম্পন্ন ওয়ান স্টপ সেন্টারে পরিণত করা হবে যাতে, লাইব্রেরির প্রতি সকল শ্রেণি–পেশার মানুষের আগ্রহ বাড়ে।

বইমেলাকে তথাকথিত জনসমাগম কেন্দ্রে পরিণত না করে এটিকে সত্যিকার অর্থে বইপ্রেমীদের একটি মিলনমেলায় পরিণত করার প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি। বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন এমেরিটাস অধ্যাপক ড. আনিসুজ্জামান, শিক্ষাবিদ এমিরেটাস অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী এবং বাংলা একাডেমির মহাপরিচালক শামসুজ্জামান খান।

উল্লেখ্য ২০০৫ সালে মাত্র ১০০ বর্গফুটের ছোট পরিসরে চট্টগ্রামের চেরাগী পাহাড় মোড়ে এটি যাত্রা শুরু করে। প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে বাতিঘরের পথচলা শুরু হয় ২০০৯ সালে। ২০১২ সালে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ভবনে প্রায় ৩০০০ বর্গফুটের বিস্তৃত পরিসরে পুরোনো জাহাজের আদলে সম্প্রসারিত হয় ‘বাতিঘর’। অভ্যন্তরীণ সজ্জায় মুঘল স্থাপত্য বিশেষত লালবাগ কেল্লার আদলে নির্মিত ঢাকার ‘বাতিঘর’ এ পাঠকরা তাদের পছন্দের বই নিয়ে পড়তে পারবেন বইঘরে বসেই। তাদের জন্য চেয়ারগুলো সাজানো হয়েছে মুঘল রীতি অনুযায়ী।