ঢাকা ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত বেসামরিক জনগণের সুরক্ষা ও রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে জোরালো বৈশ্বিক পদক্ষেপের আহ্বান

মাঠে সোনালী ধানের বাম্পার ফলন

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭
  • ৬৪৯ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভোলায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের এমন সমারহ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে ধান কাটাও শুরু হয়েছে। তবে অধিকাংশ ধান এখনও মাঠে রয়েছে। কদিন পরেই মাঠে মাঠে ধান কাটা শুরু করবে কৃষকরা। তাই কৃষকের ঘরে ঘরে নবান্নন উৎসবের হাওয়া বইছে। নতুন ধান ঘরে আসার সাথে সাথে পিঠা পায়েসে মেতে উঠবেন তারা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ভোলায় এক লক্ষ ৭৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষমাত্রা থাকলেও আবাদ হয় এক লক্ষ ৭৯ হাজার হেক্টরও জমিতে। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ২৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে, দৌলতখান উপজেলায় ১৬ হাজার ৫৪০ হেক্টর, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর, তজুমদ্দিন উপজেলায় ১১ হাজার ৮০০ হেক্টর, লালমোহন উপজেলায় ২৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর, চরফ্যাশন উপজেলায় ৭০ হাজার ৫৬০ হেক্টর এবং মণপুরায় ১২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা করছে কৃষি। এছাড়া এবছর ধানের দাম মণপ্রতি গড়ে ৬ শত ৫০ টাকা থেকে ৭ শত টাকা। যা কৃষকের খরচ পুষিয়ে প্রতি ৮ শতাংশে ১ হাজার টাকা লাভ থাকবে বলে মনে করছে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর।

জেলার চরফ্যাশন উপজেলার নীল কমল ইউনিয়নের মহিমা বেগম এর সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে চাষ করতে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৭ শত টাকা।
প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে ধান উৎপাদন হবে গড়ে ৪ মণ। প্রতিমণ ধান গড়ে ৬৮০ টাকা ধরে বিক্রয় করলে মোট টাকা হবে ২ হাজার ৭ শত বিশ টাকা। খরচ বাদে প্রতি ৮ শতাংশে লাভ হবে ১ হাজার ২০ টাকা।

এব্যাপারে জেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, এবার ভোলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় মাঠে মাঠে সোনালী ধানের সমারহ। কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে ধানকাটা শুরু হয়েছে। তবে এখনও অধিকাংশ ফসল মাঠে রয়েছে।

এবছর লক্ষ মাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে আমন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা রয়েছে ৪ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন। তবে উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা এবছর ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান তিনি।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা

মাঠে সোনালী ধানের বাম্পার ফলন

আপডেট টাইম : ০৪:৪৯:৩১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৫ ডিসেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ ভোলায় এবার আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। ফলন ভালো হওয়ায় কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে। আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় এবছর মাঠ জুড়ে সোনালী ধানের এমন সমারহ বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।

কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে ধান কাটাও শুরু হয়েছে। তবে অধিকাংশ ধান এখনও মাঠে রয়েছে। কদিন পরেই মাঠে মাঠে ধান কাটা শুরু করবে কৃষকরা। তাই কৃষকের ঘরে ঘরে নবান্নন উৎসবের হাওয়া বইছে। নতুন ধান ঘরে আসার সাথে সাথে পিঠা পায়েসে মেতে উঠবেন তারা।

জেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, এ বছর ভোলায় এক লক্ষ ৭৭ হাজার হেক্টর জমিতে আমন ধান আবাদের লক্ষমাত্রা থাকলেও আবাদ হয় এক লক্ষ ৭৯ হাজার হেক্টরও জমিতে। এর মধ্যে ভোলা সদর উপজেলায় আবাদ হয়েছে ২৫ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমিতে, দৌলতখান উপজেলায় ১৬ হাজার ৫৪০ হেক্টর, বোরহানউদ্দিন উপজেলায় ১৮ হাজার ৫০০ হেক্টর, তজুমদ্দিন উপজেলায় ১১ হাজার ৮০০ হেক্টর, লালমোহন উপজেলায় ২৩ হাজার ৭৫০ হেক্টর, চরফ্যাশন উপজেলায় ৭০ হাজার ৫৬০ হেক্টর এবং মণপুরায় ১২ হাজার ৩০০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদ হয়েছে।

ধানের বাম্পার ফলন হওয়ায় উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা ছাড়িয়ে যাবে বলে ধারনা করছে কৃষি। এছাড়া এবছর ধানের দাম মণপ্রতি গড়ে ৬ শত ৫০ টাকা থেকে ৭ শত টাকা। যা কৃষকের খরচ পুষিয়ে প্রতি ৮ শতাংশে ১ হাজার টাকা লাভ থাকবে বলে মনে করছে কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তর।

জেলার চরফ্যাশন উপজেলার নীল কমল ইউনিয়নের মহিমা বেগম এর সাথে আলাপ করে জানা যায়, প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে চাষ করতে খরচ হয়েছে ১ হাজার ৭ শত টাকা।
প্রতি ৮ শতাংশ জমিতে ধান উৎপাদন হবে গড়ে ৪ মণ। প্রতিমণ ধান গড়ে ৬৮০ টাকা ধরে বিক্রয় করলে মোট টাকা হবে ২ হাজার ৭ শত বিশ টাকা। খরচ বাদে প্রতি ৮ শতাংশে লাভ হবে ১ হাজার ২০ টাকা।

এব্যাপারে জেলা কৃষি কর্মকর্তা প্রশান্ত কুমার সাহা বলেন, এবার ভোলায় ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। আবহাওয়া ভালো থাকায় মাঠে মাঠে সোনালী ধানের সমারহ। কিছু কিছু এলাকায় ইতিমধ্যে ধানকাটা শুরু হয়েছে। তবে এখনও অধিকাংশ ফসল মাঠে রয়েছে।

এবছর লক্ষ মাত্রার চেয়ে দুই হাজার হেক্টর বেশি জমিতে আমন আবাদ হয়েছে। চলতি মৌসুমে আমন উৎপাদনের লক্ষমাত্রা রয়েছে ৪ লক্ষ ২০ হাজার মেট্রিক টন। তবে উৎপাদনের লক্ষ মাত্রা এবছর ছাড়িয়ে যাবে বলে জানান তিনি।