ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৯ জুন ২০২৬, ৫ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল দুর্ঘটনায় আহত প্রবাসীর চিকিৎসায় সহায়তার হাত বাড়ালেন ছাত্রদল নেতা নিরাপত্তা যেন দূরে ঠেলে না দেয় : প্রধানমন্ত্রী ঐক্য ও সম্প্রীতির বার্তা দিয়ে ওবামার প্রেসিডেন্সিয়াল সেন্টার উদ্বোধন মধ্যপ্রাচ্যে শান্তির সুবাতাস এই সপ্তাহে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দর্শকদের জন্য যা থাকছে সংসদে প্রবেশের সময় মাথা নত করার প্রথা বিলুপ্ত করায় স্পিকারকে মোবারকবাদ মুহিউদ্দীনের শাকিরার প্রেম-বিচ্ছেদের গল্প শিক্ষা খাতে ৮৩ হাজারো মামলার জটে আটকা শিক্ষক ও কর্মচারী নিয়োগ: শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিপরিষদের সভা অনুষ্ঠিত

খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ১১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭
  • ৫০০ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি করার অভিযোগে এক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। আগামী ৫ অক্টোবর হাজির না হলে ওই দিন আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী এই আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে এই মামলা করেন জননেত্রী পরিষদ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম সেদিন বাদীর আর্জি শুনে তেজগাঁও থানা পুলিশকে ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে মরহুম জিয়াউর রহমানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়। ২২ মার্চ ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৮১ সালের ১৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে জিয়াউর রহমান তাকে হুমকি দেন ও অবরুদ্ধ করে রাখেন। ২০০১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করে বিএনপি। এ সময় স্বাধীনতাবিরোধীদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তাদের বাড়িতে এবং গাড়িতে তুলে দিয়েছেন। যার দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ ও মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকাকে অপমানিত করা হয়েছে।
তদন্তের পর তজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম মশিউর রহমানের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে মন্ত্রী বানান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইতোমধ্যে তাদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে মন্ত্রিত্বের সুবিধা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তাদের বাড়ি এবং গাড়িতে ব্যবহার করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত পতাকাকে স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে তুলে দিয়ে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক জনগণের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৫০০ ধারার মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
গত ২২ মার্চ বিচারক প্রতিবেদনটি আমলে নেন এবং পরে ২০ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জানান, আদালতে এ মামলার শুনানিতে তাদের কেউ ছিলেন না। তবে আদেশের বিষয়টি তারা শুনেছেন।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

প্রয়াত নেতৃবৃন্দের স্মরণে বৃহত্তর ময়মনসিংহ সমিতির উদ্যোগে ২০ জুন আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল

খালেদা জিয়াকে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট টাইম : ১১:৪৫:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে জাতীয় পতাকা তুলে দিয়ে দেশের মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকার মানহানি করার অভিযোগে এক মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে হাজির হতে নির্দেশ দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। আগামী ৫ অক্টোবর হাজির না হলে ওই দিন আদালতে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানার বিষয়ে আদেশ দেয়া হবে। গতকাল রবিবার ঢাকা মহানগর হাকিম নুর নবী এই আদেশ দেন। গত বৃহস্পতিবার খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করার আবেদন করা হয়। উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ৩ নভেম্বর সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও তার স্ত্রী খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে মানহানির অভিযোগে এই মামলা করেন জননেত্রী পরিষদ নামের একটি সংগঠনের সভাপতি এ বি সিদ্দিকী। ঢাকা মহানগর হাকিম রায়হানুল ইসলাম সেদিন বাদীর আর্জি শুনে তেজগাঁও থানা পুলিশকে ঘটনার তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের আদেশ দেন।
চলতি বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি তেজগাঁও থানার পুলিশ অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে বলে প্রতিবেদন দাখিল করে। প্রতিবেদনে মরহুম জিয়াউর রহমানকে অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেয়ার জন্য আবেদন করা হয়। ২২ মার্চ ওই প্রতিবেদন আমলে নিয়ে আদালত খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়, ১৯৮১ সালের ১৭ মে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে ফিরে এলে জিয়াউর রহমান তাকে হুমকি দেন ও অবরুদ্ধ করে রাখেন। ২০০১ সালে জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে জোট করে সরকার গঠন করে বিএনপি। এ সময় স্বাধীনতাবিরোধীদের মন্ত্রী-এমপি বানিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের মানচিত্র ও জাতীয় পতাকা তাদের বাড়িতে এবং গাড়িতে তুলে দিয়েছেন। যার দ্বারা মুক্তিযুদ্ধ ও মানচিত্র এবং জাতীয় পতাকাকে অপমানিত করা হয়েছে।
তদন্তের পর তজগাঁও থানার পরিদর্শক (তদন্ত) এ বি এম মশিউর রহমানের ২৫ ফেব্রুয়ারি দেয়া প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া জামায়াত নেতা মতিউর রহমান নিজামী ও আলী আহসান মুহাম্মদ মুজাহিদকে মন্ত্রী বানান। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে বিচার শেষে যুদ্ধাপরাধের দায়ে ইতোমধ্যে তাদের মৃত্যুদন্ড কার্যকর করা হয়েছে। তারা ক্ষমতায় থাকাকালে মন্ত্রিত্বের সুবিধা নিয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জাতীয় পতাকা তাদের বাড়ি এবং গাড়িতে ব্যবহার করেছেন। বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া ৩০ লাখ শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত পতাকাকে স্বাধীনতাবিরোধীদের গাড়িতে তুলে দিয়ে সত্যিকারের দেশপ্রেমিক জনগণের মর্যাদা ভূলুণ্ঠিত করেছেন। তাই তার বিরুদ্ধে দন্ডবিধির ৫০০ ধারার মানহানির অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে।
গত ২২ মার্চ বিচারক প্রতিবেদনটি আমলে নেন এবং পরে ২০ এপ্রিল খালেদা জিয়াকে আদালতে হাজির হতে নির্দেশ দেন। বেগম খালেদা জিয়ার অন্যতম আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জানান, আদালতে এ মামলার শুনানিতে তাদের কেউ ছিলেন না। তবে আদেশের বিষয়টি তারা শুনেছেন।