ঢাকা ০৩:৪২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ অগাস্ট ২০২৬, ১১ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’ বোল্টের চেয়েও দ্রুত দৌড়ানো সেই চীনা রোবটের নতুন চমক মহানবী মুহাম্মদ (সা.) : সব সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ যিনি প্রধানমন্ত্রী ইসলামের আদর্শ বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠা করছেন: মঈন খান চুলে রং করার পর যত্ন নেবেন যেভাবে নেপালে বন্যা: প্রাণহানির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর শোক, সহযোগিতার বার্তা নবীজি (সা.)-এর আদর্শ অনুসরণ ছাড়া বিশ্ব পরিস্থিতির পরিবর্তন সম্ভব নয় : ডিএসসিসি প্রশাসক চারণভূমি সুরক্ষা ও টেকসই ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় জনগোষ্ঠীকে সম্পৃক্ত করার আহ্বান পরিবেশমন্ত্রীর ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে সুস্পষ্ট রোডম্যাপ করতে হবে: আইনমন্ত্রী মক্কা প্রতিরক্ষা চুক্তিতে যোগদানের বিষয়টি বিবেচনা করছে বাংলাদেশ: শামা ওবায়েদ

বিচারকদের চাকরির বিধি : খসড়া গ্রহণ করেনি আপিল বিভাগ

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০১:০০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭
  • ৩৬৮ বার
হাওর বার্তা ডেস্কঃ  নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া গ্রহণ করেনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। খসড়ার বিভিন্ন ধারার অসংগতি তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, আমার সঙ্গে আলোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, সব অসঙ্গতি দূর হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই খসড়ায় সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছেনা। প্রধান বিচারপতি বলেন, কেনো আপনারা পুরোপুরি ইউটার্ন নিয়ে এ ধরনের একটা খসড়া প্রণয়ন করলেন।
আজ রবিবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। একইসঙ্গে খসড়া নিয়ে আইনমন্ত্রী, আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ড্রাফটিং উইংয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করতেও বলেছেন অ্যাটর্নি জেনারেলকে।
গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করে এই খসড়া হস্তান্তর করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ওই বিধিমালা সংশোধন করে তার খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আপিল বিভাগ। এরপর ওই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে আদালতে দাখিল করতে আপিল বিভাগ গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সংশোধন করে দেয়া খসড়া বিধিমালা গেজেট আকারে জারির জন্য ২০ বার সময় নেয় সরকার।
সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বিধিমালার অনুসন্ধান ও বিভাগীয় মামলা রুজু, সাময়িক বরখাস্তকরণ ও উহার অবসান, দণ্ডসমূহ, তদন্ত ও দণ্ড আরোপের পদ্ধতির অধ্যায়সূমহে সংশোধনী এনে সুপ্রিম কোর্ট বেশ কিছু বিধান যুক্ত করে দেয়। ফলে এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। ওই মতপার্থক্য নিরসনে চলতি মাসে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। গত ২০ জুলাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইন মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিধিমালার যেসব ব্যাপার নিয়ে দ্বিমত ছিল আলোচনার মধ্য দিয়ে সেগুলো অনেকাংশেই দূর হয়েছে। শিগগিরই গেজেট জারি হবে। ওই বৈঠকের এক সপ্তাহ পর আইনমন্ত্রী বিধিমালার চূড়ান্ত খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে অর্পণ করেন।
Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

সমুদ্রের বেলাভূমিতে সাদিয়া আয়মানের ‌‘একটুখানি জাদু’

বিচারকদের চাকরির বিধি : খসড়া গ্রহণ করেনি আপিল বিভাগ

আপডেট টাইম : ০১:০০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৩০ জুলাই ২০১৭
হাওর বার্তা ডেস্কঃ  নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালার খসড়া গ্রহণ করেনি সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। খসড়ার বিভিন্ন ধারার অসংগতি তুলে ধরে প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহা বলেন, আমার সঙ্গে আলোচনা করে আইনমন্ত্রী বলেছিলেন, সব অসঙ্গতি দূর হবে। কিন্তু মন্ত্রণালয়ের প্রণীত এই খসড়ায় সেটার প্রতিফলন দেখা যাচ্ছেনা। প্রধান বিচারপতি বলেন, কেনো আপনারা পুরোপুরি ইউটার্ন নিয়ে এ ধরনের একটা খসড়া প্রণয়ন করলেন।
আজ রবিবার এ সংক্রান্ত মামলার শুনানিকালে অ্যাটর্নি জেনারেলের উদ্দেশে তিনি এসব কথা বলেন। একইসঙ্গে খসড়া নিয়ে আইনমন্ত্রী, আপিল বিভাগের বিচারপতিগণ, অ্যাটর্নি জেনারেল এবং ড্রাফটিং উইংয়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে বৈঠকে বসার জন্য অ্যাটর্নি জেনারেলকে বলেছেন প্রধান বিচারপতি। চলতি সপ্তাহের যেকোনো দিন বৈঠকের দিনক্ষণ ঠিক করতেও বলেছেন অ্যাটর্নি জেনারেলকে।
গত বৃহস্পতিবার প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার সঙ্গে সাক্ষাত করে এই খসড়া হস্তান্তর করেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।
১৯৯৯ সালের ২ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ মাসদার হোসেন মামলায় ১২ দফা নির্দেশনা দিয়ে রায় দেয়। ওই রায়ের আলোকে নিম্ন আদালতের বিচারকদের চাকরির শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিধিমালা প্রণয়নের নির্দেশনা ছিল। আপিল বিভাগের নির্দেশনার পর গত বছরের ৭মে আইন মন্ত্রণালয় বিধিমালার একটি খসড়া তৈরি করে সুপ্রিম কোর্টে পাঠায়। ওই বিধিমালা সংশোধন করে তার খসড়া মন্ত্রণালয়ে পাঠায় আপিল বিভাগ। এরপর ওই বিধিমালা গেজেট আকারে জারি করে আদালতে দাখিল করতে আপিল বিভাগ গত বছরের ২৮ আগস্ট আইন মন্ত্রণালয়কে নির্দেশ দিয়েছিল। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের সংশোধন করে দেয়া খসড়া বিধিমালা গেজেট আকারে জারির জন্য ২০ বার সময় নেয় সরকার।
সূত্র জানায়, আইন মন্ত্রণালয়ের প্রণীত বিধিমালার অনুসন্ধান ও বিভাগীয় মামলা রুজু, সাময়িক বরখাস্তকরণ ও উহার অবসান, দণ্ডসমূহ, তদন্ত ও দণ্ড আরোপের পদ্ধতির অধ্যায়সূমহে সংশোধনী এনে সুপ্রিম কোর্ট বেশ কিছু বিধান যুক্ত করে দেয়। ফলে এ নিয়ে সুপ্রিম কোর্ট ও মন্ত্রণালয়ের মধ্যে মতপার্থক্য দেখা দেয়। ওই মতপার্থক্য নিরসনে চলতি মাসে প্রধান বিচারপতির সঙ্গে কয়েকটি বৈঠক করেন আইনমন্ত্রী। গত ২০ জুলাই প্রধান বিচারপতির সঙ্গে বৈঠক শেষে আইন মন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেছিলেন, বিধিমালার যেসব ব্যাপার নিয়ে দ্বিমত ছিল আলোচনার মধ্য দিয়ে সেগুলো অনেকাংশেই দূর হয়েছে। শিগগিরই গেজেট জারি হবে। ওই বৈঠকের এক সপ্তাহ পর আইনমন্ত্রী বিধিমালার চূড়ান্ত খসড়া প্রধান বিচারপতির কাছে অর্পণ করেন।