ঢাকা ০৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২১ জুন ২০২৬, ৭ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম
ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি রিজার্ভের আড়ালে বাড়ছে ঝুঁকি কৃষক বাঁচলেই দেশ বাঁচবে: ত্রাণমন্ত্রী বিচারকদের সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান প্রধান বিচারপতির বগুড়ার আলোচিত তিন ইউনিয়নের নাম পরিবর্তনে ডিসিকে প্রধানমন্ত্রীর চিঠি তাপমাত্রা ও বৃষ্টি নিয়ে নতুন বার্তা দিল আবহাওয়া অফিস নানা সংকটে চ্যালেঞ্জে পুলিশ মালয়েশিয়ায় প্রধানমন্ত্রীর দুই দিনের সরকারি সফর শুরু কাল, দ্বিপক্ষীয় বৈঠক ও সমঝোতা স্মারক সইয়ের সম্ভাবনা কার হাতে উঠবে বিশ্বকাপ, জানাল অক্টোপাস পলের উত্তরসূরিরা শুধু বেতন নয়, আরও যেসব সুবিধা পাচ্ছেন সরকারি চাকরিজীবীরা

রোহিঙ্গাদের বিপন্নতায় নতুন মোড়

  • Reporter Name
  • আপডেট টাইম : ০৭:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭
  • ৩৭৮ বার

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর থেকে এ বছর মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত চলা সেনা অভিযানের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিপন্নতা নতুন মোড় নিয়েছে। সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াং জি লি জানিয়েছেন, অভিযান পরবর্তী সময়ে নাগরিকতার আবেদনকারী রোহিঙ্গাদের ওপর অজ্ঞাত হামলা এবং তাদের মধ্যকার বিভাজন বেড়েছে। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদুলো পোস্টে প্রকাশিত ইয়াং জি লি’র সাক্ষাৎকারভিত্তিক এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। গতবছর অক্টোবরে ৯ সীমান্ত পুলিশ হত্যাকান্ডের প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং সীমান্তরক্ষী পুলিশ একযোগে রোহিঙ্গা দমনে অভিযান শুরু করে। মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত চলা সেই সেনা অভিযানে শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়। জানুয়ারিতে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের পর জাতিসংঘ সে সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে জাতিগতভাবে নির্মূল করার অভিযোগ আনে। ইয়াং জি লি বলেছেন, গত জানুয়ারি মাসে আমাদের সর্বশেষ পরিদর্শনের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আমরা এখনও অব্যাহতভাবে সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট পাচ্ছি। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করে না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে তারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে। তবে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে গিয়েও তারা অজ্ঞাত হামলার শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইয়াং জি লি। একে মিয়ানমার সরকারের পক্ষের কাজ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ। এরইমধ্যে গ্রাম প্রশাসকসহ অন্যান্য মুসলিমরা আক্রান্ত হয়েছেন অজ্ঞাত ওই হামলাকারীদের দ্বারা। এই পরিস্থিতি রাখাইনের বেসামরিক রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিকে আরও করুণ করে তুলেছে।

Tag :

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

Haor Barta24

জনপ্রিয় সংবাদ

ছোট এআই মডেলেই বড় চ্যালেঞ্জ: ক্লাউড সিস্টেমকে টক্কর দিচ্ছে নতুন প্রযুক্তি

রোহিঙ্গাদের বিপন্নতায় নতুন মোড়

আপডেট টাইম : ০৭:৩৮:৫৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৩ জুলাই ২০১৭

হাওর বার্তা ডেস্কঃ  জাতিসংঘের মানবাধিকার সংস্থা ইউএনএইচসিআর জানিয়েছে, গত বছর অক্টোবর থেকে এ বছর মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত চলা সেনা অভিযানের পর মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গাদের বিপন্নতা নতুন মোড় নিয়েছে। সংস্থাটির মানবাধিকার বিষয়ক বিশেষ দূত ইয়াং জি লি জানিয়েছেন, অভিযান পরবর্তী সময়ে নাগরিকতার আবেদনকারী রোহিঙ্গাদের ওপর অজ্ঞাত হামলা এবং তাদের মধ্যকার বিভাজন বেড়েছে। তুর্কি বার্তা সংস্থা আনাদুলো পোস্টে প্রকাশিত ইয়াং জি লি’র সাক্ষাৎকারভিত্তিক এক প্রতিবেদন থেকে এসব কথা জানা গেছে। গতবছর অক্টোবরে ৯ সীমান্ত পুলিশ হত্যাকান্ডের প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমারের সেনাবাহিনী এবং সীমান্তরক্ষী পুলিশ একযোগে রোহিঙ্গা দমনে অভিযান শুরু করে। মধ্য এপ্রিল পর্যন্ত চলা সেই সেনা অভিযানে শতাধিক রোহিঙ্গা নিহত হয়। জানুয়ারিতে রাখাইন রাজ্য পরিদর্শনের পর জাতিসংঘ সে সময় মিয়ানমারের সেনাবাহিনীর বিরুদ্ধে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীকে জাতিগতভাবে নির্মূল করার অভিযোগ আনে। ইয়াং জি লি বলেছেন, গত জানুয়ারি মাসে আমাদের সর্বশেষ পরিদর্শনের পর পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। আমরা এখনও অব্যাহতভাবে সেখানে মানবাধিকার লঙ্ঘনের রিপোর্ট পাচ্ছি। মিয়ানমার রোহিঙ্গাদের আলাদা কোনও জাতিগোষ্ঠীই মনে করে না। বিশ্বের সবচেয়ে নিপীড়িত ওই জনগোষ্ঠীকে তারা বাংলাদেশের নাগরিক হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করে দায়িত্ব অস্বীকার করতে চায়। তবে রোহিঙ্গারা নিজেদের মিয়ানমারের নাগরিক বলেই জানে। নাগরিকত্বকে তারা অধিকার হিসেবেই দেখে। তবে নাগরিকত্ব নিশ্চিত করতে গিয়েও তারা অজ্ঞাত হামলার শিকার হচ্ছেন বলে জানিয়েছেন ইয়াং জি লি। একে মিয়ানমার সরকারের পক্ষের কাজ হিসেবে দেখছেন কেউ কেউ। এরইমধ্যে গ্রাম প্রশাসকসহ অন্যান্য মুসলিমরা আক্রান্ত হয়েছেন অজ্ঞাত ওই হামলাকারীদের দ্বারা। এই পরিস্থিতি রাখাইনের বেসামরিক রোহিঙ্গাদের পরিস্থিতিকে আরও করুণ করে তুলেছে।